আইএসএলে আসা ইস্তক ইস্টবেঙ্গলের গোল দিয়ে গোল না ধরে রাখতে পারার রোগ আরও একবার প্রকট হয় যখন ৩৭ মিনিটে গোয়ার আলবার্ত নগুয়েরা গোল শোধ করে ম্যাচে সমতা ফিরিয়ে আনেন। ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা নিশ্চয়ই মনে করেছিলেন যে এই ম্যাচেও হয়তো জয় অধরা থেকে যাবে। কিন্তু ৪২ মিনিটে নাওরেম সিংহ ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে আরও একবার গোল করে ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দেন (২-১)। এই গোলটিই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।
অবশেষে মিলল জয়ের দেখা, খুশির হাওয়া লাল হলুদ শিবিরে
অবশেষে আইএসএলে প্রায় একবছর অর্থাৎ ৩৪৭ দিন পর জয়হীন থাকার পর কোচ মারিও রিভেরার অধীনে প্রথম ম্যাচেই গোয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে লীগের লাস্ট বয়ের তকমা মুছে ফেলল লাল হলুদ ব্রিগেড। টিমে করোনার থাবায় প্রস্তুতি ধাক্কা খেলেও মারিও রিভেরা সমর্থকদের বহু কাঙ্খিত জয় উপহার দিলেন।
এদিন গোয়ার বাম্বলিমের অ্যাথলেটিক স্টেডিয়ামে মহেশ নাওরেম সিংহের (৯') গোলের সুবাদে শুরুতেই এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু আইএসএলে আসা ইস্তক ইস্টবেঙ্গলের গোল দিয়ে গোল না ধরে রাখতে পারার রোগ আরও একবার প্রকট হয় যখন ৩৭ মিনিটে গোয়ার আলবার্ত নগুয়েরা গোল শোধ করে ম্যাচে সমতা ফিরিয়ে আনেন। ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা নিশ্চয়ই মনে করেছিলেন যে এই ম্যাচেও হয়তো জয় অধরা থেকে যাবে। কিন্তু ৪২ মিনিটে নাওরেম সিংহ ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে আরও একবার গোল করে ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দেন (২-১)। এই গোলটিই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।
শুরু থেকেই বল পজেশন গোয়ার বেশী ছিল। কিন্তু এদু বেদিয়া ও আনোয়ার আলীর ভুল বোঝাবুঝিতে তাদের ছন্দ নষ্ট হয়ে যায়। সুযোগসন্ধানী নাওরেম সিংহ ভুলের সুযোগ নিয়ে আগুয়ান গোলরক্ষক কে পরাস্ত করে বল জালে ঢোকান (১-০)। ম্যাচের তিরিশ মিনিটেই গোয়া সমতা ফিরিয়ে আনতে পারত।
কিন্তু আলেক্সান্ডার জেসুরাজ ক্রসবারের উপর দিয়ে বল উড়িয়ে দিয়ে একটি অসাধারণ সুযোগ নষ্ট করেন। এরপর ড্যারেন সিডোয়েলের একটি দূরপাল্লার শট পোস্টের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। এরপর জর্জ অর্টিজের একটি ডিফেন্সচেরা থ্রু আলবার্ত নগুয়েরাকে খুঁজে নেয়। নগুয়েরা দূরহ কোণ থেকে বা পায়ের জোরালো শটে অরিন্দম ভট্টাচার্যকে পরাস্ত করে ম্যাচে সমতা ফিরিয়ে আনেন। প্রথমার্ধের বাঁশি বাজার ঠিক তিন মিনিট আগে আবার আনোয়ার আলীর ভুলে নাওরেম সিংহ নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোল করে প্রায় এক বছর পর ইস্টবেঙ্গলকে জয়ের সরনীতে নিয়ে আসেন। যদিও তাঁর প্রয়াস বারে লেগে ফিরে আসে, কিন্তু বল গোল লাইন অতিক্রম করায় অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি গোলের বাঁশি বাজান।
দ্বিতীয়ার্ধে এফসি গোয়া প্রবল ভাবে ম্যাচে ফিরে আসে। কিন্তু প্রতিপক্ষের ডিফেন্সিভ থার্ডে গোয়ার আক্রমণ ভাগের খেলোয়াড়রা বার বার খেই হারিয়েছেন। ইস্টবেঙ্গল প্রায় ৯ জন খেলোয়াড় নিজেদের ডিফেন্স এ নামিয়ে এনে গোল মুখ বন্ধ করে দেয়। চতুর্থ অফিসিয়াল ৭ মিনিট অ্যাডেড টাইম দেন। কিন্তু গোয়ার যাবতীয় আক্রমণ ইস্টবেঙ্গলের ডিফেন্স থার্ডে আটকে যায়। সোমবার ইস্টবেঙ্গল কঠিন প্রতিপক্ষ হায়দ্রাবাদের সম্মুখীন হতে চলেছে। তার আগে এই জয় নিঃসন্দেহে টিমের আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনল।
We hate spam as much as you do