সিপিআইএম পার্টি অফিসে ঢুকে পার্টি অফিস বন্ধ রাখার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল কেশপুরের বিধায়ক তথা মন্ত্রী শিউলি সাহার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে কেশপুরের সিপিআইএমের পার্টি অফিস জামশেদ আলী ভবনে। রবিবার কেশপুরে সিপিআইএমের এক কর্মীসভা হয়েছিল দলীয় কার্যালয় জামশেদ আলি ভবনে।
কেশপুরে সিপিআইএম পার্টি অফিস বন্ধ রাখার হুমকি, দিল তৃণমূল মন্ত্রী শিউলি সাহা
23 May 2023
সিপিআইএম-এর অভিযোগ সভা শেষের পরেই তৃণমূলের লোকেরা জামশেদ আলী ভবনে সামনে এসেছিলেন। এসেছিলেন মন্ত্রী শিউলি সাহাও। পার্টি অফিস কেন খোলা হচ্ছে দলীয় কার্যালয়ে থাকা কর্মীদের জিজ্ঞাসা করার পাশাপাশি হুমকি দিয়ে বলা হয় পার্টি অফিস বন্ধ করে দিতে।
সিপিআইএম পার্টি অফিসে ঢুকে পার্টি অফিস বন্ধ রাখার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল কেশপুরের বিধায়ক তথা মন্ত্রী শিউলি সাহার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে কেশপুরের সিপিআইএমের পার্টি অফিস জামশেদ আলী ভবনে। রবিবার কেশপুরে সিপিআইএমের এক কর্মীসভা হয়েছিল দলীয় কার্যালয় জামশেদ আলি ভবনে।
সিপিআইএম-এর অভিযোগ সভা শেষের পরেই তৃণমূলের লোকেরা জামশেদ আলী ভবনে সামনে এসেছিলেন। এসেছিলেন মন্ত্রী শিউলি সাহাও। পার্টি অফিস কেন খোলা হচ্ছে দলীয় কার্যালয়ে থাকা কর্মীদের জিজ্ঞাসা করার পাশাপাশি হুমকি দিয়ে বলা হয় পার্টি অফিস বন্ধ করে দিতে। কেশপুর সিপিআইএমের এরিয়া কমিটির সম্পাদক সৈয়দ নিয়ামত হোসেন বলেন, ‘তৃণমূল ভয় পেয়েছে। মানুষ সশরীরে সিপিএমের জন্য বেরিয়ে আসছে। জমায়েত বাড়ছে আর তাতেই আতঙ্কিত হয়ে এই রকম হুমকি দিচ্ছে। যিনি বলেছিলেন প্রার্থী খুঁজে না পেলে আমাদেরকে বললে আমরা প্রার্থী দেব, তিনিই এসেছিলেন পার্টি অফিস বন্ধ করতে। যাতে সিপিআইএম না বাড়ে যাতে বিজেপি বাড়ে উদ্দেশ্য ওটাই ছিল’।
তিনি আরও বলেন, ‘কঙ্কাল কান্ড নিয়ে একটি মিথ্যা কেস দিয়ে স্বার্থসিদ্ধি হয়নি। আবার সেই কঙ্কালের নাম দিয়ে নিজেরা কঙ্কাল ঘটানোর চেষ্টা করছে। যা ঘটেছিল ১৪ নম্বর অঞ্চলে একসঙ্গে তিনজনকে খুন, যা ঘটেছিল মধুপুরে একসঙ্গে পাঁচ জনকে খুন, সেই ঘটনা আবার ঘটাতে চাইছে কেশপুরে শিউলি সাহা। বিরোধীদলের পার্টি অফিসে এসে পার্টি অফিস বন্ধ করার হুমকি দেওয়া এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এর জবাব কেশপুরের মানুষ দেবে। ২৩ সালের ভোটে দেবে এবং ২৪ সালের ভোটেও দেবে ২৬-এ দেবে এবং উনি কেশপুর থেকে বিদায় নেবেন। কেশপুরে এমন কোনও বুথ নেই যেখানে ৬০ শতাংশ মানুষের সমর্থন নেই। ফেয়ার এন্ড ফ্রী যদি ভোট হয় তাহলে শিউলি সাহা এবং তার দল বুঝে নেবে কি জিনিস কেশপুর’।
কেশপুরের বিধায়ক তথা মন্ত্রী শিউলি সাহা বলেন, ‘হার্মাদ খুনি কঙ্কাল কাণ্ডের যারা নায়ক, নিয়ামত থেকে শুরু করে কয়েকজন জামশেদ আলী ভবনে লাফালাফি করছে। আমাদের উল্টাপাল্টা আজেবাজে ভাষায় গালিগালাজ করছে। আমাদের লোকজনকে উল্টাপাল্টা বলছে, আমি আজকে প্রত্যক্ষ করলাম। আমি ওয়ার্নিং দিয়ে দিয়েছি ভদ্র ভাবে থাকলে ভাল, তা না হলে কেশপুরের মানুষ জবাব দিতে জানে’।
সিপিআইএমের অভিযোগ, পুলিশকে জানিয়ে লাভ হয়নি। পাল্টা মন্ত্রীর সাফাই, তাঁর সুগারের সমস্যা রয়েছে। তাই হাঁটতে বেরিয়েছিলেন। অস্বস্তি ঢাকতে এ ধরনের ঘটনা সমর্থনযোগ্য নয় বলে জানিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। লিখিত অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার।
জনা পঞ্চাশেক লোক রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে জড়ো হলেন সিপিআইএম পার্টি অফিসের সামনে। কিছুক্ষণ পর সেখান থেকে বেরিয়েও গেলেন। ফেরার পথে তাঁরাই আবার সেই জায়গায় গিয়ে দাঁড়ালেন। জমায়েতের সামনে যিনি রয়েছেন, তিনি রাজ্যের মন্ত্রী শিউলি সাহা। পঞ্চায়েত ভোটের আগে পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরে সিপিএমের পার্টি অফিসে চড়াও হওয়ার অভিযোগ উঠল খোদ তৃণমূল সরকারের মন্ত্রীর বিরুদ্ধে।
সিপিআইএমের অভিযোগ, রবিবার সন্ধে ৭ টা নাগাদ জামশেদ আলি ভবনের সামনে তৃণমূল কর্মীরা জড়ো হয়। এরপর পার্টি অফিসে ঢুকে তাদের নেতা-কর্মীদের গালিগালাজ শুরু করে তৃণমূল কর্মীরা। এমনকী পার্টি অফিস বন্ধেরও হুঁশিয়ারি দেন শিউলি সাহা।
সামনে পঞ্চায়েত ভোট। তার আগে ২৭ মে পশ্চিম মেদিনীপুরে তৃণমূলে নবজোয়ার কর্মসূচিতে আসছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগে এই ঘটনায় অস্বস্তিতে তৃণমূল। নেতৃত্ব জানিয়েছে, এ ধরনের ঘটনা ঘটলে, তা সমর্থনযোগ্য নয়।
We hate spam as much as you do