২৮শে ফেব্রুয়ারি বাম কংগ্রেস আইএসএফ এর যৌথ সমাবেশ। ৭ই মার্চ বিজেপির ব্রিগেড । সমাবেশের চেহারা বারেবারে দেখলে বোঝা যায় বামেদের সমাবেশের লোকসংখ্যা অনেক বেশি ছিল
ব্রিগেডের প্রতিযোগিতা - এক সপ্তাহের মধ্যে। রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ানোর বিরুদ্ধে দুটি মিছিল একদিন ব্যবধানে । বাম-কংগ্রেস সংযুক্ত মোর্চাই কি পথ প্রদর্শক??
বঙ্গীয় রাজনীতি সরগরম । মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে দুটি ব্রিগেড সমাবেশ হয়ে গেল। ২৮শে ফেব্রুয়ারি বাম কংগ্রেস আইএসএফ এর যৌথ সমাবেশ। ৭ই মার্চ বিজেপির ব্রিগেড । সমাবেশের চেহারা বারেবারে দেখলে বোঝা যায় বামেদের সমাবেশের লোকসংখ্যা অনেক বেশি ছিল। কিন্তু তার চেয়ে বড় কথা দুটো ব্রিগেড সমাবেশই পশ্চিমবঙ্গে তৃনমুল সরকারকে উচ্ছেদের ডাক দেয়। বামেদের ব্রিগেডে আবেগের থেকে জোর দেওয়া হয় ক্রমবর্ধমান বেকারি , রান্নার গ্যাস থেকে পেট্রোপন্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ক্ষেত্র বেসরকারিকরণ, রেশন , চিকিত্সা প্রভৃতি প্রত্যক্ষ সমস্যার কথা । আর বিজেপির ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী কিছু আর্থিক দাবীর কথা বললেও তা সাধারণত বেশিরভাগই পরস্পর বিরোধী। রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রী সমস্ত রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ক্ষেত্র বেসরকারিকরণের উদ্যোগ গ্রহন করে কি রকম আত্মনির্ভর হতে বলছেন ?
অন্যদিকে আজ মমতা ব্যানার্জি উত্তরবঙ্গে পেট্রোপন্যের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে গতকালের বাম কংগ্রেসের স্টাইলেই মিছিলে হাঁটলেন। বিজেপির বিরোধিতা করতে গিয়ে বামপন্থীদের পথেই হাঁটলেন ।
দুটি ক্ষেত্রেই বামপন্থীরাই পথ প্রদর্শক । দেশিয় প্রভাবশালী মিডিয়ার পক্ষ থেকে
যতই তাদের অপ্রাসঙ্গিক করে প্রচার করা হোক না কেন?
We hate spam as much as you do