শক্তিশালী লখনৌ সুপার জায়ান্টসকে হেলায় উড়িয়ে দিয়ে জয়ের পয়েন্ট টেবিলে নিজেদের অবস্থান মজবুত করল গুজরাট টাইটেন্স। লখনৌকে তাদের ঘরের মাঠে ৭ রানে উড়িয়ে দিলেন মোহিত শর্মারা।
জয়ের সরণীতে গুজরাট, লখনৌএর বিরুদ্ধে রূদ্ধশ্বাস জয়
২৪ এপ্রিল ২০২৩
প্রথমে ব্যাট করে ১৩৬ রান তোলে গুজরাট। প্রসঙ্গত, প্রথম এগারোয় আলজারী জোসেফের জায়গায় নূর আহমেদকে নামানো হয়। তাঁর এই ম্যাচেই অভিষেক হল। দ্বিতীয় ওভারেই বড় ধাক্কা খায় গুজরাট। ক্রুনাল পান্ডিয়ার বলে রবি বিষ্ণই'র হাতে ধরা পড়েন শুভমান গিল। পাওয়ার প্লেতে মাত্র ৪০ রান ওঠে। এর সিংহভাগ কৃতিত্ব লখনৌ বোলারদের। তাঁদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং গোটা ম্যাচেই গুজরাট ব্যাটারদের মাথাচাড়া দিতে দেয়ননি
- শক্তিশালী লখনৌ সুপার জায়ান্টসকে হেলায় উড়িয়ে দিয়ে জয়ের পয়েন্ট টেবিলে নিজেদের অবস্থান মজবুত করল গুজরাট টাইটেন্স। লখনৌকে তাদের ঘরের মাঠে ৭ রানে উড়িয়ে দিলেন মোহিত শর্মারা।
এরপর শক্ত হাতে হাল ধরেন অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া ও ১৫০ তম আইপিএল ম্যাচ খেলতে নামা ঋদ্ধিমান সাহা। একদিকে হার্দিকের মারাকাটারি ব্যাটিং ইনিংস এগিয়ে নিয়ে চলে। অন্যদিকে বঙ্গতনয় ‘পাপালি’ মাটি কামড়ে পড়ে থেকে স্কোরবোর্ড সচল রাখেন।
৪৭ রান করে ক্রুনালের বলে আউট হন ঋদ্ধিমান। পরের ওভারেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন অভিনভ মনোহরও। অমিত মিশ্রর বলে ডিপে ধরা পড়েন তিনি। এরপর বিজয় শংকরকে ফিরিয়ে আইপিএলের প্রথম উইকেটটি ঝুলিতে পোরেন নবীন - উল - হক। ১৭ ওভার শেষে গুজরাটের স্কোর দাঁড়ায় ১০২/৪। একা কুম্ভ হয়ে লড়ে যান হার্দিক। অধিনায়োকোচিত ঢঙে আরও একটি অর্ধ শতরান হাঁকান তিনি। শেষ ওভারে মার্কাস স্টোইনিসের বলে আউট হওয়ার আগে দলকে সম্মানজনক জায়গায় পৌঁছে দেন। ফলে বিশ ওভার শেষে গুজরাট ৬ উইকেট হারিয়ে ১৩৬ রান তোলে।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা মন্দ করেনি লখনৌ। কে এল রাহুল ও কাইল মেয়ার্স'র ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের সুবাদে পাওয়ার প্লেতে বিনা উইকেটে ৫৩ রানে পৌঁছে যায় নিজামস'র শহর। এরপরই দুরন্ত প্রত্যাবর্তন করেন রশিদ খান। ব্যক্তিগত ২৪ রানের মাথায় আফঘান স্পিনারের বলে বোল্ড হন মেয়ার্স। এরপর রাহুলকে যোগ্য সঙ্গত করেন ক্রুনাল। ফলত, ১০ ওভার শেষে লখনৌয়ের স্কোর দাঁড়ায় ৮০/১। ১৪ তম ওভারে অর্ধ শতরানে পৌঁছে যান কে এল রাহুল। তার দলও তিন অংকে পৌঁছে যায়। ক্রিজের অপর প্রান্তে নূর আহমেদ ক্লিন বোল্ড করে দেন ক্রুনালকে। এরপর নিকোলাস পুরানও ফিরে যেতে লখনৌ শিবিরের রক্তচাপ বেড়ে যায়। শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ১২ রান। বর্ষীয়ান পেসার মোহিত শর্মা ক্রিজে সেট হয়ে যাওয়া রাহুল ও মার্কাস স্টোইনিসকে ফিরিয়ে দিয়ে জয় নিশ্চিত করেন।
We hate spam as much as you do