গোটা ঘটনায় অভিযোগের আঙুল ওঠে শ্মশানের প্রধান পুরোহিত রাধেশ্যাম ও তার সাঙ্গপাঙ্গদের দিকে। কিন্তু তাঁরা নাবালিকার মাকে পুলিশে অভিযোগ দায়ের না করতে চাপ দেন বলে অভিযোগ। ময়নাতদন্ত হলে দেহের অঙ্গপ্রতঙ্গ চুরি করে নেওয়া হবে, এই ভয় দেখিয়ে কিছু টাকা দিয়ে নাবালিকার বাবা মায়ের মুখ বন্ধ করার চেষ্টা করা হয়।
দলিত নাবালিকা ধর্ষণ খুন দেহ জ্বালিয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে গন বিক্ষোভ
দিল্লির পুরোহিত নয় বছরের দলিত মেয়েকে 'ধর্ষণ-খুন করে দেহ জ্বালালো। গ্রেফতার করল পুলিশ |
ধর্ষন করে দেহ জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। নয় বছরের ঐ নাবালিকার পরিবারকে হুমকি দিয়েছে এক পুরোহিত। কারন যৌন লালসা ছিল তার। সমস্ত কীর্তি তার। এই অভিযোগ এলাকার বাসিন্দাদের
এই খুনের অভিযোগে উত্তাল হয়ে উঠেছে দিল্লি (Delhi)। খুন করার পর নির্যাতিতার পরিবারকে চাপ দিয়ে দেহ দাহ করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এক পুরোহিতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনার প্রতিবাদে পথে নামেন এলাকার বাসিন্দারা। নয় বছরের ওই নাবালিকার বাড়ি দিল্লির ক্যান্টনমেন্ট এলাকার পুরানা নাংলে। রবিবার সন্ধেয় শ্মশানের কুলার থেকে পানীয় জল আনতে যায় সে। তারপর আর ফেরেনি। পরিবারে দাবি, কয়েকজন এসে নাবালিকার মাকে শ্মশানে ডেকে নিয়ে যায়।
অভিভাবককে জানানো হয় বল খেলতে গিয়ে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মারা গেছে নাবালিকা। অভিযোগ মৃতের মাকে বোঝানো হয় মামলা দায়ের করলে ময়নাতদন্ত হবে। তাহলে তাঁর মেয়ের অঙ্গ চুরি করা হবে। তাই অবিলম্বে তার দেহ দাহ করে দেওয়া হোক।
গোটা ঘটনায় অভিযোগের আঙুল ওঠে শ্মশানের প্রধান পুরোহিত রাধেশ্যাম ও তার সাঙ্গপাঙ্গদের দিকে। কিন্তু তাঁরা নাবালিকার মাকে পুলিশে অভিযোগ দায়ের না করতে চাপ দেন বলে অভিযোগ। ময়নাতদন্ত হলে দেহের অঙ্গপ্রতঙ্গ চুরি করে নেওয়া হবে, এই ভয় দেখিয়ে কিছু টাকা দিয়ে নাবালিকার বাবা মায়ের মুখ বন্ধ করার চেষ্টা করা হয়।
চুপ থাকেননি নাবালিকার অভিভাবক। কিছুক্ষণে মধ্যেই প্রতিবেশীদের খবর দেওয়া হয়, তাঁরা ওই শ্মশান ঘিরে ফেলেন। পুলিশেও অভিযোগ দায়ের করে নাবালিকার পরিবার। দিল্লির দক্ষিণ-পশ্চিম জেলা পুলিশে এই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশের এক বরিষ্ঠ আধিকারিক জানিয়েছেন, রবিবার রাত সাড়ে ১০ টা তাঁদের কাছে একটি ফোন আসে। তারপরই ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে পুলিশবাহিনী। পকসো আইন ছাড়াও নানা কঠোর আইন প্রয়োগ করা হয়েছে আটক পুরোহিত ও তার শাকরেদদের বিরুদ্ধে। সঠিকভাবেই গনবিক্ষোভের ফলেই এটা হল।
We hate spam as much as you do