২০১৭ সালের বিধানসভা ভোটে হিমাচল প্রদেশে বিজেপি পেয়েছিল ৪৫টি আসন। কংগ্রেস পায় ২০টি। সিপিআইএম একটি ও নির্দলের দখলে থাকে ২টি আসন। চলতি বছরের অগাস্টে কংগ্রেস বিধায়ক পবনকুমার কাজল ও লখবিন্দর সিং কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। কাজল কংগ্রেসের কার্যকরী কমিটির প্রধানের পদে ছিলেন। অনেকেই মনে করছিলেন এই বিধায়কদের বিজেপিতে যোগদান বিরোধী শিবিরকে বড় ধাক্কা দিল। কিন্তু আদতে তা হয় নি।
হিমাচলে বিজেপি সরকার হটিয়ে কংগ্রেস সরকার গঠনের পথে
Thursday, December 8, 2022,
হিমাচল প্রদেশের মোট ৬৮ আসনের মধ্যে কংগ্রেস পেয়েছে ৪০ টি, যা গতবারের তুলনায় ১৯টি বেশি। সমসংখ্যক আসন হারিয়ে বিজেপি জিতেছে ২৫ টি। ৩ কেন্দ্র জিতেছেন দুই প্রধান দলের বিক্ষুব্ধরা। প্রতি পাঁচ বছর শাসক বদলের যে ঐতিহ্য রাজ্যটি ধরে রেখেছিল, বিজেপির প্রবল প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তার অন্যথা হলো না। রাজ্যবাসী খারিজ করে দিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘ডাবল ইঞ্জিন’ তত্ত্ব। মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম ঠাকুর দুপুরেই জানিয়ে দেন জনতার রায় মেনে পদত্যাগ করছেন। কংগ্রেসের কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন, তা নিয়ে চলছে জোর জল্পনা। দাবিদার একাধিক। হিমাচল প্রদেশ জয় কংগ্রেসের পক্ষে যতটা মধুর, ততটাই শ্লাঘার বিষয় প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর। এবারের ভোটে তিনিই ছিলেন এ রাজ্যে দলের কান্ডারি।
হিমাচল প্রদেশের পরাজয় ঢাকতে বিজেপির চতুর্গুণ উদ্দীপনায় গুজরাট জয় উদ্যাপন করতে চলেছে।
কংগ্রেস হিমাচল প্রদেশে সরকার গড়লেও পুরো মেয়াদ চালাতে পারবে কি? প্রশ্নটা উঠছে। কারণ, সাম্প্রতিক অতীতে মণিপুর, গোয়া, কর্ণাটক, মধ্যপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্রে দলত্যাগ ঘটিয়ে বিজেপি সরকার গড়েছে। হিমাচলেও তার পুনরাবৃত্তি ঘটবে কি না, সেই প্রশ্ন ইতিমধ্যে উঠে গেছে যেহেতু বিজেপির বিরুদ্ধে বিধায়ক কেনা বেচার অভিযোগ কর্ণাটক মধ্যপ্রদেশে আছে।
হিমাচল প্রদেশে ১৯৫২ থেকে ১৯৭৭ অবধি ক্ষমতায় ছিল কংগ্রেস। ১৯৭৭ সালে সরকার গড়ে জনতা দল। ১৯৮২ সাল থেকে ১৯৯০ অবধি ফের সরকারে থাকে কংগ্রেস। ১৯৯০ সালে সপ্তম বিধানসভা নির্বাচনে সরকার গড়ে বিজেপি। ১৯৯৩ সালে ফের বিধানসভা নির্বাচন হয়। সেবার ক্ষমতায় ফেরে কংগ্রেস। ১৯৯৮ সালে নবম বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি সরকার গড়ে। ২০০৩ সালের ভোটে জেতে কংগ্রেস। কিন্তু ২০০৭ সালে বিধানসভা নির্বাচনে ফের সরকার গড়ে বিজেপি। ২০১২ থেকে ২০১৭ সাল অবধি হিমাচল প্রদেশের শাসনভার ছিল কংগ্রেসের দখলে। ২০১৭ সালে ত্রয়োদশ বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসকে হঠিয়ে ফের মসনদের দখল নেয় বিজেপি, মুখ্যমন্ত্রী হন জয়রাম ঠাকুর।
২০১৭ সালের বিধানসভা ভোটে হিমাচল প্রদেশে বিজেপি পেয়েছিল ৪৫টি আসন। কংগ্রেস পায় ২০টি। সিপিআইএম একটি ও নির্দলের দখলে থাকে ২টি আসন। চলতি বছরের অগাস্টে কংগ্রেস বিধায়ক পবনকুমার কাজল ও লখবিন্দর সিং কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। কাজল কংগ্রেসের কার্যকরী কমিটির প্রধানের পদে ছিলেন। অনেকেই মনে করছিলেন এই বিধায়কদের বিজেপিতে যোগদান বিরোধী শিবিরকে বড় ধাক্কা দিল। কিন্তু আদতে তা হয় নি।
We hate spam as much as you do