ঘটনাটি ঘটেছে দিল্লি-হরিয়ানা সীমানায়। হরিয়ানার বাহাদুরগড়ের টিকরি এলাকা যেখানে কেন্দ্রের প্রণীত তিন কৃষিবিল প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষব্ধ কৃষকরা গত ১১ মাস ধরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। জানা গিয়েছে, দিল্লি-হরিয়ানা সীমান্তে কৃষকদের বিক্ষোভস্থলের কাছে একটি দ্রুতগামী ট্রাক একটি ডিভাইডারের উপর দিয়ে চলে যায়। যার ফলে তিন মহিলার মৃত্যু হয়। ট্রাকটি ধাক্কা দেওয়ার সময় ওই মহিলারা ডিভাইডারে বসে অটোরিকশার জন্য অপেক্ষা করছিলেন।
উত্তরপ্রদেশের পর হরিয়ানার ট্রাকের চাকা পিষে দিল তিন বিক্ষোভকারী কৃষক মহিলাকে, তোলপাড় দেশ
চলন্ত ট্রাক পিষে দিন তিন কৃষিজীবি মহিলাকে। ঘটনায় আহত তিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। নিকটবর্তী হাসপাতালে তাঁদের ভর্তি করা হয়েছে। নারকীয় এই ঘটনাটি ঘটে ঝাঁঝার রোডে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ছটা নাগাদ। মৃতেরা পাঞ্জাবের মানসা জেলার বাসিন্দা। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বিশাল পুলিশবাহিনী সেখানে পৌঁছলে শুরু হয় বিক্ষোভ। ঘাতক ট্রাকের চালক পলাতক। তাঁর খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি।
পুলিশ সূত্রে পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, এই মৃত ও আহত তিন অন্নদাত্রী কৃষক আন্দোলনের সদস্য। বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ি ফেরার জন্য অটো ধরবেন বলে বসেছিলেন ঝাঁঝার রোডের ফ্লাইওভারের কাছে একটি ডিভাইডারের ওপর। দূরন্ত গতিতে আসা একটি ট্রাক তিনকে চাকায় পিষে দেয়। ট্রাকের ধাক্কায় বাকি তিন কয়েক ফুট উঁচুতে উঠে ছিটকে পড়ে। সাতসকালের এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শীরা আঁতকে ওঠেন। খবর পেয়ে সেখানে জড়ো হন শতাধিক কৃষক। পৌঁছে যায় বিশাল পুলিশবাহিনী। পুলিশ পৌঁছল তাদের ঘিরে শুরু হয় কৃষক-বিক্ষোভ।
যোগী রাজ্যের লখিমপুর খেরিতে চার কৃষক সহ আটজনের মৃত্যু হয়েছিল চলতি মাসের ৩ তারিখে। উত্তরপ্রদেশে SUV গাড়ির ধাক্কায় চার কৃষকের মৃত্যুর পর এবার হরিয়ানায় কৃষকদের বিক্ষোভস্থলের কাছে ট্রাকের ধাক্কায় বিক্ষোভরত তিন মহিলার মৃত্যু হয়েছে। দ্রুত গতিতে আসা ওই ট্রাক মহিলা কৃষকদের পিষে দেয় বলেই জানা গিয়েছে। সেই ঘটনা নিয়েই উঠছে একাধিক প্রশ্ন।
এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে দিল্লি-হরিয়ানা সীমানায়। হরিয়ানার বাহাদুরগড়ের টিকরি এলাকা যেখানে কেন্দ্রের প্রণীত তিন কৃষিবিল প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষব্ধ কৃষকরা গত ১১ মাস ধরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। জানা গিয়েছে, দিল্লি-হরিয়ানা সীমান্তে কৃষকদের বিক্ষোভস্থলের কাছে একটি দ্রুতগামী ট্রাক একটি ডিভাইডারের উপর দিয়ে চলে যায়। যার ফলে তিন মহিলার মৃত্যু হয়। ট্রাকটি ধাক্কা দেওয়ার সময় ওই মহিলারা ডিভাইডারে বসে অটোরিকশার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, ট্রাকের ধাক্কা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দুই মহিলার মৃত্যু হয়। একজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে আরও একজনের মৃত্যু হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে তিন মহিলাকা চাপা দেওয়ার পরেই ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত ট্রাকচালক। তার খোঁজেই তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। কিভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল তার তদন্ত শুরু করেছে হরিয়ানা পুলিশ। উত্তরপ্রদেশের ঘটনার মত হরিয়ানার ঘটনার পিছনে কোনও কারণ আছে কিনা তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। পুলিশ জানিয়েছে অভিযুক্ত ব্যক্তি গ্রেফতার হলেই সমস্ত কিছু জানা যাবে। তবে ট্রাকটি ধাক্কায় মৃত্যু নিয়ে আলোচনা থামতে চাইছে না কারণ যোগী রাজ্যের কৃষক মৃত্যুর ঘটনা গ্রেফতার করা হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রীর ছেলেকে। বলা ভালো কেন্দ্রের সঙ্গে কৃষকদের বিবাদের মধ্যেই এই ধরনের ঘটনা স্বাভাবিক ভাবেই একাধিক বিসয়ের দিকে আঙ্গুল তুলে দিচ্ছে।
অন্যদিকে, দিল্লি-হরিয়ানা সীমানায় এই ঘটনা নিয়ে দুখঃপ্রকাশ করে টুইট করেছেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নি। লিখেছেন, “হরিয়ানার বাহাদুরগড়ের টিকরি বর্ডারের কাছে ট্রাকের ধাক্কায় ৩ জন মহিলা কৃষক নিহত এবং আরও দু’জন আহত হওয়ার হৃদয়বিদারক খবর। এই মর্মান্তিক ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত। তাদের আত্মা শান্তিতে থাকুক এবং হরিয়ানা পুলিশকে অভিযুক্তদের খুঁজে বের করে কারাগারে রাখার জন্য অনুরোধ করছি।”
We hate spam as much as you do