কমনওয়েলথ ফেন্সিং চ্যাম্পিয়নশিপে দেশকে সোনা এনে দেওয়া ভবানী বলেছেন, "এই ফাইনালটা বেশ কঠিন ছিল এবং আমি গর্বিত ভারতের জন্য এই বছর আরও একটি সোনা ভারতের জন্য যুক্ত করতে পারায়। এখনও পর্যন্ত এই বছরটা আমার ভাল যাচ্ছে এবং এই ধারাবাহিকতা আমি পরবর্তী টুর্নামেন্টগুলিতে ধরে রাখতে চাই। যে সমর্থন সব সময় আমি পেয়েছে তা এক কথায় অনবদ্য।"
কমনওয়েলথ ফেন্সিং চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতকে সোনা এনে দিলেন ভবানী দেবী
কমনওয়েলথ ফেন্সিং চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতকে সোনা এনে দিলেন ভবানী দেবী। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ছিলেন ভারতের এই সোনার মেয়ে। নিজের খেতাব ধরে রাখলেন ভারতীয় ফেন্সার। র্যাঙ্কিং-এ ৪২ নম্বর স্থানে থাকা ভবানী পরাজিত করেন প্রতিযোগীতার দ্বিতীয় বাছাই অস্ট্রেলিয়ার ভেরোনিকাকে। বৃহস্পতিবার মহিলাদের সিনিয়র সাবরেতে ব্যক্তিগত বিভাগে ভাবনীর পক্ষে খেলার ফল ১৫-১০।
প্রথম ভারতীয় ফেন্সার হিসেবে অলিম্পিকে যোগ্যতা অর্জনকারা চেন্নাই নিবাসী ভবানী সম্প্রতিক সময়ে খুব ভাল ছন্দে ছিলেন না। বছরের শুরুতে প্রত্যাশা মতো পারফর্ম তিনি করতে পারেননি ইন্তানবুলে আয়োজিত বিশ্বকাপে। ২৩ নম্বর স্থানে শেষ করেছিলেন তিনি। এর পর জুলাইয়ে কায়েরোয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে দ্বিতীয় রাউন্ডে শেষ করেন ভবানী। কমনওয়েলথ ফেন্সিং চ্যাম্পিয়নশিপ এই বছর তাঁর দশম আন্তর্জাতিক ইভেন্ট।
কমনওয়েলথ ফেন্সিং চ্যাম্পিয়নশিপে দেশকে সোনা এনে দেওয়া ভবানী বলেছেন, "এই ফাইনালটা বেশ কঠিন ছিল এবং আমি গর্বিত ভারতের জন্য এই বছর আরও একটি সোনা ভারতের জন্য যুক্ত করতে পারায়। এখনও পর্যন্ত এই বছরটা আমার ভাল যাচ্ছে এবং এই ধারাবাহিকতা আমি পরবর্তী টুর্নামেন্টগুলিতে ধরে রাখতে চাই। যে সমর্থন সব সময় আমি পেয়েছে তা এক কথায় অনবদ্য।"
ফেন্সিং অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়া'র সচিব রাজীব মেহতা মনে করেন দেশে ফেন্সিং-এর মশালবাহক হতে চলেছেন ভবানী। তাঁর কথায়, "ভারতের প্রতিটি ফেন্সারের কাছে ও (ভবানী দেবী) অনুপ্রেরণা এবং তাঁর কারণেই অনেক তরুণ বিশ্ব ফেন্সিং-এ বড় কিছু করার স্বপ্ন দেখে। সোনার পদক আমাদের বিশ্বাকে আরও দৃঢ় করে যে ফেন্সিং-এ অগ্রগতি হচ্ছে ভারতের এবং আমি বিশ্বাসী যে খুব বেশি দূরে সেই দিন নেই যেখন আমরা দেখব নিয়মিত অলিম্পিক সহ বড় আন্তর্জাতিক ইভেন্টে ভারতীয় ফেন্সাররা প্রতিনিধিত্ব করছে নিয়মিত।"
We hate spam as much as you do