জাভেদ মুন্সি ক্যানিং হাসপাতালের মোড়ে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। শনিবার রাতে জম্মু কাশ্মীর পুলিশ, রাজ্য পুলিশের এসটিএফ এবং ক্যানিং থানার পুলিশ অভিযান চালিয়য়ে সেখান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। সূত্রের খবর, নাশকতামূলক ষড়যন্ত্রে যুক্ত থাকার সন্দেহে গ্রেপ্তারি। সে কাশ্মীর থেকে কোনও নাশকতামূলক কার্যকলাপ করে বাংলায় আত্মগোপন করেছিল কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন পশ্চিমবঙ্গে একটা সরকার চলছে বলে মনে হচ্ছে না। কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ভূমিকা সমালোচনা করেন।
ক্যানিং থেকে জম্বু-কাশ্মীর পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার সন্দেহভাজন জঙ্গি, সুজন অধীরের তোপ পঃ বঃ সরকার
২২ ডিসেম্বর ২০২৪
মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ার পর এবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং থেকে গ্রেপ্তার হল সন্দেহভাজন জঙ্গি। জম্মু-কাশ্মীর ও রাজ্য পুলিশের এসটিএফ যৌথ অভিযান চালিয়ে এই জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করেছে।
ধৃত জঙ্গির নাম জাভেদ মুন্সি। সে শ্রীনগরের বাসিন্দা। তেহরিক -উল-মুজাহিদিনের অন্যতম সদস্য এই জঙ্গি খবর মিলেছে। জাভেদ মুন্সি ক্যানিং হাসপাতালের মোড়ে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। শনিবার রাতে জম্মু কাশ্মীর পুলিশ, রাজ্য পুলিশের এসটিএফ এবং ক্যানিং থানার পুলিশ অভিযান চালিয়য়ে সেখান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। সূত্রের খবর, নাশকতামূলক ষড়যন্ত্রে যুক্ত থাকার সন্দেহে গ্রেপ্তারি। সে কাশ্মীর থেকে কোনও নাশকতামূলক কার্যকলাপ করে বাংলায় আত্মগোপন করেছিল কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন পশ্চিমবঙ্গে একটা সরকার চলছে বলে মনে হচ্ছে না। কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ভূমিকা সমালোচনা করেন।
ধৃত জাভেদ মুন্সি আইইডি-তে বিশেষ পারদর্শী বলেই জানা গিয়েছে। ধৃত এর আগেও নানা জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত ছিল। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ বহুদিন ধরেই তার খোঁজ করছিল। জাভেদকে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ নিজেদের সঙ্গে নিয়ে যাবে বলেই খবর পাওয়া গিয়েছে। এই ঘটনার জেরে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।
সম্প্রতি অসম পুলিশ অভিযান চালিয়ে মুর্শিদাবাদ থেকে দুই জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করে। যারা ইসলামিক স্টেট জেহাদি গোষ্ঠীর মতাদর্শে বিশ্বাসী আনসারুল্লা বাংলা টিমের সদস্য। বাংলায় বসেই বাংলায় জেহাদের ছক কষছিল তারা। তারপর ক্যানিং থেকে এই জঙ্গির গ্রেপ্তার হওয়ায় চিন্তা বাড়ল প্রশাসনের।
We hate spam as much as you do