করোনা ভ্যাকসিনের নানারকম কোম্পানির ভিন্ন দাম নিয়েও কেন্দ্রের জবাব তলব করল সুপ্রিম কোর্ট। ভ্যাকসিনের দামের ভিত্তি কী? ওষুধের পরিস্থিতিই বা কী? কেন্দ্রের কাছে এ সব তথ্য জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট ।
ভ্যাকসিনের নানারকম দাম কেন ? সুপ্রিম কোর্ট জানতে চায় কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে। আবার মানুষের জীবন সংকটে গনতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ শীর্ষ আদালত।
কেন্দ্রীয় সরকারকে কড়া ভাষায় বার্তা দিলেন সুপ্রিম কোর্ট । আজ তীব্র অক্সিজেন সঙ্কট ও করোনা পরিস্থিতি নিয়ে এক মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, মানুষের প্রাণ বাঁচানোর জন্য দরকার মনে করলে আদালত হস্তক্ষেপ করবে।
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় জানান, এটা জাতীয় বিপর্যয়। এখন রাজনীতির কাজিয়ার সময় নয়। এখন সকলের উচিত দেশের পাশে দাঁড়ানো।
এদিন সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়, এল নাগেশ্বর রাও ও রবীন্দ্র ভাটের বেঞ্চে ছিল সেই মামলার শুনানি। আর সেখানে সুপ্রিম কোর্টের তরফে বলা হয়, পুরো পরিস্থিতি ওপর নজরদারি চালানোর জন্য হাইকোর্টের ভূমিকা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ রাজ্যগুলির পরিস্থিতি তারা অনেক কাছ থেকে দেখছে। কিন্তু তাই বলে সুপ্রিম কোর্ট চুপ করে বসে থাকবে না বলে জানিয়েছেন বিচারপতিরা।
পাশাপাশি, করোনা ভ্যাকসিনের নানারকম কোম্পানির ভিন্ন দাম নিয়েও কেন্দ্রের জবাব তলব করল সুপ্রিম কোর্ট।
ভ্যাকসিনের দামের ভিত্তি কী? ওষুধের পরিস্থিতিই বা কী? কেন্দ্রের কাছে এ সব তথ্য জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট ।
পাশাপাশি, করোনা মোকাবিলা নিয়ে কেন্দ্রের পরিকল্পনাও জানতে চায় আদালত। ‘ভ্যাকসিনেশনই কি করোনা মোকাবিলার একমাত্র উপায়? ‘সঙ্কট মোকাবিলায় কেন্দ্রের জাতীয় পরিকল্পনা কী?’ সলিসিটর জেনারেলের কাছে জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট।
এর আগে, গতকাল, নির্বাচন কমিশনকে তুলোধনা করেছিল মাদ্রাজ হাইকোর্ট। মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ বলে, করোনা বিধি উড়িয়ে যখন রাজনৈতিক নেতারা প্রচার করছিলেন, তখন তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি নির্বাচন কমিশন। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জন্য একমাত্র দায়ী তারাই। এই পরিস্থিতির জন্য কমিশনের অফিসারদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু হওয়া উচিত।
মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ হুঁশিয়ারির সুরে বলে, ২ মে গণনার দিন কোভিড প্রোটোকল পালন করার বিষয়ে নির্দিষ্ট ব্লু প্রিন্ট জমা দিতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।
তা না হলে, ভোটগণনা স্থগিত করে দেওয়া হবে। আপনাদের জন্য সাধারণ মানুষকে ভোগান্তি শিকার হতে দেব না।
মাদ্রাজ হাইকোর্টের এই হুঁশিয়ারির পরের দিনই এবার নড়েচড়ে বসল নির্বাচন কমিশন। যে পাঁচ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোট হয়েছে, ভোটের ফল ঘোষণার পর বিশেষ পদক্ষেপ করার জন্য নির্বাচনী আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।
কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, ২ মে ফল ঘোষণার দিন কোনও বিজয় মিছিল করা যাবে না। রিটার্নিং অফিসারের কাছে সার্টিফিকেট নিতে যাওয়ার সময়, জয়ী প্রার্থীর সঙ্গে সর্বাধিক ২ জন থাকতে পারবেন।
We hate spam as much as you do