তিনি আরও জানিয়েছেন : "আমি কখনোই বলতে পারব না ম্যাচের রাশ আমার হাতে ছিল কারণ আলকারেজের মত খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে এক তরফা জয় অসম্ভব।" ম্যাচের প্রারম্ভিক পর্বে আলকারেজের একটি ব্যাকহ্যান্ড উইনার গোটা স্টেডিয়ামকে চমকে দিয়েছিল, ২১ বার গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ী নাদালও ক্ষনিকের জন্যে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেছিলেন।
টানা কুড়ি ম্যাচে অপরাজিত থেকে ফাইনালে নাদাল, ধরাশায়ী তরুণ তুর্কি কারলোস আলাকারাজ
ক্লে কোর্টের রাজা, মহাতারকা রাফায়েল নাদাল হাঁটুর বয়সী কারলোস আলকারেজকে ৬ - ৪, ৪ - ৬, ৬ - ৩ হারিয়ে ইন্ডিয়ান ওয়েলসের ফাইনালে পৌঁছলেন। রবিবার যদি ৩৫ বছর বয়সী স্প্যানিশ তারকা ক্যালিফোর্নিয়া ডেজার্টে মার্কিন প্রতিদ্বন্দ্বি টেলর ফ্রিতজকে হারাতে পারেন, তবে তিনি নোভাক জোকোভিচকে ( ৩৭ ATP মাস্টার্স ১০০০ খেতাব) স্পর্শ করবেন। এখানে উল্লেখ্য, ফ্রিতজ আন্দ্রে রুবলেকে ৭ - ৫, ৬ - ৪ হারিয়ে এই প্রথম মাস্টার্স ১০০০ এর ফাইনালে পৌঁছলেন। ২০০১ সালে আন্দ্রে আগাসি শেষ বার এই খেতাব জিতেছিলেন। তার পর থেকে এই ট্রফি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অধরা।
তাই গোটা দেশ ফ্রিতজের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। এদিকে তরুণ তুর্কি আলকারেজ কিন্তু হেরে গিয়েও তাঁর আইকন নাদালের মন জয় করে নিয়েছেন। এই নিয়ে মোট পাঁচবার ইন্ডিয়ান ওয়েলসের ফাইনালে ওঠার পর নাদাল স্বীকার করে নিয়েছেন : "আমি প্রথম দিকে ভালোই খেলছিলাম কিন্তু ওকে রুখতে আমি হিমশিম খেয়েছি...ওর শট গুলো সত্যিই প্রশংসনীয়।"
তিনি আরও জানিয়েছেন : "আমি কখনোই বলতে পারব না ম্যাচের রাশ আমার হাতে ছিল কারণ আলকারেজের মত খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে এক তরফা জয় অসম্ভব।" ম্যাচের প্রারম্ভিক পর্বে আলকারেজের একটি ব্যাকহ্যান্ড উইনার গোটা স্টেডিয়ামকে চমকে দিয়েছিল, ২১ বার গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ী নাদালও ক্ষনিকের জন্যে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেছিলেন।
কিন্তু নাদালই ওপেন সেটে শেষ হাসি হাসলেন। ১৭ বছরের আলকারেজকে যথেষ্ট বেগ দিয়েছেন ৩৫ বছরের 'বুড়ো' নাদাল। ১৭ টি ব্রেকের সুযোগ কাজে লাগিয়ে তিনটি কনভার্ট করেন নাদাল। দ্বিতীয় সেটে কোর্টের উত্তেজনা চরম মাত্রায় পৌঁছে যায়। এর মধ্যে আবার ঝোড়ো হাওয়ায় কোর্টে কাগজ, বোতল, তোয়ালে উড়ে আসে। আলকারেজ তাঁর সপ্তম ব্রেক চান্স কনভার্ট করে ম্যাচে সমতা ফিরিয়ে আনেন। তৃতীয় সেটে অর্থাৎ ফাইনাল সেটে হাওয়া বন্ধ হওয়ায় দুইজনেই স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে আসেন। স্রেফ অভিজ্ঞতার জোরেই নাদাল তাঁর ভয়ডরহীন, অনভিজ্ঞ প্রতিপক্ষকে বশ বানান। আলভারেজ নাদালের কালঘাম ছুটিয়ে দেন। কিন্তু মাটি কামড়ে পড়ে থেকে নাদাল শেষ পর্যন্ত শেষ হাসি হাসেন। সবার চোখ এখন ফাইনালের দিকে।
We hate spam as much as you do