পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী ঘটনার পরেই ওই বাচ্চাটির পরিবার কেরলের কোচিতে গিয়ে গা ঢাকা দেয়। যদিও র্যালির দুদিনের মধ্যে পুলিশ ওই যুবকের খোঁজ পেয়ে যায়। শনিবার আলাপুঝায় বাড়ি ফেরার সময় তার বাবাকে হেফাজতে নেওয়া হয়। এই ক্ষেত্রে, কেরালা সরকার শিশু কল্যাণ কমিটির কাছে ছেলে সম্পর্কিত রিপোর্ট দাখিল করতে পারে।
PFI- মিছিলে কেরল পুলিশের গ্রেপ্তার উস্কানিমূলক
স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ ১১ বছরের ছেলের বাবা
পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার মিছিলে উস্কানিমূলক স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ। আর সেই অভিযোগে ১১ বছর বয়সী একটি ছেলের বাবাকে গ্রেফতার করল কেরালা পুলিশ। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ২০ জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার পর থেকে ওই কিশোরের পরিবারের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।
যদিও পরে তাঁরা কোচিতে লুকিয়ে আছে বলে জানতে পারেন পুলিশের তদন্তকারীরা।
এই ঘটনা ২১ মে'র এর! পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার তরফে একটি মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। আর সেই মিছিলের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে ভয়ঙ্কর ভাবে ভাইরাল হয়। যেখানে দেখা যাচ্ছে, এক ব্যক্তি তাঁর কাঁধে একটি ১১ বছরের বাচ্চাকে নিয়ে যাচ্ছে। আর সেই লাগাতার উস্কানিমূলক স্লোগান দিয়ে যাচ্ছে।
হিন্দু এবং খ্রিষ্টানদের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক স্লোগান চলছিল বলেও অভিযোগ। আর সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হওয়ার পরেই পুলিশের চোখেও পড়ে। মুহূর্তে ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ নেয়। এমনকি মামলা রুজু করে তদন্তও শুরু করে।
পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী ঘটনার পরেই ওই বাচ্চাটির পরিবার কেরলের কোচিতে গিয়ে গা ঢাকা দেয়। যদিও র্যালির দুদিনের মধ্যে পুলিশ ওই যুবকের খোঁজ পেয়ে যায়। শনিবার আলাপুঝায় বাড়ি ফেরার সময় তার বাবাকে হেফাজতে নেওয়া হয়। এই ক্ষেত্রে, কেরালা সরকার শিশু কল্যাণ কমিটির কাছে ছেলে সম্পর্কিত রিপোর্ট দাখিল করতে পারে।
যদিও ওই যুবকের বাবা'র দাবি, তাঁরা নাগরিকত্ব আইন এবং সিএএ'র বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গিয়েই এহেন উস্কানিমূলক স্লোগান দিয়েছেন। এই স্লোগান তাঁরা আগেও দিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁদের কোনও ধর্মকে আঘাত করা লক্ষ্য নয় বলে পুলিশকে জানিয়েছেন ওই ব্যক্তি। তবে বিষয়টি এখনই মানতে নারাজ পুলিশ আধিকারিকরা।
ইতিমধ্যে এই ঘটনায় ধৃতদের জেরা করছে পুলিশ। এহেন উস্কানিমূলক স্লোগান কোথা থেকে শিখেছে এই বিষয়ে তথ্য জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। এই প্রসঙ্গে ধৃত জানিয়েছে যখন এনআরসি সংক্রান্ত একাধিক মিছিলে অংশ নেওয়ার সময়ে এই স্লোগান তাঁরা শুনেছিল।
ছেলেটির বাবা পুলিশকে জানিয়েছে, যে স্লোগানটি শুধুমাত্র সঙ্ঘ পরিবারের বিরুদ্ধে, হিন্দু বা খ্রিস্টানদের বিরুদ্ধে নয়। এনআরসি এবং সিএএ-র বিরুদ্ধে বিক্ষোভের সময়ও এই স্লোগান উঠেছে। সেটিই তাঁরা দিয়েছিল বলে পুলিশকে জানিয়েছে। তবে এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। যদিও বিষয়টি পুলিশের তরফে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে বলেই জানা যাচ্ছে।
We hate spam as much as you do