অন্তিম ওভারে ম্যাচের উন্মাদনা অন্য মাত্রা নেয়। জিততে হলে করতে হবে ৭ রান। এমতাবস্থায় শ্যাম কুরান ফিরিয়ে দেন সেট হয়ে যাওয়া গিলকে। তবে ঠান্ডা মাথায় স্কুপ করে প্রয়োজনীয় ৪ রান তুলে দেন রাহুল তেওটিয়া।
IPL -2023 ফাইনাল ওভারে গুজরাট টাইটান্সের জয়
উত্থান দাস
১৪ এপ্রিল - ২০২৩
মোহালি - জয়ের সরণীতে ফিরে এল গুজরাট টাইটান্স। ঘরের মাঠ বীন্দ্র স্টেডিয়ামে শেষ ওভারে রুদ্ধশ্বাস জয় আদায় করে নিলেন শুভমান গিল, রাহুল তেওটিয়ারা। প্রথমে ব্যাট করে ১৫৩ তোলে পাঞ্জাব। রান তাড়া করতে নেমে, শুরু থেকেই ম্যাচের রাশ হাতে নিয়ে নেয় গুজরাট। সৌজন্যে শুভমান গিল ও ঋদ্ধিমান সাহার ভয়ডরহীন ব্যাটিং। দুজনের ব্যাট থেকেই একের পর এক শট বাউন্ডারিতে আছড়ে পড়ে। বিশেষ করে বলতেই হয় বঙ্গ তনয় ঋদ্ধিমান সাহার কথা। নিজের পুরোনো দলের বিরুদ্ধে এদিন যেন বাড়তি প্রেরণা নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন পাপালি। দুজনের পার্টনারশিপ যখন প্রায় ৫০ ছুঁয়ে ফেলেছে, তখনই প্রথম ঝটকাটা দেন কাগিসো রাবাডা। প্রসঙ্গত, এটি তাঁর আইপিএলের ১০০ তম উইকেট।
ঋদ্ধিমান সাহা প্যাভিলীয়নে ফেরার পর ম্যাচের রাশ হাতে নেন নবাগত সাই সুদর্শন। ঋদ্ধির মতোই গিলকে যোগ্য সঙ্গত করেন সাই। ১০ ওভার শেষে গুজরাটের স্কোর দাঁড়ায় - ৮০/১। সাই ফিরে যাওয়ার পর অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া নামেন। তবে ক্রিজে বেশীক্ষণ টিকে থাকতে পারেননি তিনি। সাইকে ও হার্দিককে যথাক্রমে ফেরান অর্শদ্বীপ সিং ও হরপ্রীত ব্রার। একা কুম্ভ হয়ে লড়ে যান শুভমান গিল। ৪ মেরে নিজের অর্ধ শতরান পূর্ণ করেন প্রাক্তন নাইট। অন্তিম ওভারে ম্যাচের উন্মাদনা অন্য মাত্রা নেয়। জিততে হলে করতে হবে ৭ রান। এমতাবস্থায় শ্যাম কুরান ফিরিয়ে দেন সেট হয়ে যাওয়া গিলকে। তবে ঠান্ডা মাথায় স্কুপ করে প্রয়োজনীয় ৪ রান তুলে দেন রাহুল তেওটিয়া।
এদিন টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন গুজরাট অধিনায়ক পান্ডিয়া। দ্বিতীয় বলেই প্রভসিমরণ সিংয়ের উইকেট তুলে নেন মহম্মদ সামি। তিনি আউট হয়ে যাওয়ার পর পাঞ্জাব ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান ম্যাথিউ শর্ট ও পাঞ্জাব অধিনায়ক শিখর ধবন। ধবন যখন ক্রিজে জাঁকিয়ে বসেছেন তখনই দ্বিতীয় ঝটকাটা দেন যশ লিটল। আইরিশ পেসারের বলে ধবন ফিরে যাওয়ার পর শক্ত হাতে হাল ধরেন শর্ট
পাওয়ার প্লের পূর্ণ সদ্ব্যবহার করে ৬ ওভার শেষে দলকে ৫২ রানে পৌঁছে দেন। ৩৬ রানের মাথায় রশিদ খানের বলে আউট হন তিনি। আফগান স্পিনারের অসাধারণ গুগলি ধরতেই পারেননি শর্ট। এরপর জিতেশ শর্মা ও ভাণুকা রাজাপক্ষ লড়াই চালিয়ে যান। তাঁদের ৩৭ রানের পার্টনারশিপ হার্দিক পান্ডিয়ার ডিআরএস ডাকে শেষ হয়ে যায়। মোহিত শর্মার বলে কট বিহাইন্ড হন জিতেশ। প্রসঙ্গত, এদিনই গুজরাটের হয়ে অভিষেক হল মোহিতের। ১৯তম ওভারে শ্যাম কুরানকেও ফেরান মোহিত। অন্তিম ওভারে ১১ রান তোলে পাঞ্জাব। ঋদ্ধিমান সাহার দুটি অসাধারণ রান আউটের সৌজন্যে ১৫৩ রানেই আটকে যান ধবরা।
We hate spam as much as you do