হরিয়ানার নায়াব সিং সাইনি সরকারের সিদ্ধান্ত, এবার থেকে সরকারি নথিতে দলিত বা তফসিলি জাতি বোঝাতে হরিজন বা তফসিলি উপজাতি বোঝাতে গিরিজন শব্দদুটি ব্যবহার করা যাবে না। সংবিধান ওই দুটি শব্ধ ব্যবহারের অনুমতি দেয় না। বদলে সংবিধান গ্রাহ্য শব্দ ব্যবহার করতে হবে। সাইনি সরকারের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সংবিধানে এসসি-এসটিদের চিহ্নিত করতে ওই শব্দবন্ধ ব্যবহার করা হয়নি। তাই সমস্ত সরকারি নথি, চিঠি কিংবা বিজ্ঞপ্তিতে সেগুলির ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। হরিয়ানার বিজেপি সরকারের দাবি, অনেক ভেবেচিন্তেই গান্ধীজীর ব্যবহার করা শব্দদু’টি বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গান্ধীর প্রিয় দুই শব্দ 'হরিজন’ ‘গিরিজন’ সরকারি কাজে নিষিদ্ধ করল বিজেপি রাজ্যের সরকার
জানুয়ারি ১৫, ২০২৬
সদ্যই ১০০ দিনের কাজ অর্থাৎ মনরেগা থেকে গান্ধী মুছে দিয়েছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার। এবার গান্ধীর ব্যবহার করা দুই বহুল প্রচলিত শব্দ মুছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল বিজেপি শাসিত হরিয়ানা সরকার। এবার থেকে হরিয়ানার কোনও সরকারি কাজে ব্যবহার করা যাবে না ‘হরিজন’ ও ‘গিরিজন’ শব্দদুটি।
হরিয়ানার নায়াব সিং সাইনি সরকারের সিদ্ধান্ত, এবার থেকে সরকারি নথিতে দলিত বা তফসিলি জাতি বোঝাতে হরিজন বা তফসিলি উপজাতি বোঝাতে গিরিজন শব্দদুটি ব্যবহার করা যাবে না। সংবিধান ওই দুটি শব্ধ ব্যবহারের অনুমতি দেয় না। বদলে সংবিধান গ্রাহ্য শব্দ ব্যবহার করতে হবে। সাইনি সরকারের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সংবিধানে এসসি-এসটিদের চিহ্নিত করতে ওই শব্দবন্ধ ব্যবহার করা হয়নি। তাই সমস্ত সরকারি নথি, চিঠি কিংবা বিজ্ঞপ্তিতে সেগুলির ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। হরিয়ানার বিজেপি সরকারের দাবি, অনেক ভেবেচিন্তেই গান্ধীজীর ব্যবহার করা শব্দদু’টি বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মহাত্মা গান্ধী ‘হরিজন’ শব্দটি ব্যবহার করতেন দলিতদের বোঝাতে। যার অর্থ, ঈশ্বরের সন্তান। মূলত সমাজে অস্পৃশ্যতা দূর করতে ওই ‘হরিজন’ শব্দটি ব্যবহার করেন। ১৯৩৩ সালে ‘হরিজন’ নামে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশও শুরু করেছিলেন তিনি। আর তফসিলি উপজাতিদের বোঝাতে উত্তর ভারতে ‘গিরিজন’ শব্দটি ব্যবহার করা হত। পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসকারীদের এখনও গিরিজন বলা হয়। যদিও সংবিধানে ওই শব্দদুটি সংবিধানে গ্রহণ করেননি বি আর আম্বেদকর। তিনি ব্যবহার করেন দলিত শব্দটি। হরিয়ানা সরকার সেই দলিত শব্দটিই ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
We hate spam as much as you do