উইম্বলডনের নম্বর ওয়ান কোর্টে এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই অপ্রতিরোধ্য দেখাচ্ছিল সমীরকে। প্রথম সেটে যদিও বেশি আগ্রাসী ছিলেন লিলভ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় ম্যাচে নিজের দখল নিয়ে নেন সমীর।
বাঙালি ১৭ বছরের সমীর বন্দ্যোপাধ্যায় এবার জুনিয়র উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন
উইম্বলডন তা হোক জুনিয়র, চ্যাম্পিয়নের বাঙালি তো। বাঙালির গৌরবের দিন! জুনিয়র উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন সমীর বন্দ্যোপাধ্যায়
বরফ-শীতল মানসিকতা, ফোরহ্যান্ড , ব্যাকহ্যান্ড এবং ক্রসকোর্ট, সবকটা শট আছে এই ছেলের হাতে।আজ জুনিয়র উইম্বলডনের ফাইনালে জিতে ইতিহাস গড়ে ফেললেন সমীর বন্দ্যোপাধ্যায়। মাত্র ১ ঘণ্টা ২২ মিনিটে স্ট্রেট সেটে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ভিক্টর লিলোভকে উড়িয়ে দিলেন তিনি। খেলার ফল ৭-৫, ৬-৩।
উইম্বলডনের নম্বর ওয়ান কোর্টে এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই অপ্রতিরোধ্য দেখাচ্ছিল সমীরকে। প্রথম সেটে যদিও বেশি আগ্রাসী ছিলেন লিলভ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় ম্যাচে নিজের দখল নিয়ে নেন সমীর। দ্বিতীয় সেটে প্রায় একাধিপত্য বজায় রেখেই ম্যাচে জয় ছিনিয়ে আনেন সমীর।সুপার সানডেতে বাঙালির জন্য এর থেকে খুশির খবর কিছুই হতে পারত না। সকালে ফুটবল প্রিয় বাঙালি কোপা ফাইনালে আর্জেন্তিনার জয়ের আনন্দ ভাগ করে নিয়েছিল। সন্ধ্যায় উইম্বলডনে পুরুষদের সিঙ্গলসে ফাইনালে জকোভিচ নামার আগেই বাঙালির জন্য গর্বের এই মুহূর্ত তৈরি হয়। লিয়েন্ডার পেজ এর আগে বাঙালি হিসেবে টেনিস কোর্টে বিশ্বমঞ্চে নিজের নাম লিখিয়েছিলেন। এরপরে সমীরও সেই তালিকায় নাম লেখালেন। নিউ জার্সিতে থাকেন সমীর। সেখানেই কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করছেন ১৭ বছরের এই কিশোর। তবে আশ্চর্যের বিষয় হল এখনও পর্যন্ত নিজের টেনিস কেরিয়ার নিয়ে যথেষ্ট ভাবনা চিন্তা করছেন সমীর। আদৌ টেনিসকেই ভবিষ্যতে কেরিয়ার হিসেবে গড়বেন কিনা তা নিয়েই ভাবছেন তিনি।
এদিনের ফাইনালে মোট ১ ঘণ্টা ২১ মিনিটের লড়াই হয় ২ প্রতিপক্ষের মধ্যে। শেষবার ভারতীয় হিসেবে জুনিয়র গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতেছিলেন যুকি ভামব্রি। ২০০৯ সালে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জিতেছিলেন তিনি। এছাড়া ১৯৯০ সালে জুনিয়র উইম্বলডন ও ১৯৯১ সালে ইউ এস ওপেন জিতেছিলেন লিয়েন্ডার পেজ। রমেশ কৃষ্ণন ১৯৭৯ সালে ফরাসি ওপেন ও উইম্বলডনে জুনিয়র খেতাব জিতেছিলেন। রামানাথন কৃষ্ণন ১৯৫৪ সালে উইম্বলডন জুনিয়র খেতাব জেতেন।
সমীর পড়াশুনোয় খুব ভালো। রাষ্ট্রবিজ্ঞান তার বিষয়।
We hate spam as much as you do