২০১১ ব্যাচের আইএএস অফিসার অরুণ প্রসাদকে রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (অ্য়াডিশনাল সিইও) পদে নিয়ে আসা হয়েছে। তিনি এর আগে নদিয়ার জেলাশাসক হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন। অন্যদিকে ২০১৩ ব্যাচের অফিসার হরিশঙ্কর পানিকরকে করা হয়েছে যুগ্ম মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (জয়েন্ট সিইও)। কিছুদিন আগে পর্যন্ত তিনি রাজ্য অর্থ দফতরে বিশেষ সচিব পদে ছিলেন।
SIR শুরুর আগে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে বড় রদবদল কমিশনের -
October 1, 2025
আগামী মাসেই রাজ্যে শুরু হওয়ার কথা ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা SIR)। তার আগেই মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে বড় ধরনের রদবদল করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কমিশনের নির্দেশে পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের দুই আইএএস অফিসারকে গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ করা হয়েছে।
অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক পদে
এস অরুণ প্রসাদ, এবং যুগ্ম মুখ্য নির্বাচনী পদে হরিশংকর পানিক্কর -কে নিয়োগ করা হয়েছে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে
২০১১ ব্যাচের আইএএস অফিসার অরুণ প্রসাদকে রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (অ্য়াডিশনাল সিইও) পদে নিয়ে আসা হয়েছে। তিনি এর আগে নদিয়ার জেলাশাসক হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন। অন্যদিকে ২০১৩ ব্যাচের অফিসার হরিশঙ্কর পানিকরকে করা হয়েছে যুগ্ম মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (জয়েন্ট সিইও)। কিছুদিন আগে পর্যন্ত তিনি রাজ্য অর্থ দফতরে বিশেষ সচিব পদে ছিলেন।
কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এর আগে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে তিন জন অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক কাজ করছিলেন। এবার তাঁদের সঙ্গে যুক্ত হলেন আরও এক জন। যুগ্ম মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক পদে বর্তমানে দু’জন দায়িত্বে রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে এক জনের শীঘ্রই বদলি হওয়ার কথা। সেই কারণেই নতুন অফিসারকে আনা হয়েছে। পাশাপাশি উপ-মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের জন্যও একটি নতুন প্যানেল তৈরি করতে বলা হয়েছে কমিশনের তরফে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই পরিবর্তনের পিছনে স্পষ্ট বার্তা রয়েছে। রাজ্যে ভোটার তালিকা সংশোধন বা সমীক্ষা প্রক্রিয়াটি যে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে, তার প্রমাণ এই নিয়োগ। কারণ, ভোটার তালিকা নিয়ে প্রায়শই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে অভিযোগ ওঠে। ভুয়ো ভোটার, মৃত ব্যক্তির নাম তালিকায় রয়ে যাওয়া, আবার কোথাও কোথাও বৈধ ভোটারদের নাম বাদ পড়ার মতো ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর হয়। ফলে এই বছর বিশেষ সমীক্ষা প্রক্রিয়া শুরুর আগেই কমিশন যে প্রশাসনিকস্তরে কড়াকড়ি করছে, তা স্পষ্ট।
উল্লেখযোগ্যভাবে, আগামী মাস থেকেই ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সমীক্ষার মধ্যে ভোটার তালিকা পর্যালোচনা, সংশোধন ও নতুন ভোটারদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার কাজ হবে। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, প্রতিটি ধাপেই স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য কড়া নজরদারি চালানো হবে। নতুন অফিসারদের নিয়োগ সেই দায়িত্ব আরও সুদৃঢ় করবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গন ইতিমধ্যেই এই পরিবর্তনের দিকে কৌতূহল নিয়ে তাকিয়ে আছে। বিশেষত আগামী কয়েক মাসে একাধিক নির্বাচনী প্রক্রিয়া সামনে আসতে চলেছে। ফলে কমিশনের এই পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ এবং এর প্রভাব রাজনীতির মাঠে পড়তে চলেছে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
We hate spam as much as you do