সে এক সময় ছিল যখন নির্বাচনী প্রচারের অনেকটা জুড়ে থাকতো দেওয়ালে দেওয়ালে বুদ্ধিদীপ্ত স্লোগান-পাল্টা স্লোগান লেখার ধুন্ধুমার লড়াই।
সে এক সময় ছিল যখন নির্বাচনী প্রচারের অনেকটা জুড়ে থাকতো দেওয়ালে দেওয়ালে বুদ্ধিদীপ্ত স্লোগান-পাল্টা স্লোগান লেখার ধুন্ধুমার লড়াই। সে কালে এ রাজ্যে বামপন্থীরা দেওয়াল লিখনকে তো রীতিমত শিল্পের পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছিলেন। অবিভক্ত কমিউনিস্ট পার্টির জন্য কবি পূর্নেন্দু পত্রীর লেখা সেই দু লাইনের স্লোগান 'ভোট দেবেন কিসে/কাস্তে ধানের শিসে' তো একরকম মিথের পর্যায়ে পৌঁছে গেছিল। অথবা ১৯৬৪ পরবর্তী সময়ে 'ভোট দিন বাঁচতে/তারা হাতুড়ি কাস্তে'ও আগুনের মত ছড়িয়ে পড়েছিল পাহাড় থেকে সাগরে। গত শতাব্দীর আটের দশকেও আমরা দেখেছি দেওয়াল জুড়ে বাম-কংগ্রেসের তীক্ষ্ণ শ্লেষ জারিত ছড়ার তরজা। সেইসঙ্গে দেওয়ালে দেওয়ালে ফুটিয়ে তোলা মজাদার ব্যঙ্গচিত্রের অনন্য সম্ভার। প্রথম বামফ্রন্টের আমলে লোডশেডিং-এ জেরবার শহর নির্মল আনন্দ পেয়েছে যখন কংগ্রেস হ্যারিকেন হাতে জ্যোতি বাবুর ব্যাঙ্গচিত্রের নিচে লিখেছে 'জ্যোতি এল বঙ্গে / লোডশেডিং সঙ্গে'। তবে মানতেই হবে কার্টুন হোক বা ছড়া - দুটোতেই কিন্তু এগিয়ে থেকেছে বামেরাই। সে ইন্দিরা গান্ধীর ব্যঙ্গচিত্রের সঙ্গে লেখা 'প্রগতিবাদী বুড়ি, বাক্যি ঝুড়ি ঝুড়ি/ এক হাতে তার টাকার থলি অন্য হাতে ছুরি' ই হোক বা আরও কিছু পরে হাতে ইয়াব্বড় চাবির গোছা সমেত প্রিয়দাসমুন্সির ছবি এঁকে তার নিচে ইঙ্গিতবাহী 'চাবিওয়ালা' লেখার মধ্যেই হোক।
কিন্তু সময় তো এক জায়গায় থেমে থাকে না। সময় বদলায়। আর বদলাতে থাকা সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পাল্টাতে থাকে ভোট প্রচারের প্রকরণ ও আঙ্গিক। দেওয়াল লেখা পুরোপুরি উঠে না গেলেও, চুনকাম করা ইঁটের দেওয়ালের চেয়ে এখন সব পক্ষেরই নজর ফেসবুক, ট্যুইটার, ইউটিউব, হোয়াটস এ্যাপ বা ইনস্টাগ্রামের মত ভার্চুয়াল দেওয়ালের দিকেই।
বঙ্গ রাজনীতির মঞ্চে এক কালের প্রধান দুই প্রতিপক্ষ বাম ও কংগ্রেস সময়ের দাবি মেনেই আজ পরস্পর হাত মিলিয়েছে। আবার এ রাজ্যে বিজেপির অভিষেক ঘটেছিল যে তৃণমূলের কাঁধে চেপে, যে তৃণমূল একদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভায় ঘর করেছে বিজেপির সঙ্গে সেই তারাও, অন্তত বাহ্যতঃ আজ যুযুধান। যদিও এই দুই দলের 'গোপন আঁতাতের' দিকে ইঙ্গিতকারী 'বিজেমূলে'র মত হাঁসজারু মার্কা আনকোরা নতুন ও বুদ্ধিদীপ্ত শব্দ চয়ন করে আক্রমন শানাতে আসরে নেমেছে বামেরা। 'বিজেমূল' শব্দটি কিন্তু ইতিমধ্যেই বেশ জনপ্রিয়ও হয়ে উঠেছে। তবে সবকিছু ছাপিয়ে এবারের ভোট-ময়দান মাত করতে এক পক্ষ আসরে নেমেছে কান ঝালাপালা করা ডিজে সহযোগে অভিনব স্লোগানের পসরা নিয়ে আর অন্য দুই পক্ষ নেমেছে জনপ্রিয় কিছু গানের সুরে অন্য কথা বসানো প্যারডির সম্ভার নিয়ে।
যদি ডিজিট্যাল দুনিয়ায় তথাকথিত রিচ্-ই জনপ্রিয়তা মাপার একমাত্র মাপকাঠি হয় তবে মানতেই হবে চল্লিশ লক্ষ রিচ নিয়ে এসবের মধ্যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছেছে তৃণমূলের 'খেলা হবে' স্লোগান। এই স্লোগানের সত্ব নিয়ে অবশ্য তৃনমূলের অন্দরমহলেই একাধিক দাবিদার। বীরভূমের গুড়-বাতাসা-বোম-পাঁচন খ্যাত অনুব্রত মন্ডলের দাবি এ স্লোগান তাঁরই সৃষ্টি। ওদিকে দলের যুব নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য্যের বক্তব্য খেলা হবে স্লোগান নাকি তাঁরই মস্তিষ্ক প্রসূত। যদিও নিন্দুকেরা বলছেন বেশ কয়েক বছর আগে প্রতিবেশী বাংলাদেশের এক সাংসদই নাকি এহেন স্লোগানকে জনপ্রিয় করে তুলেছিলেন। নিন্দুকূের সোজাসাপটা বক্তব্য অবশ্য চাল হোক বা গরু, কয়লা হোক বা সোনা সব রকম চুরিতেই যে দল অভ্যস্ত, সেই তৃনমূল যে স্লোগানও চুরি করবে এ আর বেশি কথা কি! জগঝম্প ডিজে র তালে চিৎকার ক'রে সব কথার শেষে একবার ক'রে খেলা হবে খেলা হবে ব'লে সুর ক'রে ছড়া কেটে যাওয়াই এ স্লোগান অথবা বলা ভালো স্লো-গানের বৈশিষ্ট। যেমন 'তৃণমূলের ভাঙিয়ে নেতা / নয়কো সহজ ভোটে জেতা / দিদির ছবি সরবে যেদিন / বন্ধু সেদিন খেলা হবে’। উদ্দাম ডিজের সঙ্গে লঘু সুরে এই খেলা হবে বলে যাওয়ায় একটা মাদকতা আছে। তাই তৃনমূলের সভায় যেখানেই এই স্লোগান বাজছে সেখানেই কাঁধ ঝাঁকিয়ে কোমর দুলিয়ে উদ্দাম নাচতে দেখা যাচ্ছে অল্প বয়সীদের। শঙ্কর দোলুইয়ের মত বিধায়ককেও উদ্বাহু হয়ে নদের নিমাইয়ের মত নাচতে দেখা গেছে এই স্লোগানের তালে তালে। এমনকি খোদ মুখ্যমন্ত্রী একেবারে ভাষা দিবসের দিনই এ স্লোগানে সিলমোহর লাগিয়ে নিজে সে খেলায় গোলরক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তবে এ স্লোগান যতই জনপ্রিয় হোক না কেন মানতেই হবে স্লোগান হিসাবে বড় লঘু। আগামি পাঁচ বছরের জন্য রাজ্য ও রাজ্যবাসীর ভবিতব্য নির্ধারনের বিষয়টা আর যাই হোক কখনোই ছেলেখেলা হতে পারে না। এই 'খেলা হবে'র মধ্যে কেউ কেউ আবার খুঁজে পাচ্ছেন প্রচ্ছন্ন হুমকির সুর। পূর্ববর্তী পঞ্চায়েত নির্বাচনের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে অনেকেই মনে করছেন এ আসলে থ্রেট্ কল।
উনবিংশ শতকে ইতালির উত্তর প্রান্তের পো উপত্যকায় ধান জমির আগাছা নিড়ানোর কাজ করতে গিয়ে সে অঞ্চলের কৃষক রমনীদের সহ্য করতে হত অসহনীয় কষ্ট। কাদাজলে পা ডুবিয়ে,পোকা মাকড়ের কামড় সহ্য করে পিঠ বেঁকিয়ে অনেকটা ঝুঁকে তুলতে হতো আগাছা। বেত হাতে দাঁড়িয়ে থাকা মালিকের নজর এড়িয়ে এতটুকু বিশ্রামের জো ছিল না তাদের। সেই কৃষক রমনীরা এহেন কষ্ট আর অত্যাচারের বিরুদ্ধে জোট বাঁধতে যে গান বেঁধেছিল, সেই 'বেলা চাও' (Bella ciao) গানটিই পরবর্তী কালে লিরিক পাল্টে বিংশ শতাব্দীর চারের দশকে হয়ে উঠেছিল ফ্যাসিস্ত শক্তির বিরুদ্ধে বিদ্রোহের গান। তারপর থেকে যুগে যুগে যেখানেই অন্যায়, অত্যাচার আর দক্ষিণপন্থী প্রতিক্রিয়ার দাপট দেখা গেছে সেখানেই এ গান হয়ে উঠেছে মুক্তিকামী মানুষের প্রতিরোধের অস্ত্র। সাম্প্রতিক সময়ে ২০১৯ এর নভেম্বরে ইতালির দক্ষিনপন্থী শাসক সালভিনির বিরুদ্ধে পথে নেমেছিলেন সে দেশের লক্ষ মানুষ এই বেলা চাও গানকে হাতিয়ার করেই। অথবা ২০২০ র গোড়ায় আমাদের দেশে কেন্দ্রীয় সরকার যখন নাগরিকত্ব পঞ্জীকরণ এবং নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন চাপিয়ে দিতে চেয়েছে তখন গোটা দেশ উত্তাল হয়েছিল বেলা চাওয়ের সুরে। হিন্দিতে লেখা হয়েছিল "যবতক হ্যায় বাকি, সিনে মে দম/ গায়েঙ্গে এ জালিম ওয়াপস যাও / ফির লহরায়েঙ্গে, লাল গগন মেঁ / তেরে ইরাদোঁ কি খাক্ ওয়াপস যাও..."। এমনকি কৃষক স্বার্থ বিরোধী কৃষি বিল বাতিল করার দাবিতে দিল্লির সীমান্তে আজ দীর্ঘ তিন মাস ধরে বসে থাকা গণ আন্দোলনের এক অভূতপূর্ব নজির সৃষ্টিকারী কৃষকরাও লিখে ফেলেছেন বেলা চাওয়ের পাঞ্জাবী ভার্সান। বঙ্গ বিজেপি এহেন প্রতিবাদী গানের সুরেই বেঁধেছে তাদের ভোট প্রচারের গান - 'পিসি যাও যাও যাও। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে এমন সংগ্রামী ঐতিহ্য মন্ডিত একটি গানের সুরে পিসি যাওয়ের মত তরল কথা কি আদৌ মানায়! আর সেই কারনেই এ গান তেমন হিটও করে নি বাজারে। এতদিনে রিচ্ মাত্র হাজার পঁয়ত্রিশ।
দক্ষিণ আমেরিকা বা ইউরোপের প্রতিবাদীদের কায়দায় বাম যুবদের ফ্ল্যাশ মব এ বারের ভোটে আনকোরা নতুন আমদানি। শ্যামবাজার পাঁচমাথার মোড় হোক বা ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের সামনে এদিক সেদিক থেকে হঠাৎ কিছু যুবক যুবতী জড়ো হয়ে আলটপকা নানা শরীরী কসরৎ শুরু করে দিচ্ছে। তাদেরকে ঘিরে উপছে পড়ছে মানুষের ভিড়। আর তারপরেই বাজছে ব্রিগেডে যাওয়ার আহ্বান সম্বলিত গান। এহেন আদ্যন্ত আধুনিক প্রচার কৌশল, সন্দেহ নেই, নজর কেড়েছে সবারই। পাশাপাশি বামেরা কিন্তু গান বা স্লোগানের ডিজিটাল যুদ্ধেও এতটুকু পিছিয়ে নেই।
মাত্র দিন দশ-বারো আগে একটি চটুল আদিরসাত্মক গানের সুরে তরুন বাম ব্রিগেডের রাহুল-নীলাব্জদের অনবদ্য সৃষ্টি 'টুম্পা তোকে নিয়ে ব্রিগেড যাবো' গানটি নিয়ে যেমন মূল ধারার সংবাদ মাধ্যমে, তেমনই সোসাল মিডিয়ায় প্রবল ঝড় বয়ে চলেছে। একদল আবার গেলগেল রব তুলে বাম সংস্কৃতির 'জাহান্নম যাত্রা'র শোকে বুক চাপড়ে রীতিমত রুদালি বসিয়ে দিয়েছেন। তারা নাক সিঁটকে, কপালে একাধিক ভাঁজ ফেলে ঝুল বারান্দা মার্কা মুখ ক'রে এ গানের গায়ে সজোরে দেগেছেন slang তকমা। তবে মনে রাখা দরকার ইংরাজী Slang শব্দের মানে কিন্তু অশ্লীল নয়; বরং এ শব্দের অন্যতম অর্থ হ'ল, কোনো বিশেষ সামাজিক গোষ্ঠীর বিশেষ ভাষা যা অন্য অংশের মানুষের কাছে বোধহীন মনে হয় ("The specialized language of a social group, sometimes used to make what is said unintelligible to those not members of the group; cant.") অথবা প্রচলিত ব্যবহারের বাইরে কথ্য ভাষা ("Language outside of conventional usage and in the informal register.")। এই তথাকথিত slang এর সঙ্গে সব্বাইকে যে সংযুক্ত হতেই হবে এমন কোনো মাথার দিব্যি তো কেউ দেয় নি। কিন্তু যারা connect করতে পারছে তাদের কাছে ফর্মের সূত্র ধরে দিব্যি পৌঁছে যাচ্ছে বামপন্থী বিকল্প ভাষ্য। তাছাড়া মনে রাখা ভালো যে এ গান আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে তৈরি হওয়া সিপিআইএম-এর আগমার্কা গান নয়। এ গানের নির্মাতা কিছু অল্প বয়সী ছেলে।জনপ্রিয় একটি গানের ফর্মকে কাজে লাগিয়ে এ গানে যে ভাবে অত্যন্ত কাজের কথা গুলো শোনানো হয়েছে তা করতে গেলে, সন্দেহ নেই যথেষ্ট এলেম লাগে। এই ফর্মের কারনেই দরকারি কথাগুলো দাবানলের মত গ্রাম-শহরে এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে যে ডিজিটাল রিচের হিসাবে এ গান ইতিমধ্যেই বহু আগে তৈরি হওয়া তৃনমূলের খেলা হবে স্লো-গানের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলতে শুরু করেছে। এক সময় 'ভাদর আশ্বিন মাসে ভ্রমর বসে পাকা বাঁশে / আর না যাইয়ো বাপের ঘরে ও বঁধূরে' - এই ঝুমুর গানের সুরেই তো বাঁধা হয়েছিল সেই 'আর না যাইবো তোমার ঘরে ও মহাজনে'র মত কালজয়ী গণসঙ্গীত।
বামেদের এই দুঃসময়েও একঝাঁক কম বয়সী প্রত্যয়দীপ্ত ছেলেমেয়ে যদি স্রোতের বিপ্রতীপে হেঁটে জনপ্রিয় চটুল টুম্পার আঙ্গিকে বামপন্থী বিকল্পের ভাষ্য বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চায় এবং অভূতপূর্ব দক্ষতায় সেটা এমন সাফল্যের সঙ্গে যদি ক'রে উঠতেই পারে তাহলে তাদের অহেতুক নিন্দামন্দ ক'রে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক ভাবে 'তবে কি এবার সানি লিওনি কে নিয়েই নেমে পড়বে নাকি এরা' জাতীয় অবান্তর প্রশ্ন না তুলে বরং তাদের পাশে দাঁড়ানোই ভাল বোধহয়। চলার পথে প্রতিস্পর্ধায় ভেঙ্গে-গড়ে নতুন পথের সন্ধান করুক না তারা নিজেদের মত ক'রে! এইটুকু স্পেস্ বোধহয় দাবি করতেই পারে প্রজন্ম! য় বামপন্থীদের পক্ষে। কেউ কেউ অবশ্য টুম্পাকেই কেনঘুড়ি হতে হবে সে প্রশ্ন তুলে এ গানে খুঁজেছেন পুরুষতান্ত্রিকতার হালকা ছোঁয়া। তবে সে যাই হোক, সন্দেহ নেই টুম্পা তোকে নিয়ে ব্রিগেড যাবো এ রাজ্যের বেকার যুবকদের কাছে এই মুহূর্তে সব থেকে জনপ্রিয় রাজনৈতিক সঙ্গীত। এতটাই জনপ্রিয় যে রাজ্যের নানা প্রান্তে সরস্বতী পূজার ভাসানেও বাজতে শোনা গেছে এই গান। আসলে এ গান কাজের খোঁজে দিশেহারা যুবক যুবতীদের ঘর বাঁধার ইচ্ছাকে মর্যাদা দিতে জোট বাঁধার প্রয়োজনীয়তার তাগিদকে হয়তো জাগিয়ে তুলেছে। এ গানের কথা তাই হয়ে উঠেছে তাদের হৃদয়ের কথা। যাকে বলে সহৃদয় হৃদয় সম্বাদী। অবশ্য ঠিক কতটা আলোড়িত হয়েছে যুবমন তার প্রমান মিলবে আঠাশের ব্রিগেডেই।
সব মিলিয়ে ক্রমশঃ জমে উঠছে নির্বাচনী প্রচার-যুদ্ধ। বলাই বাহুল্য এখনও পর্যন্ত প্রচারে বহু অর্থ ব্যয় করা বিজেপি বা তৃনমূলের তুলনায় উদ্ভাবনী ভাবনার নিরীখে এগিয়ে আছে বামেদের তরুন ব্রিগেডই।
We hate spam as much as you do