১৯৩৯ সালের ১ লা সেপ্টেম্বর ফ্যাসিবাদী জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ এর মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সুচনা হিসাবে ধরে নেওয়া হয়।পরবর্তীতে আন্তর্জাতিকভাবে এই দিনটি শান্তি দিবস হিসাবে স্বীকৃতি পায়।
কলকাতায় যুদ্ধবিরোধী মিছিলে পা মেলালেন বিভিন্ন বামদল সহ অসংখ্য মানুষ
কলকাতায় যুদ্ধবিরোধী মিছিলে পা মেলালেন বিভিন্ন বামদল সহ অসংখ্য মানুষ। যুদ্ধ নয়,শান্তি চাই।সাম্রাজ্যবাদ ধ্বংস হোক,মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ধংস হোক,দুনিয়া জুড়ে মার্কিন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে- লড়তে হবে একসাথে, সভ্যতা ও মানবতার শত্রু সাম্রাজ্যবাদ ও সাম্প্রদায়িকতাবাদ ধংস হোক আফগানিস্তানে শান্তি ফিরুক, মানুষের স্বাধীন জীবনযাপন চাই প্রভৃতি স্লোগান কে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক শান্তি, সংহতি ও যুদ্ধ বিরোধী দিবসে আজ ১ লা সেপ্টেম্বর শান্তির মহামিছিল অনুষ্ঠিত হয় কলকাতায়।
১৯৩৯ সালের ১ লা সেপ্টেম্বর ফ্যাসিবাদী জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ এর মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সুচনা হিসাবে ধরে নেওয়া হয়।পরবর্তীতে আন্তর্জাতিকভাবে এই দিনটি শান্তি দিবস হিসাবে স্বীকৃতি পায়।সারা বিশ্ব জুড়ে যুদ্ধের বিরুদ্ধে শান্তির জন্য দিনটি নানা ভাবে পালিত ,নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পালিত হয়ে আসছে।পশ্চিমবঙ্গের বামপন্থীরা প্রতি বছরই ১ লা সেপ্টেম্বর সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধের বিরুদ্ধে শান্তির পক্ষে মিছিলের কর্মসূচি নিয়ে থাকে।এবার ও শান্তির পক্ষে ফেস্টুন, ব্যানার,হোডিং ,পোষ্টারসহ অগনিত সাধারণ মানুষ মিছিলে পা মেলান।বামপন্থী আন্দোলন এর নেতৃবৃন্দ মিছিলের সামনের সারিতে দাড়িয়ে মিছিলে পা মেলান। আজ শান্তির মহামিছিলে সাধারণ মানুষের স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে কলকাতা।শান্তির পক্ষে আজ যেভাবে সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ পা মেলালেন তা যুদ্ধ জিগির এর বিরুদ্ধে শান্তির পক্ষে নুতন বার্তা বহন করছে।
ঐদিন বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসু সিপিআইএম নেতা সূর্যকান্ত মিশ্র মিছিলে অংশগ্রহণকারী সকলকে অভিনন্দন জানান।তিনি আজকের দিনের তাৎপর্য বলেন।তিনি সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে সকল কে একজোট হওয়ার কথা বলেন।
We hate spam as much as you do