স্থানীয় সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, মধ্যমগ্রামে একটি বিরিয়ানি দোকানের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন চন্দ্রনাথ। তাঁর গাড়ি দোহারিয়ার সামনে এসে দাঁড় করানো হয়। এমন সময় পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে তাঁর উপর ৪ রাউন্ড গুলি চালানো হয়। তিনটে গুলি তাঁর শরীরে লেগেছে। ঘটনাস্থলেই মারা যান চন্দ্রনাথ।
ভয়ংকর অরাজকতা ! শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক গুলিতে খুন, তদন্তের দাবী
07 May 2026
ভোটযুদ্ধ মিটতে না মিটতেই ভয়ঙ্কর ঘটনার সাক্ষী রইল গোটা বাংলা। ভবানীপুর আসন থেকে জয়ী বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনায় মধ্যমগ্রাম রীতিমতো উত্তাল হয়ে উঠেছে। অধিকাংশ বিজেপি সমর্থক জানিয়েছেন, এই ঘটনার পিছনে তৃণমূল কংগ্রেসের হাত রয়েছে। তবে এবার তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। সেখানে এই ঘটনার রীতিমতো নিন্দা করা হয়েছে।
তৃণমূল কংগ্রেস তাদের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডল এক্স-য়ে একটি বিবৃতি পোস্ট করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, 'আজ রাতে মধ্যমগ্রামে চন্দ্রনাথ রথকে হত্যা করা হয়েছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের আমরা তীব্র ধিক্কার জানাই। পাশাপাশি, আদর্শ আচরণবিধি বলবৎ থাকা সত্ত্বেও নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর গত তিনদিন ধরে বিজেপি-র মদতপুষ্ট দুষ্কৃতিরা যেভাবে তিনজন তৃণমূল সমর্থককে হত্যা করেছে, সেই ঘটনারও প্রতিবাদ করছি।'
ওই বিবৃতিতে আরও যোগ করা হয়েছে, 'এই ঘটনার বিরুদ্ধে কঠোরতম পদক্ষেপ গ্রহণ করার দাবি জানাচ্ছি। পাশাপাশি, আদালতের তত্ত্বাবধানে একটা সিবিআই তদন্ত যেন করা হয়, যাতে দুষ্কৃতীদের সঠিকভাবে চিহ্নিত করা যায়। বিচার ব্যবস্থায় যেন কোনও দেরি না হয়। এই ধরনের হিংসা এবং রাজনৈতিক হত্যার কোনও স্থান আমাদের গণতন্ত্রে নেই। যত দ্রুত সম্ভব দোষীকে গ্রেফতার করা উচিত।'
বামপন্থীদের তরফ থেকে এই নৃশংস খুনের তীব্র নিন্দা করা হয়েছে। সিপিএমের সুজন চক্রবর্তী বলেন সবচেয়ে বড় কথা শুধু দল নয় একজন কমবয়সী ছেলের এই খুন পূর্ব পরিকল্পনার। এর যথাযথ তদন্ত হওয়া উচিত।
স্থানীয় সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, মধ্যমগ্রামে একটি বিরিয়ানি দোকানের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন চন্দ্রনাথ। তাঁর গাড়ি দোহারিয়ার সামনে এসে দাঁড় করানো হয়। এমন সময় পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে তাঁর উপর ৪ রাউন্ড গুলি চালানো হয়। তিনটে গুলি তাঁর শরীরে লেগেছে। ঘটনাস্থলেই মারা যান চন্দ্রনাথ। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি।
জানা গিয়েছে, চন্দ্রনাথের গাড়ি নাকি অনেকক্ষণ ধরেই অনুসরণ করা হচ্ছিল। তাঁর বুকের বাঁ দিকে দুটো গুলি লেগেছে। আর একটি গুলি লেগেছে পেটে। বিজেপি নেতৃত্বের একাংশ মনে করছেন, এই ঘটনার পিছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে। ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত। এই ঘটনায় চন্দ্রনাথের গাড়ির চালকও মারাত্মক জখম হয়েছেন। ব্যাপারটি নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে যথেষ্ট জলঘোলা হতে শুরু করেছে। হাসপাতালে হাজির হয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী, অগ্নিমিত্রা পাল, অর্জুন সিং।
We hate spam as much as you do