Tranding

02:54 PM - 04 Feb 2026

Home / National / তিন দফা ভোটের পর শেয়ার বাজারে ধস মোদির ফেরার গ‍্যারান্টি নেই

তিন দফা ভোটের পর শেয়ার বাজারে ধস মোদির ফেরার গ‍্যারান্টি নেই

অতীতে দেখা গিয়েছে, ভোটপর্বে শেয়ার বাজার যখনই নিম্নমুখী হয়েছে, তখনই পতন ঘটেছে শাসকের। তাই আতঙ্কিত বিজেপি। ভোটপর্ব শুরু হওয়ার আগে নরেন্দ্র মোদি যতটা আত্মবিশ্বাসী ছিলেন, এখন তিনি এবং তাঁর দল ততটাই টালমাটাল। ইন্ডিয়া এনএসই ভোলাটাইলিটি ইনডেক্সেরও ইঙ্গিত, আসন কমতে চলেছে বিজেপির।

তিন দফা ভোটের পর শেয়ার বাজারে ধস মোদির ফেরার গ‍্যারান্টি নেই

তিন দফা ভোটের পর শেয়ার বাজারে ধস মোদির ফেরার গ‍্যারান্টি নেই 


রবিবার ১২ মে ২০২৪

 

 এখন আর কেউ অব কি বার ৪০০ পার বলছে না বরং যথেষ্ট সন্দেহের মধ্যে আছে বিজেপি গরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারবে তো? এই ধন্দ খোদ শিল্পমহলের। সবচেয়ে বড় কথা, ভোটপর্ব চলাকালীন এই সংশয় দেখা যাচ্ছে ব্যবসায়ী ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে। দশ বছর ধরে বিরোধীরা লাগাতার দাবি করে এসেছে, মোদি সরকার আসলে কর্পোরেট-বন্ধু। সেই ‘বন্ধু’রাই এমন সন্দেহ প্রকাশ করায় নড়েচড়ে বসেছে দিল্লির দরবার। তৃতীয় দফার শেষে ভোটদানের যা লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, তার জেরেই এই ইঙ্গিত নয় তো? আর এই সংশয়েরই প্রভাব পড়ছে শেয়ার বাজারে। একের পর এক সমীক্ষক ও বিশ্লেষকের ব্যাখ্যা, বিজেপির আসন কমে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। অন্তত রাজ্যগুলির ফিডব্যাক তেমনই। এতে কেমন পরিস্থিতি তৈরির সম্ভাবনা? হয় কম আসনের দুর্বল সরকার, অথবা শাসক বদল। ফলে রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব পড়ছে শেয়ার বাজারে। 
সমাজ, রাজনীতি, অর্থনীতি এবং বাণিজ্যের গতিপ্রকৃতির পূর্বাভাস দেয় যে কোনও দেশের শেয়ার বাজার। নজিরবিহীন, রকেটের গতিতে উত্থানের পর আচমকা শেয়ার বাজার নিচে আসতে লাগল। ঠিক ভোটপর্বের মাঝে। আভাস পাওয়া যাচ্ছিল কয়েকদিন ধরেই। কিন্তু তৃতীয় দফার পর বৃহস্পতিবার শেয়ার বাজারে রীতিমতো ধস নেমেছে। দিনভর কখনও ৮০০ পয়েন্ট, কখনও ৯০০ পয়েন্ট এবং অবশেষে হাজার পয়েন্টও নেমে গেল সেনসেক্স। একদিনেই সাড়ে ৬ লক্ষ কোটি টাকার লোকসান হয়েছে লগ্নিকারীদের। এরই মধ্যে বিদেশি আর্থিক সংস্থাগুলি হঠাৎ ভারতের শেয়ার বাজারে লগ্নি করা অর্থ (এফআইআই) তুলে নিতে শুরু করেছে। বুধবারই সাড়ে ৬ হাজার কোটির বিদেশি লগ্নি প্রত্যাহার হয়েছে। আর তাতে আতঙ্ক আরও বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০১৯ সালের তুলনায় পরপর তিনটি দফায় ভোটদানের হার কমে যাওয়ায় চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে ফলাফল নিয়ে। অতীতে দেখা গিয়েছে, ভোটপর্বে শেয়ার বাজার যখনই নিম্নমুখী হয়েছে, তখনই পতন ঘটেছে শাসকের। তাই আতঙ্কিত বিজেপি। ভোটপর্ব শুরু হওয়ার আগে নরেন্দ্র মোদি যতটা আত্মবিশ্বাসী ছিলেন, এখন তিনি এবং তাঁর দল ততটাই টালমাটাল। ইন্ডিয়া এনএসই ভোলাটাইলিটি ইনডেক্সেরও ইঙ্গিত, আসন কমতে চলেছে বিজেপির। সেটা হলেও একক সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার কিছুতেই হবে না। আর ইন্ডিয়া জোট সহ রাহুল গান্ধীদের দাবি মতো  তা ২০০’র নীচে নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। তা যদি হয় তা অবশ্যই কর্পোরেট মহলকে অবস্থান বদলাতে বাধ‍্য করবে বলে ওয়াকিবহাল মহলের ধারনা।

Your Opinion

We hate spam as much as you do