২০১৭-তে ডব্লু বি সি এস পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন প্রশান্ত বর্মণ। তাঁর নিয়োগ স্বচ্ছতার সঙ্গে হয়নি বলে অভিযোগ। প্রশান্ত বর্মণের নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে টালিগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন দুর্নীতিমুক্ত মঞ্চের সদস্যরা। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে প্রশান্ত বর্মণকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করতে হবে, ফেরাতে হবে এতদিনের বেতন। উল্লেখ্য, প্রশান্ত বর্মণের নিয়োগ নিয়ে এর আগে মামলাও হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে।
দুর্নীতিগ্রস্তের শাস্তির দাবিতে PSC অফিসের সামনে বিক্ষোভ। চোর ধরো, জেল ভরো।
স্কুল সার্ভিস কমিশনের পর নার্সিং নিয়োগ নিয়েও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। আর এবার অভিযোগ উঠল পিএসসি নিয়োগ নিয়ে।
নাম ছিল না প্রথম তালিকায়, এখন তিনি বিডিও! এবার WBCS নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ
এসএসসি নিয়োগ কেলেঙ্কারি নিয়ে ক্রমেই চাপ বেড়েছে রাজ্য সরকারের। দিন কয়েক আগে নার্সিং-এর নিয়োগেও গরমিলের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখান বহু চাকরি প্রার্থী। এবার সামনে এল আরও এক দুর্নীতির অভিযোগ। কাঠগড়ায় এবার পাবলিক সার্ভিস কমিশন বা পিএসসি। ডব্লু বি সি এস-এ নিয়োগেও দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ জানালেন একদল চাকরি প্রার্থী। তাঁদের মূল অভিযোগ যাঁর নিয়োগ ঘিরে সেই প্রশান্ত বর্মণ বর্তমানে কালচিনির বিডিও পদে রয়েছেন। অবিলম্বে তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার দাবি উঠেছে। বৃহস্পতিবার এই অভিযোগে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে টলিগঞ্জ থানায়। পাশাপাশি আরও একগুচ্ছ অভিযোগ নিয়ে এ দিন সকাল থেকে বিক্ষোভ শুরু হয় পিএসসি অফিসের সামনে। পিএসসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপিও জমা দিয়েছেন তাঁরা।
২০১৭-তে ডব্লু বি সি এস পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন প্রশান্ত বর্মণ। তাঁর নিয়োগ স্বচ্ছতার সঙ্গে হয়নি বলে অভিযোগ। প্রশান্ত বর্মণের নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে টালিগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন দুর্নীতিমুক্ত মঞ্চের সদস্যরা। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে প্রশান্ত বর্মণকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করতে হবে, ফেরাতে হবে এতদিনের বেতন। উল্লেখ্য, প্রশান্ত বর্মণের নিয়োগ নিয়ে এর আগে মামলাও হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। চাকরি প্রার্থীদের অভিযোগ, সাদা খাতা জমা দিয়েছিলেন প্রশান্ত বর্মণ। এমনকি প্রথম তালিকায় তাঁর নামও ছিল না। পরে নতুন তালিকায় জুড়ে যায় তাঁর রোল নম্বর।
এ ছাড়াও অভিযোগ, সাড়ে তিন বছর পরও মেধাতালিকা প্রকাশ হয়নি অনেক পরীক্ষা। ক্লার্কশিপ পরীক্ষা, আইসিডিএস, ফুড ইন্সপেক্টর পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে একই অভিযোগ উঠেছে। আই সি ডি এস পরীক্ষার ফলাফল- সহ নম্বর সহ প্রকাশ করার দাবিও জানানো হয়েছে। পিএসসি-র চেয়ারম্যান এ দিন সমস্যার সমাধান করা হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন।
রাজ্যে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ ক্রমশ বেড়ে চলেছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ভুয়ো প্যানেল তৈরির অভিযোগ উঠেছে। এসএসসি মামলায় ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দু বার জিজ্ঞাসাবাদও করেছেন সিবিআই আধিকারিকরা।
We hate spam as much as you do