পৌরসভার নির্বাচন যাতে এবার শান্তিপূর্ণভাবে হয় এবং সাধারন মানুষ নিজের ভোট নিজে দিতে পারেন সেই উদ্দেশ্যেই মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগে একটি ডেপুটেশন জমা দেওয়ার কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু পুলিশ সেখানে এসে বামফ্রন্ট কর্মীদের উপর লাঠিচার্জ করে। বেধড়ক মারধর করা হয়। সাথে এই ঘটনায় তিনজন বামফ্রন্ট কর্মীকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয়। যা কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় টিটাগড় থানা এলাকা।
টিটাগড় থানায় ডেপুটেশন জমা দিতে আসায় CPIM-এর ওপর লাঠিচার্জ পুলিশের, উত্তেজনা
পৌরসভার ভোট আসন্ন। বিভিন্ন জেলায় জেলায় ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে ভোট প্রচার। তবে এর পূর্বে নির্বাচনে সন্ত্রাসের অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিযোগ উঠেছিল শাসকদলের বিরুদ্ধে। তাই এবারের পুরনির্বাচন যাতে শান্তিপূর্ণ হয় সেই দাবিতেই ডেপুটেশন জমা দেওয়ার কর্মসূচি গ্রহণ করেছিল টিটাগড় বামফ্রন্ট কর্মীরা। সেই উদ্দেশ্যে রবিবার টিটাগড় থানার সামনে এসে উপস্থিত হন তাঁরা। কিন্তু আচমকাই তাদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জে হতবাক বামফ্রন্ট প্রার্থী সহকর্মীরা। এই নিয়ে রীতিমতো ধুন্ধুমার কাণ্ড টিটাগড়ে।
জানা যায়, পৌরসভার নির্বাচন যাতে এবার শান্তিপূর্ণভাবে হয় এবং সাধারন মানুষ নিজের ভোট নিজে দিতে পারেন সেই উদ্দেশ্যেই মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগে একটি ডেপুটেশন জমা দেওয়ার কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু পুলিশ সেখানে এসে বামফ্রন্ট কর্মীদের উপর লাঠিচার্জ করে। বেধড়ক মারধর করা হয়। সাথে এই ঘটনায় তিনজন বামফ্রন্ট কর্মীকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয়। যা কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় টিটাগড় থানা এলাকা। থানা ঘেরাও করে রীতিমতো বিক্ষোভ দেখান সিপিআইএম কর্মীরা। এই কর্মসূচির নেত্রী থানার সামনে বক্তব্য রাখার সময় পুলিশ চড়াও হয় তাদের উপর। টোটোতে থাকা মাইক ভেঙে তার ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল পুলিশের বিরুদ্ধে।
উত্তর ২৪ পরগনা জেলার টিটাগড় পৌরসভার অন্তর্গত ৮ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী রনজিত নন্দী এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, এই কর্মসূচি তাদের পূর্বপরিকল্পিত ছিল। দলের তরফ থেকে কোনো রকম বিক্ষোভ দেখানো হয়নি। শুধু শান্তিপূর্ণ ভোটের দাবিতে ডেপুটেশন জমা দেওয়ার কথা ছিল থানায় এবং তার আগেই থানার সামনে মাইকে এ বিষয়ে প্রচার করেছিলেন তাদের দলীয় নেত্রী। সেই সময় পুলিশ এসে লাঠিচার্জ করে কর্মী সমর্থকদের উপর। বেধড়ক মারধর করা হয় এবং গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয় বেশ কয়েকজনকে। তাদের অভিযোগ, পুলিশকে উর্দি পরানো হয়েছে শুধুমাত্র তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে কাজ করার জন্য। পুলিশ প্রশাসন বর্তমানে শাসক দলের দলদাসে পরিণত হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো উত্তেজনা ছড়ায় থানা চত্বর এলাকায়।
We hate spam as much as you do