আগ্রার এই শাহি জামা মসজিদের আর এক নাম জাহান আরা মসজিদ। এখানে রোজ আসা ইনামুদ্দিন নামে এক ব্যক্তি বলছেন, এই মসজিদ নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছিলেন শাহজাহানের কন্যা জাহান আরা। তাঁর বিয়ের জন্য সঞ্চিত অর্থই তিনি এই মসজিদ নির্মাণে খরচ করেছিলেন। ইনামুদ্দিন আরও বলেন, মসজিদের সিঁড়ির নীচে বিগ্রহ চাপা দেওয়া আছে, এর কোনও প্রমাণ নেই। বিনা কারণে এখানে খোঁড়াখুঁড়ি করার কোনও মানে হয় না।
এবার আগ্রার জামা মসজিদ খুঁড়তে হবে হিন্দুত্ববাদীদের আবেদন জমা এলাহাবাদ হাইকোর্টে।
মোহন ভাগবতের প্রকাশ্যে বারণ করা সত্ত্বেও ভারতে, বিশেষত উত্তরপ্রদেশে মন্দির-মসজিদ বিতর্ক সহজেই মেটার নয়।
এবার আগ্রার জামা মসজিদে প্রত্নতাত্ত্বিক খননকার্য চালাতে চেয়ে আবেদন জমা পড়ল এলাহাবাদ হাইকোর্টে। আবেদনকারী আইনজীবী বরুণ কুমারের দাবি, মসজিদটির সিঁড়ির নীচে ঠাকুর কেশব দেব জি-র বিগ্রহ লুকিয়ে রাখা থাকতে পারে। এই মর্মে নিম্ন আদালতেও আবেদন করেন তিনি। তবে তার কোনও শুনানি এখনও হয়নি। কিছুদিন আগে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (আরএসএস) প্রধান মোহন ভাগবত বলেছিলেন, হিন্দু সংগঠনগুলোর দেশের সব মসজিদ খোঁড়ার দরকার নেই। তাঁর এই নির্দেশের সবাই যে তোয়াক্কা করছে না, তা স্পষ্ট।
আগ্রার এই শাহি জামা মসজিদের আর এক নাম জাহান আরা মসজিদ। এখানে রোজ আসা ইনামুদ্দিন নামে এক ব্যক্তি বলছেন, এই মসজিদ নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছিলেন শাহজাহানের কন্যা জাহান আরা। তাঁর বিয়ের জন্য সঞ্চিত অর্থই তিনি এই মসজিদ নির্মাণে খরচ করেছিলেন। ইনামুদ্দিন আরও বলেন, মসজিদের সিঁড়ির নীচে বিগ্রহ চাপা দেওয়া আছে, এর কোনও প্রমাণ নেই। বিনা কারণে এখানে খোঁড়াখুঁড়ি করার কোনও মানে হয় না।
We hate spam as much as you do