সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি এই ভ্যাকসিন নিয়ে যে জাল কারবার চলছে তার প্রমানও মিলেছে বলে জানিয়েছে WHO। কোভিশ্লিডের ২ মিলিলিটারের ভুয়ো ভায়ালের খোঁজ মিলেছে এ দেশে। সেরাম ইনস্টিটিউটের ২ এমএলের কোনও কোভিশিল্ড ভায়াল নেই।
ভারতের বাজারে বিক্রি হচ্ছে নকল কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন,WHO সতর্ক করল ভারত সরকারকে
ভারতের বাজারে বিক্রি হচ্ছে নকল কোভিশিল্ড(Covishield )ভ্যাকসিন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা WHO বিবৃতি দিয়ে এনিয়ে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে। শুধু ভারত নয়,আফ্রিকার কিছু অংশেও এই ধরনের অসাধু কারবার চলছে বলে সতর্ক করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা( WHO)।
সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি এই ভ্যাকসিন নিয়ে যে জাল কারবার চলছে তার প্রমানও মিলেছে বলে জানিয়েছে WHO। কোভিশ্লিডের ২ মিলিলিটারের ভুয়ো ভায়ালের খোঁজ মিলেছে এ দেশে। সেরাম ইনস্টিটিউটের ২ এমএলের কোনও কোভিশিল্ড ভায়াল নেই।
এর থেকেই প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে বাজারচলতি কোশিশিল্ডের ওই ভায়ালগুলি নকল।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।
ভারত-সহ গোটা বিশ্বে করোনার প্রতিষেধকের চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে কোভিশিল্ডের নামে ভুয়ো প্রতিষেধক বাজারে ছাড়া হয়েছে বলে মনে করছে হু। ভুয়ো ও নিম্নমানের ওষুধ চিহ্নিত করতে বিশ্ব জুড়ে হু-এর যে নজরদারি দল রয়েছে তারাই প্রথম ওই নকল কোভিশিল্ড চিহ্নিত করে। কলকাতা ও শহরতলির জায়গায় জায়গায় জায়গায় জায়গায় ভুয়ো ভ্যাকসিন দেওয়ার অভিযোগের সূত্রেই সামনে আসে দেবাঞ্জন দেবের ঘটনা। নিজেকে আইএএস বলে পরিচয় দিয়ে ভুয়ো ভ্যাকসিন শিবির চালিয়ে ধরা পড়ে কলকাতার এই যুবক। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকেও আসতে থাকে নকল টিকা-দুর্নীতির খবর। যার জেরে গত জুনে রাজ্য সরকারের থেকে রিপোর্ট চেয়ে পাঠায় কেন্দ্র। এই ধরনের শিবির রুখতে নজরদারি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয় কলকাতা পুলিশ ও রাজ্য প্রশাসন। ভুয়ো টিকা কাণ্ডে মুম্বই, দিল্লি, কলকাতা থেকে গ্রেফতার করা হয় অনেককে।
করোনা পরিস্থিতিতে কোভিশিল্ডের কয়েক কোটি ডোজ় এশিয়া, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকায় পাঠিয়েছে সিরাম। একটি সূত্রের খবর, ভারতে ভুয়ো ভ্যাকসিন উদ্ধারের পরে সন্দেহ নিরসনে যোগাযোগ করা হয়েছিল সিরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে। তারা ব্যাচ নম্বর মিলিয়ে জানায় তাদের কোনও উৎপাদন কেন্দ্রে ওই প্রতিষেধক তৈরি হয়নি।
জানা গিয়েছে, ওই কোভিশিল্ড প্রতিষেধকের গায়ে অস্পষ্ট ভাবে ব্যাচ নম্বর লেখা ছিল। যাতে সেটি কোথায় তৈরি হয়েছে তা বোঝা সম্ভব না। প্রতিষেধক তৈরিতে কী ধরনের উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে তারও কোনও উল্লেখ করা হয়নি। কিন্তু সেগুলো আপাত দৃষ্টিতে দেখলে বোঝা সম্ভব নয় সেগুলো জাল।
We hate spam as much as you do