রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনিয়ম ইস্যুতে মেদিনীপুরে জেলাশাসকের দফতর অভিযান বামেদের। কর্মসূচিকে ঘিরে কার্যত ধুন্ধুমার পরিস্থিতি জেলা শাসক দফতরের সামনে। সেখানে পুলিশি ব্যারিকেড ভাঙতে গিয়ে CPIM কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয় পুলিশের। SSC, TET থেকে শুরু করে রাজ্যে একের পর এক অনিয়মের প্রতিবাদেই মঙ্গলবার জেলাশাসকের দফতর অভিযানের ডাক দেয় বামেরা। কর্মসূচিকে ঘিরেই সকাল থেকেই উত্তপ্ত মেদিনীপুর জেলা শাসক দফতর।
মেদিনীপুর জেলাশাসকের দফতরে গতকাল বামেদের বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জ
গতকাল জেলাশাসকের দফতরে বামেদের অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। পুলিশের সঙ্গে বাম কর্মী সমর্থকদের হাতাহাতিতে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে এলাকা। 'চোখে চোখ রেখে আরও জোরে মারো টান, চোরদের রাণী হবে খানখান' এই স্লোগানকে সামনে রেখে মঙ্গলবার দুপুরে পশ্চিম মেদিনীপুরে জেলা শাসকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ অবস্থানে বসে সিপিআইএম পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা কমিটি।
কর্মসূচিকে ঘিরে কার্যত ধুন্ধুমার পরিস্থিতি জেলা শাসক দফতরের সামনে।
সেখানে পুলিশি ব্যারিকেড ভাঙতে গিয়ে CPIM কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয় পুলিশের।
রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনিয়ম ইস্যুতে মেদিনীপুরে জেলাশাসকের দফতর অভিযান বামেদের। কর্মসূচিকে ঘিরে কার্যত ধুন্ধুমার পরিস্থিতি জেলা শাসক দফতরের সামনে। সেখানে পুলিশি ব্যারিকেড ভাঙতে গিয়ে CPIM কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয় পুলিশের। SSC, TET থেকে শুরু করে রাজ্যে একের পর এক অনিয়মের প্রতিবাদেই মঙ্গলবার জেলাশাসকের দফতর অভিযানের ডাক দেয় বামেরা। কর্মসূচিকে ঘিরেই সকাল থেকেই উত্তপ্ত মেদিনীপুর জেলা শাসক দফতর।
স্থানীয় সূত্রে খবর, 'চোখে চোখ রেখে আরও জোরে মারো টান, চোরদের রাণী হবে খানখান' এই স্লোগানকে সামনে রেখে মঙ্গলবার দুপুরে পশ্চিম মেদিনীপুরে জেলা শাসকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ অবস্থানে বসে সিপিআইএম পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা কমিটি। ইতিমধ্যেই জেলার প্রায় প্রতিটি জায়গাতেই বিক্ষোভ আন্দোলন শুরু করেছে সিপিআইএম।
সিপিআইএমের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, আন্দোলনরত দুজন কর্মী আহত হয়েছেন। বামেদের দাবি, যখন জেলা প্রশাসকের অফিসের ব্যারিকেডের আগে কর্মীরা আন্দোলন করছিলেন। সেই সময় পুলিশের লাঠির ঘায়ে দু'জন কর্মী আহত হয়েছে। অপরদিকে মেদিনীপুর আসার পথে কেশপুরের সুপা এলাকায় আরও দুজন কর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি সিপিআইএম নেতৃত্বের। বিক্ষোভ কর্মসূচিতে রয়েছেন মহ: সেলিম, সুশান্ত ঘোষ সহ অন্যান্য রাজ্য নেতৃত্ব।
রাজ্যে শিক্ষাক্ষেত্রে ‘কেলেঙ্কারি’র অভিযোগে বিরোধিতার ঝাঁঝ বাড়াচ্ছে বিরোধীরা। জেলায় জেলায় 'চোর ধরো, জেল ভরো' কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতি সহ একাধিক ইস্যুতে জেলায় জেলায় পথে নামতে দেখা যায় বামেদের। তাদের দাবি, রাজ্যের শাসকদল ও মন্ত্রিসভার সদস্যেরা একাধিক দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ার পরেও মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও সঠিক পদক্ষেপ করছেন না। দুর্নীতিগ্রস্থ সব মন্ত্রী ও আমলাদের বরখাস্ত করার পাশাপাশি বামেদের দাবি, সরকারি চাকরির শূন্য পদে যোগ্য প্রার্থীদের অবিলম্বে স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ করতে হবে। শুধু তাই নয়, চাকরি দেওয়ার নামে চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে এত দিন ধরে যত টাকা নেওয়া হয়েছে, সব উদ্ধার করতে হবে বলে জানান তাঁরা।
উল্লেখ্য, গত ২৩ জুলাই ED- র হাতে গ্রেফতার হন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় । নাকতলার বাড়িতে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদের পর শিল্পমন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জিকে গ্রেফতার করেন ইডি আধিকারিকেরা। অভিযোগ, এসএসসি দুর্নীতির টাকার উৎস নিয়ে বারবার বয়ান বদল করেছেন পার্থ। শুধু তাই নয়, তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে মন্ত্রীর বিরুদ্ধে।
We hate spam as much as you do