এদিন বিমান বসু বলেন, সব আসনে প্রার্থী নির্দিষ্ট করার বিষয়ে কিছু আলোচনার প্রয়োজন আছে। সে আলোচনাটা সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত, আমরা সেই তালিকা ঘোষণা করতে পারছি না। আপনাদের মনে হতে পারে, কোনও কোনও দল তো একসঙ্গে ৪২ টি প্রার্থীর তালিকা ঘোষণা করে দিচ্ছে। কোনও কোনও প্রার্টি কিছু ঘোষণা করছে, কিছু রাখছে বাকি। এরকম আছে। আমাদের ক্ষেত্রে বাস্তব অবস্থাটা, আপনাদের বললাম। আমরা তো বামফ্রন্ট', বলে এদিন বামফ্রন্টের ইতিহাস ও যৌথ সংগ্রামের ঐতিহ্য মনে করালেন তিনি।
মুর্শিদাবাদে সেলিম, রানাঘাটে অলোকেশ সহ চার বাম প্রার্থীর নাম ঘোষণা
24 Mar 2024
হয়ে গেল দ্বিতীয় দফায় বামেদের প্রার্থী ঘোষণা, সম্ভাবনা সত্যি করে মুর্শিদাবাদ থেকে সিপিএম প্রার্থী হয়ে দাড়ালেন মহম্মদ সেলিম..
বামেদের ১৭ আসনের পর প্রথম দফায় প্রার্থী ঘোষণার পর, কাল দ্বিতীয় দফায় বামেদের প্রার্থী (Left Front 2nd Phase Candidate List) ঘোষণা করলেন বর্ষীয়ান বাম নেতা বিমান বসু (Biman Basu)। মুর্শিদাবাদের সিপিআইএম প্রার্থী হয়ে দাঁড়ালেন মহম্মদ সেলিম। বোলপুর থেকে বামেদের হয়ে দাড়িয়েছেন সিপিআইএম প্রার্থী শ্যামলী প্রধান। বর্ধমান-দুর্গাপুরে বাম প্রার্থী সুকৃতী ঘোষাল (নতুন প্রার্থী)। রানাঘাটের সিপিআইএম প্রার্থী হলেন অলোকেশ দাস।
কিন্তু এবার কথা হচ্ছে, অন্যান্য রাজনৈতিক দল যখন প্রথম দফাতেই লম্বা প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিয়েছে, সেই তুলনায় অনেকটাই বাকি বামেদের। কারণ কী ? এদিন বিমান বসু বলেন, সব আসনে প্রার্থী নির্দিষ্ট করার বিষয়ে কিছু আলোচনার প্রয়োজন আছে। সে আলোচনাটা সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত, আমরা সেই তালিকা ঘোষণা করতে পারছি না। আপনাদের মনে হতে পারে, কোনও কোনও দল তো একসঙ্গে ৪২ টি প্রার্থীর তালিকা ঘোষণা করে দিচ্ছে। কোনও কোনও প্রার্টি কিছু ঘোষণা করছে, কিছু রাখছে বাকি। এরকম আছে। আমাদের ক্ষেত্রে বাস্তব অবস্থাটা, আপনাদের বললাম। আমরা তো বামফ্রন্ট', বলে এদিন বামফ্রন্টের ইতিহাস ও যৌথ সংগ্রামের ঐতিহ্য মনে করালেন তিনি।
এরপরেই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের গ্রেফতারি নিয়ে সরব হন বিমান বসু । বলেন, 'দেশের যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি আছে,তাতে আমরা লক্ষ্য করে দেখছি, একটা স্বৈরাচারি প্রবণতা দিল্লির কেন্দ্রের সরকারের পক্ষ থেকে দেখা যাচ্ছে। তাঁরা এমনভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করছে, যেনও তাঁরা যেন কিছুই করতে পারে ! কেউ দোষী বলে প্রমাণিত হয়, বা দুর্নীতির সঙ্গে সম্পর্ক আছে প্রমাণিত হয়, সেটা যদি আগে হয়ে থাকে, তাহলে নির্বাচনী বিধি চালু হবার পর, যখন নির্বাচন কমিশনের তত্বাবধানে যখন প্রশাসন তার কাজ কর্ম করতে হয়, সেখানে দুম করে একটা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে ধরে নিয়ে যাওয়া যায় না। উচিত না। এটা কখনই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য নয়।'
We hate spam as much as you do