Tranding

03:54 PM - 22 Mar 2026

Home / National / আরও দুহাজার মাইক্রোঅবজ়ার্ভার নিয়োগ করবে কমিশন! কিন্তু কেন?

আরও দুহাজার মাইক্রোঅবজ়ার্ভার নিয়োগ করবে কমিশন! কিন্তু কেন?

কমিশন সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গে তথ্যগত অসঙ্গতির (লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি) তালিকায় রয়েছে ৯৪ লক্ষ। এ ছাড়াও, ‘নো ম্যাপিং’ তালিকায় রয়েছে ৩২ লক্ষ। অর্থাৎ, এক কোটি ২৬ লক্ষ জনের শুনানি হওয়ার কথা। শুনানি পর্ব চলছে ১৫-২০ দিন। এখনও পর্যন্ত শুনানির জন্য ৭০ লক্ষ নোটিস তৈরি করা হয়েছে। তার মধ্যে ৩৪ লক্ষ নোটিস পাঠানো হয়েছে ইতিমধ্যেই। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে শুনানির কাজ। হাতে বাকি মাত্র ২৫-২৬ দিন। তার মধ্যে গোটা কাজ শেষ করতে আরও লোকের প্রয়োজন। সেই সব বিবেচনা করেই অতিরিক্ত মাইক্রো অবজ়ার্ভার নিয়োগের প্রয়োজন।

আরও দুহাজার মাইক্রোঅবজ়ার্ভার নিয়োগ করবে কমিশন! কিন্তু কেন?

আরও দুহাজার মাইক্রোঅবজ়ার্ভার নিয়োগ করবে কমিশন! কিন্তু কেন?

 ১২ জানুয়ারি ২০২৬ 


ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর শুনানি পর্বে কাজের জন্য পশ্চিমবঙ্গে আরও প্রায় দু’হাজার মাইক্রো অবজ়ার্ভার নিয়োগ করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। তবে আগের মতোই রাজ্যের কোনও সরকারি কর্মচারী নয়, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদেরই মাইক্রো অবজ়ার্ভার হিসাবে নিয়োগ করা হবে। কমিশন সূত্রে খবর, আগামী বৃহস্পতিবার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে নবনিযুক্ত মাইক্রো অবজ়ার্ভারদের।

কেন আরও মাইক্রো অবজ়ার্ভার নিয়োগের প্রয়োজন পড়ল? কমিশন সূত্রে খবর, শুনানির কাজে গতি আনতেই আরও মাইক্রো অবজ়ার্ভার নিয়োগ করা হচ্ছে। শুনানি শুরুর আগে ৪৬০০ জন মাইক্রো অবজ়ার্ভার নিয়োগ করেছিল কমিশন। এ বার আরও দু’হাজারের কাছাকাছি মাইক্রো অবজ়ার্ভার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কমিশন সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গে তথ্যগত অসঙ্গতির (লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি) তালিকায় রয়েছে ৯৪ লক্ষ। এ ছাড়াও, ‘নো ম্যাপিং’ তালিকায় রয়েছে ৩২ লক্ষ। অর্থাৎ, এক কোটি ২৬ লক্ষ জনের শুনানি হওয়ার কথা। শুনানি পর্ব চলছে ১৫-২০ দিন। এখনও পর্যন্ত শুনানির জন্য ৭০ লক্ষ নোটিস তৈরি করা হয়েছে। তার মধ্যে ৩৪ লক্ষ নোটিস পাঠানো হয়েছে ইতিমধ্যেই। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে শুনানির কাজ। হাতে বাকি মাত্র ২৫-২৬ দিন। তার মধ্যে গোটা কাজ শেষ করতে আরও লোকের প্রয়োজন। সেই সব বিবেচনা করেই অতিরিক্ত মাইক্রো অবজ়ার্ভার নিয়োগের প্রয়োজন।

শুধু অতিরিক্ত মাইক্রো অবজ়ার্ভার নিয়োগ নয়, বাড়ানো হবে শুনানি কেন্দ্রও। শুনানির কাজ করছেন এইআরও-রা (সহকারী নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিক)। শুনানিকেন্দ্র বাড়লে এইআরও বৃদ্ধি করা হবে। সেই সব কেন্দ্রের জন্য মাইক্রো অবজ়ার্ভারদের সংখ্যা বাড়বে।


কী কাজ মাইক্রো অবজ়ার্ভারদের? প্রতিটি শুনানি পর্বেই মাইক্রোঅবজ়ার্ভারদের হাজির থাকতে হয়। শুনানির কাজ তদারক করা ছাড়াও, তাঁরা দেখেন ভোটারদের দাখিল করা নথির বৈধতাও। কমিশন জানিয়েছে, বুথ স্তরের আধিকারিকেরা (বিএলও) যে এনুমারেশন ফর্ম ডিজিটাইজ় করছেন, সেগুলি পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে পরীক্ষা করতে হবে মাইক্রো অবজ়ার্ভারদের। ভোটার তালিকার সঙ্গে জমা দেওয়া জন্ম এবং মৃত্যু নথির মিল রয়েছে কি না, তা-ও যাচাই করতে হবে তাঁদের। শুনানির জন্য ডাক পাওয়া ভোটারদের জমা দেওয়া কাগজপত্র পরীক্ষা করার দায়িত্ব মাইক্রো অবজ়ার্ভারদের। ভোটারদের কোনও দাবি বা কিছু নিয়ে আপত্তি থাকলে, সেই সংক্রান্ত নথি সঠিক ভাবে যাচাই করার কাজও মাইক্রো অবজ়ার্ভারদের।

দিন দুয়েক আগেই মাইক্রো অবজ়ার্ভারদের কাজে সন্তুষ্ট নয় বলে জানিয়েছিল কমিশন। নির্দেশিকা জারি করে কমিশন জানিয়েছিল, শুনানিকেন্দ্রে মাইক্রো অবজ়ার্ভারেরা নিজেদের দায়িত্ব ঠিকঠাক পালন করছেন না। ভবিষ্যতে কাজে গাফিলতি হলে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হবে বলেও সতর্ক করেছিল কমিশন।

Your Opinion

We hate spam as much as you do