Tranding

04:00 PM - 22 Mar 2026

Home / Article / এইসময়কালে দেশজুড়ে রাহুল গান্ধীর জনযাত্রার আলোড়ন ও গনমাধ‍্যমের অবহেলা

এইসময়কালে দেশজুড়ে রাহুল গান্ধীর জনযাত্রার আলোড়ন ও গনমাধ‍্যমের অবহেলা

এই যাত্রা রাহুল গান্ধীকে আসল ভারতকে চিনতে সাহায্য করল এইরকম একটা পরিস্থিতির মধ্যে যখন গোটা ভারতবর্ষে একটা অত্যন্ত শক্তিশালী সামাজিক বৈষম্যবাদ প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা চলছে। যখন রাহুল গান্ধীর নিজেদের পারিবারিক ঐতিহ্যকে ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে এবং ব্যক্তিগতভাবে রাহুল বিরোধী প্রচারের সমস্ত কর্পোরেট মিডিয়া সংগঠিতভাবে নেমে পড়েছে তখন তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছেন একজন নেতা হিসেবে। ভারতীয় বর্ণ ব্যবস্থা, কৃষি পরিস্থিতি, এবং শ্রমজীবী ​​মানুষের মধ্যে ভারতীয় শিক্ষার অবস্থা বোঝার মাধ্যমে সামাজিক ও রাজনৈতিক সংস্কারের নতুন পদ্ধতি গ্রহণ করা ছাড়া তাঁর আর কোনও উপায় ছিল না।

এইসময়কালে দেশজুড়ে রাহুল গান্ধীর জনযাত্রার আলোড়ন ও গনমাধ‍্যমের অবহেলা

এইসময়কালে দেশজুড়ে রাহুল গান্ধীর জনযাত্রার আলোড়ন ও গনমাধ‍্যমের অবহেলা

কাঞ্চা ইলিয়া সেপার্ড
07 Sep 2025

অনুবাদ চিরন্তন গাঙ্গুলী 


সাম্প্রতিককালে একটি ইংরেজি টিভি খবরের মাধ্যম একটি অনুসন্ধান এবং পর্যালোচনা করে জানিয়েছে যে রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ২৫ % পছন্দ এবং ভারতীয় জনতা পার্টির নরেন্দ্র মোদি কে পছন্দ করেন ৫২ %

যদি দেখা যায় যে সাম্প্রদায়িক মনোভাবাপন্ন জনতার মধ্যে থেকেই এই হিসাব ও অনুসন্ধান করা হয়েছে তাহলে অবশ্যই একজন ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক সামাজিক সংস্কারক নেতৃত্ব  অবশ্যই কম ভোট পাবেন।।

এই ধরনের মোবাইল ফোনের সার্ভে কিছুটা গতিপ্রকৃতি দেখাতে পারে কিন্তু গণমাধ্যম যেটাকে গুরুত্ব দিচ্ছে না তা হল ভারতের রাজনৈতিক সামাজিক ব্যবস্থার সংস্কারের জন্য রাহুল গান্ধীর লড়াই যা ভবিষ্যতে ভারতবর্ষের সমাজব্যবস্থার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি সমস্ত আঞ্চলিক দলগুলো রাহুল গান্ধীর পাশে দাঁড়ায় তাহলে নির্বাচনে সঠিকভাবেই অন্যরকম ফলাফল  দেখা দেবে এবং এই  সার্ভে ভুল বলে প্রমাণিত হবে।


যদি রাহুল গান্ধী এইসব মানবিক সাম্যের রাজনীতি এবং সামাজিক  সংস্কারের মধ্যে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন তাহলে আমেরিকার আব্রাহাম লিংকনের মত ভারতের ইতিহাস তাকে মনে রাখবে।  কিন্তু ভারতবর্ষের গণমাধ্যমগুলো তার  এই সংস্কার আন্দোলন ও লড়াইয়ের বিরোধিতা করছে।

রাহুল গান্ধীর অভাবনীয় অগ্রগতি.....

রাহুল গান্ধী সংসদে ১০০ টা আসনে জয়ী হয়েও,  তার পার্টির একজন নির্যাতিত নেতা তিনিই নানা জাতের নেতাদের কাছ থেকেই সংসদের মধ্যেই আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন এবং বারবার তাকে অপমানিত করা হয়েছে। তার পরেও বিশেষ কয়েকটা রাজ্যে তিনি কংগ্রেসকে ক্ষমতায় আনতে সক্ষম হয়েছেন। তেলেঙ্গানা কর্ণাটক এবং হিমাচল প্রদেশে কংগ্রেস নির্বাচনে জিতেছে। এর আগে তারই নেতৃত্বে পাঞ্জাবে কংগ্রেস জিতেছে

নির্বাচনী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে রাহুল গান্ধী একজন গুরুত্বপূর্ণ জননেতা হয়ে উঠেছেন। বিজেপির যেকোনো নেতার থেকে এমনকি স্বয়ং  নরেন্দ্র মোদি, যিনি কোনভাবেই জননেতা ছিলেন না যাকে ২০০১ সালে কার্যত জোর করেই বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী পদে বসিয়ে দিয়েছিল।


নরেন্দ্র মোদি ২০০২ সাল গোধরা কাণ্ড এবং তার পরবর্তী গুজরাটের পরিকল্পিত সাম্প্রদায়িক হিংসা মধ্যে দিয়ে একজন সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের  নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন।
তার মূল এজেন্ডা  ছিল মুসলিম বিরোধী ক্রিশ্চিয়ান বিরোধী হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করা এবং এই দুই ধর্মের লোককেই বিদেশী বলে চিহ্নিত করা। ১০০ বছর ধরে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ এবং তাদের রাজনৈতিক সংগঠন বিজেপি এই কাজ করে যাচ্ছে।  এটা তাদের নিজেদের মতাদর্শগত প্রচার যার প্রতীক হিসেবে নরেন্দ্র মোদি নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছেন।

মোদির ভাবমূর্তি একজন নেহেরু পরিবার বিরোধী হিন্দু সাম্প্রদায়িক নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ২০১৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে মোদীজিতে পেরেছিলেন গত ১০ বছরে ভারতবর্ষে একজন অরাজনৈতিক কার্যত চুপচাপ প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের ক্ষমতায় থাকার কারণে ২০১৪ সালের সময়কালে নির্বাচনী প্রচারে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এবং কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধী কেউই তাদের স্বাস্থ্যের কারণে প্রিয় জনগণের কাছে সঠিকভাবে নিজেদের বক্তব্য প্রতিষ্ঠা করতে পারেননি।

এই সময় রাহুল গান্ধী জানতেন না কি করে মোদির সাথে লড়াই করতে হয়। কারণ মোদি ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি ভারতবর্ষের প্রথম ওবিসি প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী এবং বিজেপির প্রধান প্রচারক।


রাহুল গান্ধী এমন একটা ভয়ংকর পরিস্থিতির মধ্যে বড় হয়েছিলেন যখন তার পিতামহী ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী খুন হয়েছেন  এবং তার পরবর্তী সময়ে তার বাবা রাজীব গান্ধী  একজন বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন খুন হয়েছেন। এই সময় রাহুল গান্ধী জানতেনই না ভারতবর্ষ কেমন এবং তার কি পরিস্থিতি?  মূল কথা তিনি জানতে পারেন নি এবং তাকে কেউ জানায়নি ভারতবর্ষের জাতপাত ব্যবস্থাটা কেমন এবং কি কারনে সেই ব্যবস্থার জন্য এত হিংসার পরিবেশ তৈরি হয়।

কিন্তু মোদি বা আরএসএস-এর কোন আন্দোলন ছিল না সামাজিক এবং ভারতবর্ষের জাতপাত ব্যবস্থার বিরুদ্ধে অথচ তারাই নির্বাচনে প্রথমে ওবিসি বলে নিজেদের প্রচার করেছিলেন। ভোট পাওয়ার জন্য। আরএসএস বা মোদির রাজনৈতিক প্রচার এর মধ্যে এই সামাজিক এবং জাতিগত সংস্কারের কোন এজেন্ডা ছিল না

যখনই এই প্রতিবেদক রাহুল গান্ধীর সাথে ২০১৪ সালে নির্বাচনের আগে সাক্ষাৎ করে তিনি জানতেনই না যে ওবিসি কার্ড ইস‍্যু কিভাবে একটা নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে পারে। অথচ তিনিই ছিলেন কংগ্রেসের মূল প্রচারক। ২০০৪ সালে নির্বাচনের সময় যখন তিনি প্রথম রাজনীতিতে প্রবেশ করলেন তার দেশের রাজনৈতিক সংঘর্ষ সম্পর্কে কোন ধারণাই ছিল না।
ভারতবর্ষ একটা জটিল দেশ। এই দেশে আরএসএসের মতো একটা সংগঠনের কৌশল কে প্রতিরোধ করার জন্য রাহুল গান্ধীকে ব্যক্তিগত সংঘর্ষ ও সংস্কারের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে । 

গুরুত্বপূর্ণ হল রাহুলের নেতৃত্বে জনযাত্রা
ভারতবর্ষ আলোড়িত..........

এই যাত্রা রাহুল গান্ধীকে আসল ভারতকে চিনতে সাহায্য করল এইরকম একটা পরিস্থিতির মধ্যে যখন গোটা ভারতবর্ষে একটা অত্যন্ত শক্তিশালী সামাজিক বৈষম্যবাদ প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা চলছে। যখন রাহুল গান্ধীর নিজেদের পারিবারিক ঐতিহ্যকে ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে এবং ব্যক্তিগতভাবে রাহুল বিরোধী প্রচারের সমস্ত কর্পোরেট মিডিয়া সংগঠিতভাবে নেমে পড়েছে তখন তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছেন একজন নেতা হিসেবে। ভারতীয় বর্ণ ব্যবস্থা, কৃষি পরিস্থিতি, এবং শ্রমজীবী ​​মানুষের মধ্যে ভারতীয় শিক্ষার অবস্থা বোঝার মাধ্যমে সামাজিক ও রাজনৈতিক সংস্কারের নতুন পদ্ধতি গ্রহণ করা ছাড়া তাঁর আর কোনও উপায় ছিল না।


যেহেতু মোদী ২০১৪ সাল থেকে তার রাজনীতির ভাষ‍্যকে জাতপাতের দিকে নিয়ে গেলেন, তাই রাহুল গান্ধীকে তার সংগ্রামের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে রাজনীতি অধ্যয়ন এবং উপলব্ধি করে তৈরি হতে হয়েছিল। তার দল বরাবর জাতপাত রাজনীতির বিরুদ্ধে ছিল এবং জাতিগত জনবিন্যাসের বিরুদ্ধে ছিল গ্রামাঞ্চলে সমস্ত শিক্ষা কেন্দ্রে ইংরেজি শিক্ষার প্রবর্তন সম্পর্কে তার দলের কোন মত ছিল না। অথচ যখন কংগ্রেস উচ্চবর্ণের ধনীদের জন্য বেসরকারি ক্ষেত্রে ইংরেজি মাধ্যমকে গুরুত্ব দিয়েছিল। কংগ্রেসের উচ্চমানের চিরাচরিত ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতি আরএসএস মোদী এবং তাদের সহকর্মী অমিত শা'র মত একটা তীব্র শক্তির সাথে মোকাবিলা করার জন্য যথেষ্ট ছিল না।


তার ভারতজুড়ে যাত্রা থেকে রাহুল গান্ধী বিকল্প রাজনীতির একটি পথ খুঁজে পেলেন। এই ক্ষেত্রে সামাজিক মাধ্যম তাকে নেতৃত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠা দিতে সাহায্য করল কিন্তু মূল ধারার যে গণমাধ্যম তারা ক্রমাগত প্রশ্ন করতে থাকবো এই যাত্রার ফলে কি ভোট বাড়বে তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই রাহুল গান্ধীর এই স্লোগান টাকে গুরুত্ব দিল না নফরত কি বাজার মে মহব্বত কি দুকান তারা প্রচার করলো এই স্লোগানটা শুধুমাত্র বিজেপির  বিরুদ্ধে বিকল্প সাম্প্রদায়িক স্লোগান কিন্তু এটা ভারতের জাতপাত ব্যবস্থা অস্পৃশ্যতা নিয়ম এর বিরুদ্ধে গভীর প্রভাব বিস্তার করেছিল উচ্চবর্ণ এবং নিম্ন বর্ণের ও আদিবাসী মানুষের মধ্যে যেকোন রকম মিত্রতা নেই আরএসএসের তথাকথিত সনাতন ঐতিহ্য অনুযায়ী প্রতিবেশী মানুষের প্রতি ভালোবাসার জন্য কোন বক্তব্য নেই।

এই স্লোগান শিক্ষিত দলিত এবং অনগ্রসর শ্রেণীর যুবসমাজ এবং মুসলিম যুবসমাজকে আকর্ষণ করেছিল

রাহুল গান্ধীর ভারতজোড়ো ন্যায়যাত্রা এই বক্তব্যকে মানুষের কাছে পরিষ্কার করে দিয়েছিল আরএসএস থেকে কেউ কোনদিনও সামাজিক বর্ণ ব্যবস্থাকে দূর করার জন্য সংগঠিত কোন গণ আন্দোলন করেননি মানুষের কর্পোরেট নিয়ন্ত্রিত বৃহৎ মিডিয়াগুলো নতুন রাহুল গান্ধীকে দেখতে পেল না। যিনি বললেন সামাজিক রাজনৈতিক সংস্কার আমাদের লক্ষ্য তা পূরণ হবে এই যাত্রার মধ্যে দিয়ে আরএসএস বিজেপির হাত থেকে ক্ষমতা ছিনিয়ে নিলে যে যাত্রা কার্যত ছিল জাতপাত বিরোধী ও উচ্চ ধ্বনি বিরোধী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে

এই রকম অবস্থায় কংগ্রেস যখন ১০০ আসন পেল এবং রাহুল গান্ধীকে বিরোধী দলনেতা করলো তখনই জানবেন এই যুদ্ধ অর্ধেক জেতা হলো। নির্বাচন কমিশনকে হাত করে প্রচুর পরিমাণে ভোট নিয়ে দুর্নীতি এক জিনিস আবার অন্যদিকে সামাজিক সংস্কার আন্দোলনকে নির্বাচনী প্রচারে নিয়ে যাওয়া বিষয় আলাদা। 

ভোট চুরির প্রচার.............

ভোট চুরির প্রচার করার সময় রাহুল গান্ধী নিজে বলেছিলেন তিনি আগুনের সাথে যুদ্ধ করতে যাচ্ছেন।  কিন্তু তার বিহারে "ভোটার অধিকার যাত্রা"  এই সংস্কার আন্দোলনে এক নতুন মাত্রা যোগ করতে পারল। এটা শুধুমাত্র নির্বাচনে জেতবার জন্য একটা বিষয় নয় এটা ভারতের গণতন্ত্রকে রক্ষা করবার একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রয়াস।

মিডিয়া গুলো বারবার প্রচার করেছে রাহুল গান্ধীর এই ভোটার অধিকার যাত্রা আসলে নির্বাচনী চমক। কারণ উচ্চবর্ণের লোকেরাতো শুধুমাত্র আর এস এস বিজেপিতে নেই, তারা অন‍্য পার্টিতেও আছে। তারা চাইছিল না রাহুলকে সামাজিক রাজনৈতিক  নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে। উচ্চবর্ণের মধ্যে বর্ণবাদ বিরোধী সামাজিক রাজনৈতিক সংস্কার  আন্দোলনকে সর্বোতভাবে বিরোধিতা করবার ইতিহাস আছে। এর মধ্যে বলা যায় নেহেরু পরিবার একটি রাজনৈতিক ক্ষমতাশালী পরিবার যেখানে নেহেরু নিজেই জাতপাত বিরোধিতার সামাজিক সংস্কার নিয়ে সম্পর্কে খুব বেশি লিখে যান নি।

মূল ধারার গণমাধ্যমগুলি কোনদিনই শিক্ষা ও জাতপাত অস্পৃশ্যতা বিরুদ্ধে সমাজ সংস্কার আন্দোলনের রাজনীতিকে খুব একটা গুরুত্ব দেয়নি। কারণ তাদের আশঙ্কা ছিল এতে তাদের ঐতিহাসিকভাবে প্রতিষ্ঠিত যে আধিপত্য তা ক্ষুন্ন হতে পারে। ভারতবর্ষে বাম গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোর উদ্যোগে ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে যে প্রচার চলে তাতে জাতপাত এর শোষন সম্পর্কে প্রচার কম হয়। উদারপন্থী এবং বামপন্থী সাম্প্রদায়িক বিরোধী প্রচারণার ধর্মনিরপেক্ষতায় বর্ণ সংস্কার অন্তর্ভুক্ত নেই। বর্ণগত জনগননা হওয়ার ফলে জাতপাতের এই আধিপত্যে আঘাত আসে। রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে এই নিশ্চুপ বিষয় সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি হচ্ছে। ভবিষ্যতে ভারতে এই বর্ণবৈষম‍্যের বিষয় যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে  এবং সামাজিকভাবে শোষিত শ্রেণির মধ‍্যে নিজেদের সংখ‍্যা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়বে।

Your Opinion

We hate spam as much as you do