গত বুধবার সিংগু সীমান্তে বিক্ষোভকে ঘিরে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। গভীর রাত পর্যন্ত বিক্ষোভকারী কৃষকরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পুলিশকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়তে হয়। পুলিশ ও কৃষকদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়, এতে একজন ডিএসপি সহ অনেকে আহত হন।
কৃষক বিক্ষোভের দ্বিতীয় দিনে উত্তাল সিংগু সীমান্ত ব্যারিকেড ভাঙতেই কাঁদানে গ্যাস
February 15, 2024
গত পরশু সরকার ও কৃষকদের মধ্যে আলোচনা গভীর রাত পর্যন্ত চলে । যদিও তাতে মেলেনি কোন সমাধান সূত্র।
দিল্লিতে কৃষকদের বিক্ষোভের গতকাল দ্বিতীয় দিন। কৃষকরা আজ আবার দিল্লির উদ্দেশ্যে মিছিল করার চেষ্টা করছেন। সকাল থেকেই বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে দিল্লির সিংগু সীমান্ত। কৃষকদের লক্ষ্য করে কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে দিল্লি সীমান্তে প্রচুর পরিমাণে পুলিশ এবং আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ানদের মোতায়েন করা হয়েছে।
গত বুধবার সিংগু সীমান্তে বিক্ষোভকে ঘিরে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। গভীর রাত পর্যন্ত বিক্ষোভকারী কৃষকরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পুলিশকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়তে হয়। পুলিশ ও কৃষকদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়, এতে একজন ডিএসপি সহ অনেকে আহত হন।
গতকাল আবার ব্যারিকেড ভেঙে এগোতেই উড়ে এল টিয়ার গ্যাসের শেল, কৃষক-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধ
বিক্ষোভকারীদের আটকাতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সিংগু সীমান্তে পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন রয়েছে।
সরকার ও কৃষকদের মধ্যে আলোচনা গভীর রাত পর্যন্ত চলে । যদিও তাতে মেলেনি কোন সমাধান সূত্র। কৃষকরা প্রথমে দিল্লির কাছে সীমান্তে জড়ো হওয়ার এবং তারপর ভবিষ্যত কৌশল নির্ধারণ করার পরিকল্পনা করে। সরকার বলছে যে আলোচনা চলবে, অন্যদিকে কৃষকরাও আলোচনার জন্য প্রস্তুত।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর বলেছেন সরকার কৃষকদের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত। তিনি কৃষক নেতাদের আলোচনায় বসার আহ্বান জানান।
দিল্লি পুলিশ বিক্ষোভকারী কৃষকদের রাজধানীতে প্রবেশ আটকাতে সবরকমের প্রস্তুতি নিয়েছে। বিশেষ পুলিশ কমিশনার (আইন শৃঙ্খলা) রবীন্দ্র যাদব মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিংহু সীমান্ত পরিদর্শন করেছেন যেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অর্জুন মুন্ডা, কৃষকদের আন্দোলন নিয়ে কথা বলার সময়, বলেছেন যে কৃষকদের সঙ্গে দুদফা আলোচনাতেও সমস্যার সমাধান হয়নি। সমাধানের জন্য আরও আলোচনা প্রয়োজন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অর্জুন মুন্ডা বলেছেন যে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব। উপায় খুঁজে বের করতে প্রস্তুত সরকার।
MSP-এর জন্য আইনি গ্যারান্টি ছাড়াও, আন্দোলনকারী কৃষকরা স্বামীনাথন কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন, কৃষক ও কৃষি শ্রমিকদের জন্য পেনশন, কৃষি ঋণ মকুব, পুলিশ মামলা প্রত্যাহার, লখিমপুরী খেরি হিংসার শিকারদের বিচার, জমি অধিগ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। ২০১৩ সালের আইন এবং ২০২১ সালের আন্দোলনে নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণের দাবিও জানিয়েছেন কৃষক সংগঠনগুলি।
We hate spam as much as you do