বিরোধীদের মনোনয়ন জমা না দিতে পারার অভিযোগে সরব হয়েছেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীও৷ তিনি বলেন, 'পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনে আছে কী হয়েছিল? গোটা রাজ্যে বিরোধীশূন্য জয় পেয়েছিল তৃণমূল৷ পুলিশ কাঠের পুতুল হয়েছিল৷ এবারেও তাই হবে৷'
ভোটের আগেই তৃণমূলের দখলে দুই পুরসভা! মনোনয়ন জমা না দিতে দেওয়ার অভিযোগ! সরব বিরোধীরা
দিনহাটা, বোলপুর, টাকি সহ রাজ্যের বহু পুরসভার একাধিক ওয়ার্ডে বিরোধী দলের প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি বলে অভিযোগ
১০৭টি পুরসভায় ভোটগ্রহণ ২৭ ফেব্রুয়ারি৷ কিন্তু মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিনেই রাজ্যের দু'টি পুরসভা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দখল করে ফেলল তৃণমূল কংগ্রেস
এ ছাড়াও দিনহাটা, বোলপুর, টাকি সহ রাজ্যের বহু পুরসভার একাধিক ওয়ার্ডে বিরোধী দলের প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি বলে অভিযোগ৷ তৃণমূল (TMC) শিবিরের অবশ্য দাবি, প্রার্থী খুঁজে না পেয়েই এমন অভিযোগ করছে বিরোধীরা৷
বীরভূমের সাঁইথিয়া পুরসভার ১৬টির মধ্যে ১৩টি ওয়ার্ডেই প্রার্থী দিতে পারেনি বিজেপি সহ বিরোধীরা৷ শুধুমাত্র তিনটি ওয়ার্ডে সিপিএম প্রার্থী দিয়েছে৷ ফলে ওই পুরসভায় ১৩টি ওয়ার্ডেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পাওয়ার পথে তৃণমূল৷ যার অর্থ সাঁইথিয়া পুরসভা দখলের পথে তৃণমূল৷
একই ভাবে দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার বজবজ পুরসভার কুড়িটির মধ্যে ১২টি ওয়ার্ডেই বিরোধীরা প্রার্থী দিতে পারেনি৷ ফলে ওই পুরসভাও কার্যত দখল করে নিল শাসক দল৷ উত্তরবঙ্গের কোচবিহারের দিনহাটা পুরসভার সাতটি ওয়ার্ডে বিরোধীরা মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি বলে অভিযোগ৷
এ দিনই মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল৷ মনোনয়ন প্রত্যাহার করার শেষ দিন ১২ ফেব্রুয়ারি৷ শেষ পর্যন্ত কটি ওয়ার্ড বা পুরসভা তৃণমূল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দখল করল, ১২ তারিখের পরই তা স্পষ্ট হবে৷
এর পাশাপাশি বোলপুর পুরসভার ২২টির মধ্যে ১৯টি ওয়ার্ডেই তাঁরা প্রার্থী দিতে পারেননি বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধীরা ৷
বিরোধীদের মনোনয়ন জমা না দিতে পারার অভিযোগে সরব হয়েছেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীও৷ তিনি বলেন, 'পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনে আছে কী হয়েছিল? গোটা রাজ্যে বিরোধীশূন্য জয় পেয়েছিল তৃণমূল৷ পুলিশ কাঠের পুতুল হয়েছিল৷ এবারেও তাই হবে৷'
বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, 'সর্বত্র মনোনয়ন জমা দেওয়া নিয়ে এসডিও, বিডিও-রা চূড়ান্ত অসহযোগিতা করছেন৷
We hate spam as much as you do