Tranding

05:07 PM - 13 May 2026

Home / Education / যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সকালবেলাই মাঠে RSS এর শরীরচর্চা শুরু

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সকালবেলাই মাঠে RSS এর শরীরচর্চা শুরু

রাজ্যে পালা বদলের পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী সংগঠন পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী পরিষদ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। গত সপ্তাহেই সংগঠনের সদস্যেরা ঘোষণা করেছিলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় এখন রাষ্ট্রবাদীদের দখলে’। এক সপ্তাহের মধ্যে প্রভাত শাখার কর্মসূচি সেই কর্মকাণ্ডে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে বলেই দাবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সকালবেলাই মাঠে RSS এর শরীরচর্চা শুরু

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সকালবেলাই মাঠে RSS এর শরীরচর্চা শুরু 

 ১২ মে ২০২৬ 


রাজ্যে ঘটেছে পালাবদল। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এক প্রচারসভায় এসে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিজেপি-র সরকার গঠন হওয়ার আগেই বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষ জমায়েতের আয়োজন করেছিল বিজেপি-র কর্মচারী সংগঠন। এ বার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হল রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের কার্যক্রম।

 

মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের প্রভাত শাখা তাদের কার্যক্রম শুরু করল। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রের খবর, এই প্রথম ক্যাম্পাসের ভিতরে এমন কোনও কর্মসূচি পালন করল আরএসএস। মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে যোগাসন এবং বিভিন্ন শারীরিক কসরতে যোগ দেন আরএসএস-এর প্রভাত শাখার কর্মকর্তারা। তাঁরা সকলেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী।

রাজ্যে পালা বদলের পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী সংগঠন পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী পরিষদ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। গত সপ্তাহেই সংগঠনের সদস্যেরা ঘোষণা করেছিলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় এখন রাষ্ট্রবাদীদের দখলে’। এক সপ্তাহের মধ্যে প্রভাত শাখার কর্মসূচি সেই কর্মকাণ্ডে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে বলেই দাবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ।


কর্মচারী সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক পলাশ মাজি জানান, এই শাখার এখনও নাম করণ হয়নি। মনে করা হচ্ছে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শাখার নামকরণ করা হতে পারে ঋষি অরবিন্দের নামানুসারে।


গত ৬ মে বিজেপি সমর্থিত পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী পরিষদের সদস্যেরা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরেই এক সমাবেশের আয়োজন করে। অরবিন্দ ভবনের গাড়ি বারান্দার কাছে আয়োজিত ওই জমায়েত থেকে ওঠে হিন্দুত্ববাদী স্লোগান। উগ্র বামপন্থাকে উৎখাত করার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়। সে দিনই সদস্যেরা ঘোষণা করেছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরে অতি বামপন্থাকে সক্রিয় হতে দেবেন না। বরং জাতীয়তাবাদী ভাবধারা নিয়েই এই বিশ্ববিদ্যালয় চলবে।

ইতিমধ্যেই গোটা ক্যাম্পাসে বিজেপি সমর্থকদের সক্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছর থেকে ক্যাম্পাসের ভিতরে রামনবমী উদ্‌যাপনও চলছে। আর তা নিয়ে চলছে পড়ুয়াদের মধ্যে মতান্তরও। সোমবার ক্যাম্পাসের ভিতরে একটি মিছিলও হয় বিজেপি সমর্থিত কর্মী সংগঠনের তরফে।

কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে আরএসএস-এর শাখা খুলতে কি কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়া হয়েছে? পলাশ বলেন, “এ ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের প্রয়োজন হয় না। সঙ্ঘের অনুমোদন নিয়েই এই কাজ শুরু হয়েছে।”

এ বিষয়ে অবশ্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানা যায়নি। ফোনে যোগাযোগ করা যায়নি উপাচার্য বা রেজিস্ট্রারের সঙ্গেও।

Your Opinion

We hate spam as much as you do