এক্স-এ পোস্ট করা পডকাস্টটির ভিডিও ইতিমধ্যে ১৪ লক্ষেরও বেশি মানুষ দেখেছে। এই ভিডিওটি পুনরায় পোস্ট করেন ভারতীয় শিক্ষাবিদ ও এবং সমাজসেবী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা মধু পূর্ণিমা কিশ্বর। বলেন, “এ থেকেই বোঝা যায়, ২০১৪ সালের মে মাসে মোদি যখন ক্ষমতায় আসেন, তখন থেকেই আমি কেন তাঁর কাছ থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখেছিলাম। এমনকি, তাঁকে নিয়ে লেখা আমার বইটির একটি কপি উপহার দিতেও আমি নিজে যাইনি; বরং তাঁর প্রিয় আমলা ভারত লালের মাধ্যমেই একটি স্বাক্ষরহীন কপি পাঠিয়ে দিয়েছিলাম!”
মোদির ৩-৪ মহিলা শয্যাসঙ্গীরা এখন সাংসদ-মন্ত্রী, অভিযোগে বিজেপি সাংসদ সুব্রহ্মণ্যম স্বামী
March 28, 2026
মোদির বিরুদ্ধের বিস্ফোরক অভিযোগ তাঁরই দলের সাংসদ তথা প্রবীন নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর (Subramanian Swamy)। এপস্টেইন ফাইলে মোদির যোগ প্রমাণ করা থেকে শুরু করে মোদির ৩-৪ জন মহিলা শয্যাসঙ্গীরা এখন সাংসদ এই নয়া মন্তব্য করেছেন স্বামী। মোদির বিরুদ্ধে স্বামীর বারবার মুখ খোলায় বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল আরও বেশি প্রকট হচ্ছে। ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি জাগোবাংলা ডিজিটাল।
একটি পডকাস্টে বিজেপি নেতা স্বামীর বক্তব্য,”আমি এমন ৩-৪ জন মহিলার নাম বলতে পারি, যাঁরা সাংসদ হয়েছিলেন -যাঁদের মোদির শয্যাসঙ্গিনী হতে হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে একজন তো মন্ত্রীও হয়েছিলেন।”
একইসঙ্গে মোদির এপস্টেইন-যোগ থাকার প্রসঙ্গ তুলে স্বামী বলেন,”আমি প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং Jeffrey Epstein-এর মধ্যে সংযোগ ও সম্পর্ক প্রমাণ করতে পারি; কিন্তু আমাকে তা প্রমাণ করার চ্যালেঞ্জ জানানোর সাহস কারো নেই।”
সম্প্রতি কয়েকদিন ধরে স্বামীর এই ভিডিও ট্যুইটারে ভাইরাল। তাঁর এই গুরুতর অভিযোগের প্রতিক্রিয়ে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী এখনও দেননি। এই অভিযোগ যদি মিথ্যে হয় তবে এখনও পর্যন্ত মোদি কোনও আইনি পদক্ষেপ নেয়নি? কেন সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি? কেন কোনও বিবৃতি দেননি মোদি?
এক্স-এ পোস্ট করা পডকাস্টটির ভিডিও ইতিমধ্যে ১৪ লক্ষেরও বেশি মানুষ দেখেছে। এই ভিডিওটি পুনরায় পোস্ট করেন ভারতীয় শিক্ষাবিদ ও এবং সমাজসেবী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা মধু পূর্ণিমা কিশ্বর। বলেন, “এ থেকেই বোঝা যায়, ২০১৪ সালের মে মাসে মোদি যখন ক্ষমতায় আসেন, তখন থেকেই আমি কেন তাঁর কাছ থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখেছিলাম। এমনকি, তাঁকে নিয়ে লেখা আমার বইটির একটি কপি উপহার দিতেও আমি নিজে যাইনি; বরং তাঁর প্রিয় আমলা ভারত লালের মাধ্যমেই একটি স্বাক্ষরহীন কপি পাঠিয়ে দিয়েছিলাম!”
মধু আরও বলেন,”দ্বাদশ শ্রেণি পাশ স্মৃতি ইরানিকে শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে নিয়োগের ঘটনাটি অন্যান্য কেলেঙ্কারিগুলিকে—যা ততদিন পর্যন্ত লোকসমাজের আড়ালে ছিল—তা আরও বেশি বিশ্বাসযোগ্যতা এনেছিল।
মানসী সোনি-কেলেঙ্কারিটি ততদিনে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়িয়েছিল। মোদি ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তি আমাকে সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়া একগুচ্ছ নথিপত্র এনে দিয়েছিলেন; ওই নথিপত্রগুলো জমা দিয়েছিলেন জেলে থাকা এক আইএএস (IAS) কর্মকর্তা—যিনি নিজেও সোনির সঙ্গে ফূর্তি করেছিলেন।”
সুব্রহ্মণ্যম স্বামী ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির নেতৃত্বের কাছ থেকে ক্রমশ নিজেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছেন। তিনি এর আগেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। ২০২৫ সালের শেষের দিকে তিনি অভিমত প্রকাশ করেছিলেন যে, মোদিকে ঘিরে কথিত ব্যক্তিগত কিছু বিষয় তাঁকে আন্তর্জাতিক মহলের ব্ল্যাকমেইলের শিকার হওয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
We hate spam as much as you do