জো’বার্গেই ভারত সিরিজ জয়ের আশায় বুক বেঁধেছিল। হল না। হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফিরিয়ে আনল দক্ষিণ আফ্রিকা। ২৪০ রানের টার্গেট তাড়া করে দক্ষিণ আফ্রিকা ৭ উইকেটে জয় পেল বৃষ্টিভেজা ম্যাচে।
বিরাট বিহীন টেস্ট দলে ক্যাপ্টেন হয়েই হার হজম কেএল রাহুল এর
অতি লজ্জাজনক ব্যাটিং দেখা গেল ভারতের।ওয়ান্ডার্সে শেষ সেশনে নেমেই বাজিমাত দক্ষিণ আফ্রিকার।
ভারত: ২০২/১০, ২৬৬/১০
দক্ষিণ আফ্রিকা: ২২৯/১০, ২৪৩/১০
জো’বার্গেই ভারত সিরিজ জয়ের আশায় বুক বেঁধেছিল। হল না। হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফিরিয়ে আনল দক্ষিণ আফ্রিকা। ২৪০ রানের টার্গেট তাড়া করে দক্ষিণ আফ্রিকা ৭ উইকেটে জয় পেল বৃষ্টিভেজা ম্যাচে। প্রোটিয়াজদের দুর্ধর্ষ জয় এনে দিলেন ক্যাপ্টেন এলগার (৯৬ নট আউট)।
তৃতীয় দিনের শেষে ২ উইকেট হারিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা স্কোরবোর্ডে ১১৮ তুলে ফেলেছিল। শার্দূল ঠাকুর এবং রবিচন্দ্রন অশ্বিন একটি করে উইকেট নিয়েছিলেন। অধিনায়ক ডিন এলগারের সঙ্গে ক্রিজে অপরাজিত ছিলেন রাসি ভ্যান ডার ডুসেন। চতুর্থ দিন বৃষ্টিতে দুটো সেশন ধুয়ে গেলেও ভারতের হার আটকানো গেল না। প্রোটিয়াজদের স্মরণীয় জয় এনে দিলেন ক্যাপ্টেন এলগার ক্রিজ আঁকড়ে অপরাজিত হাফসেঞ্চুরি করে।
শামি বৃহস্পতিবার ভ্যান ডার ডুসেনকে (৪০) ফেরালেও তেম্বা বাভুমা (২৩) এলগারের সঙ্গে বাকি রান তুলে দেন।
ভারতের হারে খলনায়ক সেই ব্যাটিং। প্ৰথম টেস্টে কেএল রাহুলের দুর্ধর্ষ শতরান এবং শামি-বুমরা-সিরাজরা ভারতকে এগিয়ে দিয়েছিলেন। তবে ভারতের কুখ্যাত মিডল অর্ডার প্ৰথম টেস্টের মতই ভোগাল দ্বিতীয় টেস্টেও। ভারত প্ৰথম ইনিংসে খতম হয়ে গিয়েছিল মাত্র ২০২ রানে।
এরপরে শার্দূলের ৭ উইকেটে ভর করে ম্যাচে ফিরে এসেছিল ভারত। তবে দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটিং ভরাডুবিতে ভারত মাত্র ২৬৬-এ গুটিয়ে যায়। এরপরে ভারতের আর প্রত্যাবর্তন ঘটানো সম্ভব হলে না।
বিরাট বিহীন টেস্ট দলের প্ৰথমবার ক্যাপ্টেন হয়েই হার হজম করলেন অধিনায়ক কেএল রাহুল। কোচ দ্রাবিড়ও প্ৰথমবার টেস্টে পরাজয়ের স্বাদ পেলেন।
তৃতীয় টেস্টই আপাতত সিরিজের নির্ণায়ক হতে চলেছে।
We hate spam as much as you do