খেলা সৌজন্যতাহীন হয়ে ওঠে। দু-দলের একাধিক ফুটবলারের নাম রেফারির খাতায় ওঠে। দশ মিনিট অতিরিক্ত সময়ের খেলা চালিয়ে যাওয়া হয়। আর দীর্ঘ অতিরিক্ত সময়েই নেইমারের সহায়তায় কাসেমিরোর দুরন্ত হেডে জয়সূচক গোল করে যান।
ব্রাজিলকে জেতাতে কোপা কি কলঙ্কিত হল?রেফারির গায়ে লেগেও গোল, ১০ মিনিট এক্সট্রা টাইম
ব্রাজিল বিশ্বের আবেগ। ব্রাজিল মানে রক্ত জল ঘাম দিয়ে খেলে মেহনতের জয়। সেই ব্রাজিল নিজের মাঠে কি বদনামের ভাগীদার হল। ব্রাজিলের জয় বিতর্কিত।
কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে ব্রাজিল ২-১ জয় পেল। নাটকীয় ম্যাচে ব্রাজিলকে ১০ মিনিটের মধ্যেই পিছিয়ে দিয়েছিলেন লুইজ দিয়াজের দুর্দান্ত প্রথম গোল। তারপর ব্রাজিল মাঝমাঠের দখল নিয়ে এগিয়ে থাকলেও, গোল হচ্ছিল না।
বিরতিতে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকেই মাঠ ছেড়েছিল কলম্বিয়ানরা। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিলের দাপটে মাঠ ভরে ওঠে। পরিবর্ত হিসাবে নামানো হয় লিভারপুলের ফরোয়ার্ড রবার্তো ফিরমিনহোকে।
৬৬ মিনিটে গোল করার সহজ সুযোগ নষ্ট করেন নেইমার। গোলকিপারকে একা পেয়েও পোস্টে লাগিয়ে সুবর্ণ সুযোগ হেলায় হারান তারকা স্ট্রাইকার। কলম্বিয়ার রক্ষণ কার্যত দুর্ভেদ্য হয়ে উঠেছিল। ব্রাজিল সুবিধাই করতে পারছিল না।
তবে ৭৮ মিনিটে বিতর্কিতভাবে সমতাসূচক গোল করে ব্রাজিল। দু-দলের বল দখলের লড়াইয়ে বল সরাসরি গায়ে লাগে রেফারি নেস্টর পিটানার গায়ে। নিয়ম অনুযায়ী, খেলা সেখানেই স্থগিত করা উচিত। তবে সকলকে অবাক করেই রেফারি বাঁশি বাজিয়ে খেলা বন্ধ না করে চালিয়ে যান।।সেখান থেকেই বিতর্কিতভাবে গোল করে যায় ব্রাজিল। ডেড বলের কথা ভেবে কলম্বিয়া ফুটবলাররাও খেলা থামিয়ে দিয়েছিলেন। তবে অদ্ভুতভাবে খেলা চালিয়ে যাওয়ায় লোদির পাস থেকে গোল করে যান ফিরমিনহো।
কলম্বিয়া প্রতিবাদ করলেও রেফারি খতিয়ে দেখেও গোলের সিদ্ধান্তই বহাল রাখেন। এতে ব্যাপক ক্ষিপ্ত হন কলম্বিয়ার ফুটবলাররা। দীর্ঘ তর্কাতর্কির পরেও গোল বাতিল হয়নি।
এরপরে খেলা সৌজন্যতাহীন হয়ে ওঠে। দু-দলের একাধিক ফুটবলারের নাম রেফারির খাতায় ওঠে। দশ মিনিট অতিরিক্ত সময়ের খেলা চালিয়ে যাওয়া হয়। আর দীর্ঘ অতিরিক্ত সময়েই নেইমারের সহায়তায় কাসেমিরোর দুরন্ত হেডে জয়সূচক গোল করে যান।
এই নিয়ে টানা তিনটে ম্যাচ জিতে ব্রাজিল গ্রুপ-বি’তে নয় পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকা নিশ্চিত করল। চার ম্যাচে কলম্বিয়ার পয়েন্ট দাঁড়াল ৪-এ। গ্রুপের অন্য ম্যাচের ফলাফলের ওপর আপাতত নির্ভর করছে কলম্বিয়ার পরের রাউন্ডে ওঠার ভাগ্য।
We hate spam as much as you do