আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে আজ থেকে এই বিশেষ কর্মসূচি নিল এসএফআই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি । বাংলা, হিন্দির পাশাপাশি এ বার সাঁওতালি, কুড়মালি, নেপালি ও উর্দু ভাষায় সদস্যপদের নথি প্রকাশ করা হবে । এই পদক্ষেপের মাধ্যমে সংখ্যালঘু, সাঁওতালপল্লি ও জঙ্গলমহলের তরুণদের কাছে টানতে চাইছে বাম ছাত্র সংগঠন । , আন্তর্জাতিক ভাষা শহিদ দিবসে আজ এই নয়া কর্মকাণ্ডের আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করলেন সংগঠনের প্রথম সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু ।
মাতৃভাষা দিবসে SFI প্রান্তিক ভাষায় প্রাথমিক সদস্যপদপত্র প্রকাশ
Feb 20, 2024
মাতৃভাষায় পড়া, লড়া, গড়ার ঐতিহাসিক মাইলফলক। সাঁওতালি, কুড়মালি, নেপালি, উর্দু ভাষায় ভারতের ছাত্র ফেডারেশন, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির প্রাথমিক সদস্যপদ পত্র প্রকাশ কর্মসূচী গৃহীত হল।
দেশের মাটিতে প্রথম কোনো ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে এই ধরণের প্রান্তিক ভাষায় সদস্যপদ প্রকাশ করলেন ভারতের ছাত্র ফেডারেশনের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক বিমান বসু।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে আজ থেকে এই বিশেষ কর্মসূচি নিল এসএফআই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি । বাংলা, হিন্দির পাশাপাশি এ বার সাঁওতালি, কুড়মালি, নেপালি ও উর্দু ভাষায় সদস্যপদের নথি প্রকাশ করা হবে । এই পদক্ষেপের মাধ্যমে সংখ্যালঘু, সাঁওতালপল্লি ও জঙ্গলমহলের তরুণদের কাছে টানতে চাইছে বাম ছাত্র সংগঠন । , আন্তর্জাতিক ভাষা শহিদ দিবসে আজ এই নয়া কর্মকাণ্ডের আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করলেন সংগঠনের প্রথম সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু ।
এই প্রথম কোনও রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন একাধিক প্রান্তিক ভাষায় প্রাথমিক সদস্যপদের নথি প্রকাশ করল ।
গতকাল এসএফআই নবনির্বাচিত রাজ্য সম্পাদক দেবাঞ্জন দে বলেন, "ভাষার উপর যে আক্রমণের মুখোমুখি আজকের ভারত, সেখানে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই লড়তে হচ্ছে নানা প্রান্তিক ভাষাকে । প্রতিদিন বিলুপ্ত কোনও না কোনও ভাষা । হারিয়ে যাচ্ছে লেখ্য হরফ । ভাষা মানে বহুত্ব, ভাষা মানে মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যমে জুড়ে নেওয়া আরেক মন, ভাষা মানে নাড়ির টানে খুঁজে পাওয়া মায়ের আদর, ভাষা মানে প্রতিবাদ-প্রতিরোধের উচ্চারণ । সেই ভাষার উপর আক্রমণের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ভাষা শহিদ দিবসে এ দেশের বুকে প্রথম কোনও ছাত্র সংগঠন তাদের প্রাথমিক সদস্যপদের নথি প্রকাশ করতে চলেছে নানা প্রান্তিক ভাষায় । ভাষার স্বাধিকার রক্ষার লড়াইয়ের এই ঐতিহাসিক মাইলফলকে সামিল হও সব্বাই ।"
সাধারণত হিন্দি ও বাংলা ভাষায় লেখা ছোট দু’টাকার কুপনে রাজ্যজুড়ে সদস্য সংগ্রহ করে এসএফআই । একজন এসএফআই কর্মীর ওটাই প্রাথমিক সদস্যপদ । সাংগঠনের সূচনালগ্ন থেকে এটাই হয়ে আসছে । এ বার তাতে কিছুটা বদল আনার চেষ্টা । তবে, জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০-র প্রসঙ্গ উত্থাপন করে দেবাঞ্জন দে বলেন, "মোদি-অমিত শাহের নেতৃত্বে আরএসএস-এর লক্ষ্য ‘হিন্দু রাষ্ট্র’ তৈরি করা । যে রাষ্ট্র ধর্মের ভিত্তিতে খেটে খাওয়া মানুষের মধ্যে ভাগাভাগি করবে । সেই লক্ষ্যে শিশুমনে সম্মতি তৈরির প্রাথমিক ধাপ হল ‘জাতীয় শিক্ষা নীতি 2020'। তারই বিরুদ্ধে আমাদের ধারাবাহিক আন্দোলন চলবে ।
We hate spam as much as you do