তৃণমূল এই মুহূর্তে সংসদের কাজে বিঘ্ন ঘটানোর পক্ষে নয়। তৃণমূল বলেছে, তারা সংসদের কাজে বিঘ্ন নয়, বিতর্ক চায়। লোকসভা কিংবা রাজ্যসভার অধিবেশনে পণ্ড হয়ে যাওয়াটা তারা পছন্দ করছেন না বলে জানিয়েছিলেন রাজ্যসভার তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়েন। তিনি বিরোধীদের একাংশকে নিশানা করে বলেছিলেন, সংসদের কাজে বিঘ্ন ঘটিয়ে, বিজেপিকেই সাহায্য করা হচ্ছে।
সংসদে বিরোধীদের আদানি সংক্রান্ত বৈঠকে ফের নেই তৃণমূল ! প্রশ্নের মুখে মমতা
February 13, 2023
ফের একবার সংসদে বিরোধীদের নীতি নির্ধারণ বৈঠকে অনুপস্থিত তৃণমূল কংগ্রেস। সপ্তাহ খানেক আগেও এই ধরনের বৈঠকে অনুপস্থিত ছিল তৃণমূল কংগ্রেস। বিরোধী বাম কংগ্রেস সেই সময় তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিজেপির স্বার্থপূরণের অভিযোগ করেছিল। জবাবে তৃণমূল বলেছিল, দল সংসদের কাজে বিঘ্ন নয়, বিতর্ক চায়।
বিরোধীদের বৈঠকে অনুপস্থিত তৃণমূল
এদিন সংসদের অধিবেশন শুরুর আগে রাজ্যসভায় বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খারগের ধরে তাদের নীতি নির্ধারণ করতে বৈঠকে বসে বিরোধীদলগুলি। এদিনের বৈঠকেও তৃণমূল ছিল অনুপস্থিত। তবে কংগ্রেস, এনসিপি, আম আদমি পার্টি, ডিএমকে, সিপিআই, সিপিআইএম, জেডিইউ, কেরল কংগ্রেস, রাষ্ট্রীয় লোকদল এবং মুসলিম লিগের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সংসদ ভবনে ঢোকার আগে রাজ্যসভায় বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খারগে বলেন, এদিন বাজেট অধিবেশনের প্রথম দফার শেষ দিন। সেই কারণে কীভাবে আদানি সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা চাইবেন। তবে এব্যাপারে অন্য দলের নেতাদের মতামত চাওয়া হবে।
রাহুল গান্ধীকে লোকসভায় সচিবালয়ের নোটিশ প্রসঙ্গে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খারগে বলেন, রাহুল গান্ধী যা বলেছিলেন, যা ইতিমধ্যেই পাবলিক ডোমনেইনে রয়েছে। সেখানে অংসদীয় বলেও কিছু নেই বলে দাবি করেন খারগে। সেই অনুযায়ী, রাহুল গান্ধী লোকসভার সচিবালয়ের পাঠানো নোটিশের জবাব দেবেন বলে জানিয়েছেন।
এদিন আপ সাংসদ সঞ্জয় সিং হিন্ডেনবার্গের আদানি রিপোর্ট নিয়ে রাজ্যসভায় আলোচনার দাবি করে ২৬৭ ধারায় নোটিশ দেন। তবে সেই নোটিশ প্রত্যাখ্যান করেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড়। এরপরেই মল্লিকার্জুন খারগের বক্তৃতার কিছু অংশ রাজ্যসভা বাদ দেওয়ার পরেই বিরোধীদের হট্টগোলের জেরে রাজ্যসভার অধিবেশন বেশ কিছুক্ষণের জন্য মুলতুবি করে দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে রাজ্যসভার অধিবেশন বসলে ফের হইহট্টগোলের জেরে অধিবেশন ১৩ মার্চ পর্যন্ত মুলতুবি করে দেন চেয়ারম্যান।
রাজ্যসভায় বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খারগে বারে বারে বলেছিলেন চেয়ার (রাজ্যসভার চেয়ারম্যান) চাপের মধ্যে রয়েছে। প্রত্যের সময়ই বলছেন, চেয়ার চাপের মধ্যে রয়েছে। যে কারণে সংসদে বলার অধিকার হারাচ্ছেন। তারপরেই চেয়ারম্যান ধনখড় জানান, এইসব শব্দগুলি বাদ দেওয়া হচ্ছে।
তৃণমূল এই মুহূর্তে সংসদের কাজে বিঘ্ন ঘটানোর পক্ষে নয়। তৃণমূল বলেছে, তারা সংসদের কাজে বিঘ্ন নয়, বিতর্ক চায়। লোকসভা কিংবা রাজ্যসভার অধিবেশনে পণ্ড হয়ে যাওয়াটা তারা পছন্দ করছেন না বলে জানিয়েছিলেন রাজ্যসভার তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়েন। তিনি বিরোধীদের একাংশকে নিশানা করে বলেছিলেন, সংসদের কাজে বিঘ্ন ঘটিয়ে, বিজেপিকেই সাহায্য করা হচ্ছে।
We hate spam as much as you do