এমএ বেবি (মরিয়ম আলেকজান্ডার বেবি) সিপিআইএম-এর ছাত্র শাখা স্টুডেন্ট ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (SFI) থেকে সক্রিয় রাজনীতির সূচনা করেছিলেন। এরপর বেবি পার্টির যুব শাখা ডেমোক্রেটিক ইয়ুথ ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ার (DYFI) সঙ্গে যুক্ত হন। তিনি ১৯৮৬ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত সিপিআইএম-এর পক্ষ থেকে রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন। গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে সীতারাম ইয়েচুরির মৃত্যুর পর থেকে সিপিআইএম সাধারণ সম্পাদকের পদটি খালি ছিল। এখন পর্যন্ত প্রকাশ কারাট অস্থায়ীভাবে পার্টির সমন্বায়কের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
৮৫ জনের কেন্দ্রীয় কমিটি CPIM সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি, নতুন পলিটব্যুরোয় শ্রীদীপ ভট্টাচার্য্য
06 Apr 2025
DYFI এর প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি ও কেরলের প্রাক্তন সাংসদ ও মন্ত্রী এমএ বেবিকে সিপিআইএম পার্টির নতুন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে।
কেরল সরকারের প্রাক্তন মন্ত্রী এমএ বেবিকে সিপিআইএম পার্টির নতুন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। সিপিএমের ২৪তম মাদুরাই পার্টি কংগ্রেস বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সীতারাম ইয়েচুরির মৃত্যুর পর থেকে এই পদটি খালি ছিল। সিপিআইএম পার্টি কংগ্রেসের শেষ দিন রবিবার তামিলনাড়ুর মাদুরাইতে অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকেই পার্টির পরবর্তী সাধারণ সম্পাদক হিসেবে এমএ বেবির নাম চূড়ান্ত করা হয়।
এমএ বেবি (মরিয়ম আলেকজান্ডার বেবি) সিপিআইএম-এর ছাত্র শাখা স্টুডেন্ট ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (SFI) থেকে সক্রিয় রাজনীতির সূচনা করেছিলেন। এরপর বেবি পার্টির যুব শাখা ডেমোক্রেটিক ইয়ুথ ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ার (DYFI) সঙ্গে যুক্ত হন। তিনি ১৯৮৬ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত সিপিআইএম-এর পক্ষ থেকে রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন। গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে সীতারাম ইয়েচুরির মৃত্যুর পর থেকে সিপিআইএম সাধারণ সম্পাদকের পদটি খালি ছিল। এখন পর্যন্ত প্রকাশ কারাট অস্থায়ীভাবে পার্টির সমন্বায়কের দায়িত্ব পালন করছিলেন। সিপিআইএমের বয়সবিধির কারণে দীর্ঘ সময় পর পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে সরে গেলেন প্রকাশ কারাট এবং বৃন্দা কারাট, এর আগে কেন্দ্রীয় থেকে পশ্চিমবঙ্গের সূর্যকান্ত মিশ্র রবীন দেব অমিয় পাত্র অঞ্জু কর রেখা গোস্বামী অব্যহতি নিলেন। পশ্চিমবঙ্গ থেকে নতুন কেন্দ্রীয় কমিটিতে এলেন মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, কনিনীকা ঘোষ, সমন পাঠক, সৈয়দ হোসেন, দেবব্রত ঘোষ
বয়সবিধির কারণে এবারের পার্টি কংগ্রেসে ৭ জনের পলিটব্যুরো থেকে সরে যাওয়ার কথা ছিল। প্রকাশ এবং বৃন্দা কারাট, সুহাষিনী আলি, কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন, ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার, বাংলার সূর্যকান্ত মিশ্র এবং তামিলনাড়ুুর জি রামকৃষ্ণণ। তবে পরিস্থিতি বিবেচনা করে পিনারাই বিজয়নকে কেন্দ্রীয় কমিটি এবং পলিটব্যুরোর সদস্য হিসাবে রেখে দেওয়া হয়েছে। বাকি ৬ জন সরে গেলেন। সূর্যকান্ত মিশ্রের জায়গায় বাংলা থেকে শ্রীদীপ ভট্টাচার্য, মানিকের জায়গায় ত্রিপুরার রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী পলিটব্যুরোর সদস্য হয়েছেন।
পার্টি কংগ্রেসের মঞ্চে এ প্রসঙ্গে বেবি বলেছেন, কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে আমাদের। কিন্তু পার্টির সব স্তরে নবীন নেতৃত্বকে তুলে আনার অবস্থান থেকে আমরা সরতে চাইনি।
বেবি বলেছেন, নয়া ফ্যাসিবাদী চরিত্রের শক্তিকে মদত দিচ্ছে দেশের শাসক শ্রেণি। একদিকে গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার ওপর প্রবল আঘাত। আরেকদিকে জীবনজীবিকার ওপরও নেমেছে মারাত্মক আক্রমণ। নয়া উদারবাদ এবং সাম্প্রদায়িক কর্পোরেট হিন্দুত্ববাদ- দুয়ের বিরুদ্ধেই লড়তে হবে। তার জন্য দরকার বামপন্থী শক্তির বিকাশ। বাম গণতান্ত্রিক ধর্মনিরপেক্ষ শক্তিগুলির ঐক্যকে মজবুত করেই এই বিকাশ প্রয়োজন। অত্যন্ত জরুরি সিপিআই(এম)’র স্বাধীন বিকাশও।
বেবি বলেন, পার্টি কংগ্রেসের অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় সমালোচনা এবং আত্ম সমালোচনা হয়েছে। পলিট ব্যুরোর ভূমিকার মূল্যায়ন করেছেন প্রতিনিধিরা। এই মতবিনিময় পার্টিকে ঐক্যবদ্ধ এবং শক্তিশালী করার জন্যই অত্যন্ত প্রয়োজনের। দেশের শ্রমজীবী কৃষিজীবির বিপুল অংশকে এখন শাসক শ্রেণির প্রতিনিধি রাজনৈতিক শক্তি আকর্ষণ করতে পারছে। কেন আমরা এই অংশকে নিজেদের দিকে টেনে আনতে পারব না, তা নিয়ে হয়েছে আলোচনা। আগামী দিনে চলার দিশা স্থির করেছে পার্টি কংগ্রেস। নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি এই লক্ষ্যেই এগবে।
রবিবারই মাদুরাইয়ের রিঙ রোডে হবে বিশাল সমাবেশ। পার্টি কংগ্রেসকে কেন্দ্র করে শহরের নামকরণ করা হয় সীতারাম ইয়েচুরির নামে। তাঁর প্রয়ানে শূন্যতার পরিস্থিতিও এদিন সবিস্তারে ব্যাখ্যা করেন বেবি। বিকেলে সমাবেশে প্যারেড করে আসবেন প্রায় ২৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবক। তামিলনাডুর বিভিন্ন প্প্রান্ত থেকে এই স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী কুচকাওয়াজ করে এসেছে। হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও।
মাদুরাইয়ে সিপিআই(এম) ২৪তম পার্টি কংগ্রেস থেকে নির্বাচিত কেন্দ্রীয় কমিটি, পলিট ব্যুরোর সদস্যবৃন্দ।
পলিট ব্যুরো সদস্য ---
পিনারাই বিজয়ন
এম এ বেবি
বি ভি রাঘব ভুলু
তপন সেন
নীলোৎপল বসু
মহম্মদ সেলিম
রামচন্দ্র ডোম
অশোক ধাওয়ালে
এম ভি গোভিন্দন মাস্টার
এ বিজয়ারাঘবন
অমরা রাম (নবনির্বাচিত)
বিজু কৃষ্ণান (নবনির্বাচিত)
মারিয়াম ধাওয়ালে (নবনির্বাচিত)
ইউ ভাসুকি (নবনির্বাচিত)
কে বালাকৃষ্ণান (নবনির্বাচিত)
জিতেন্দ্র চৌধুরী (নবনির্বাচিত)
আর অরুণ কুমার (নবনির্বাচিত)
শ্রীদীপ ভট্টাচার্য (নবনির্বাচিত)
কেন্দ্রীয় কমিটিতে পশ্চিমবঙ্গের সদস্যরা
শমীক লাহিড়ী
সুমিত দে
সুজন চক্রবর্তী
দেবলীনা হেমব্রম
আভাস রায়চৌধুরী
মীনাক্ষী মুখার্জী (নবনির্বাচিত)
কনীনিকা ঘোষ (নবনির্বাচিত)
দেবব্রত ঘোষ (নবনির্বাচিত)
সৈয়দ হোসেন (নবনির্বাচিত)
সমন পাঠক (নবনির্বাচিত)
কেন্দ্রীয় কমিটির অপর সদস্যবৃন্দ
ভি শ্রীনিবাস রাও
সুপ্রকাশ তালুকদার
ইসফাকুর রহমান
লালন চৌধুরী
অবধেশ কুমার
প্রকাশ বিপ্লব
মহম্মদ ইউসুফ তারিগামি
পিকে শ্রীমতী
ইপি জয়রাজন
টমাস আইজ্যাক
কেকে শৈলজা
এলামরাম করিম
কে রাধাকৃষ্ণণ
কেএম বালাগোপাল
পি রাজীব
পি সতীদেবী
সিএস সুজাতা
যশবিন্দর সিং
সুখবিন্দর সিং শেখোঁ
পি সম্পত
পি সম্মুগম
টি বীরভদ্রম
হীরালাল যাদব
কে হেমলতা
রাজেন্দ্র শর্মা
এস পুণ্যবতী
মুরলীধরণ
এআর সিন্ধু
আর কারুমালায়ন
কেএন উমেশ
বিক্রম সিং
প্রেম চাঁদ
সঞ্জয় চৌহান
অনরাগ সাক্সেনা
এইআই ভাট
কে প্রকাশ
টিপি রামকৃষ্ণাণ
পি দীনেশন
সালিখা
অজিত নাওলে
বিনোদ নিকোলে
সুরেশ পানিগ্রাহী
কৃষ্ণা পারিখ
এন গুণশেখরণ
জন ওয়েসলি
এস বীরাইয়া
মানিক দে
নরেশ জামাতিয়া
রতন ভৌমিক
কৃষ্ণা রক্ষিত
লোকনাথন
কে বালভারতী
ডি রমাদেবী
টি জ্যোতি
রাজেন্দ্র সিং নেগি
সাইবাবু
We hate spam as much as you do