মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে জলপাইগুড়ি জেলা শাসক দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ঈশ্বরচন্দ্র রায় বলেন, ধুপগুড়ি বিধানসভা উপনির্বাচনে মানুষ বামফ্রন্টের পক্ষেই রায় দেবেন। মানুষ তৃণমূল বিজেপি দুই দলকে এই সময়কালে মানুষ দেখেছে। ধুপগুড়িতে দীর্ঘদিন বামেরা শক্তিশালী ছিল। ২০১১ বিধানসভা নির্বাচনে ও এই কেন্দ্রে জয়ী হয় বামফ্রন্ট মনোনীত সিপিআই(এম) প্রার্থী। পরবর্তীকালে গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে ব্লক স্তর সব স্তরে মানুষের অধিকার ছিনিয়ে নিয়ে জয়ী হয় তৃণমূল।
ধূপগুড়ি বিধানসভায় বাম-কংগ্রেস প্রার্থী ঈশ্বরচন্দ্র রায়
ধূপগুড়িতে বাম কংগ্রেস জোটের সাথেই তৃণমূলের লড়াই বিজেপির মাটি সরেছে
Aug 11, 2023
বিজেপি বিধায়ক বিষ্ণুপদ রায়ের মৃত্যুতে খালি হওয়া ধুপগুড়ি বিধানসভা উপনির্বাচনে কংগ্রেস ধূপগুড়িতেতে বাম প্রার্থীকে সমর্থন দিচ্ছে । এই কেন্দ্রে ঈশ্বরচন্দ্র রায়কে প্রার্থী করেছে সিপিআই (এম)। জলপাইগুড়ি লোকসভার অন্তর্গত এই বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হতে চলেছে ৫ সেপ্টেম্বর। ভোট গণনা ৮ সেপ্টেম্বর।
লোকসভা নির্বাচনের আগে বামেদের দিকে হাত বাড়িয়ে জোটের পথ মসৃণ করলেন অধীর চৌধুরীরা। মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি উপনির্বাচনে চমকপ্রদ জয়ের পর, এবার জোট রক্ষার স্বার্থ লড়ল না কংগ্রেস।
২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে ধূপগুড়ি কেন্দ্রে সেই সময়ের বিধায়িকা তৃণমূলের মিতালি রায়কে ৪ হাজার ৩৫৫ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে বিজেপির টিকিটে বিধায়ক হন। ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে সিপিএমের মমতা রায়কে ২০ হাজারের বেশী ভোটে হারিয়ে বিধায়ক হয়েছিলেন তৃণমূলের মিতালি রায়। ২০১১ বিধানসভায় গোটা রাজ্যে তৃণমূল জিতলেও ধূপগুড়ি ধরে রেখেছিল বামফ্রন্ট।
মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে জলপাইগুড়ি জেলা শাসক দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ঈশ্বরচন্দ্র রায় বলেন, ধুপগুড়ি বিধানসভা উপনির্বাচনে মানুষ বামফ্রন্টের পক্ষেই রায় দেবেন। মানুষ তৃণমূল বিজেপি দুই দলকে এই সময়কালে মানুষ দেখেছে। ধুপগুড়িতে দীর্ঘদিন বামেরা শক্তিশালী ছিল। ২০১১ বিধানসভা নির্বাচনে ও এই কেন্দ্রে জয়ী হয় বামফ্রন্ট মনোনীত সিপিআই(এম) প্রার্থী। পরবর্তীকালে গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে ব্লক স্তর সব স্তরে মানুষের অধিকার ছিনিয়ে নিয়ে জয়ী হয় তৃণমূল।
প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ধুপগুড়ি আসনে জয়ী হয়েছিল বিজেপি। স্থানীয় নির্বাচনী পর্যবেক্ষকদের অভিমত, এবার তাদের পালে হাওয়া নেই। মূল লড়াই হবে তৃণমূলের সঙ্গে সিপিআই(এম) প্রার্থীর। সেটা আঁচ করেই নির্বাচন ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে সিপিআই(এম)। কর্মীসভা করে প্রচারের প্রাথমিক কাজ অনেকটাই এগিয়ে রেখেছে তাঁরা।
রায়ের কথায়, ‘‘আমরা জয়ের বিষয়ে আশাবাদী। এ রাজ্যে তৃণমূল আর কেন্দ্রে বিজেপি সরকার মানুষকে তাঁর অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে। মানুষকে এই অধিকারই ফিরিয়ে দিতেই হবে।”
We hate spam as much as you do