জাতীয় শিক্ষানীতি কার্যকর করার ক্ষেত্রে প্রথম থেকেই আপত্তি ছিল রাজ্যের। সেই শিক্ষানীতি বিশ্লেষণ করার জন্য বিশেষ কমিটিও গঠন করা হয়েছিল রাজ্যের তরফে। অবশেষে সেই নীতিতে মিলল অনুমোদন। এবার থেকে তিন বছরের বদলে চার বছর ধরে চলবে স্নাতকের পাঠ। চার বছর পর সরাসরি গবেষণায় অংশ নিতে পারবেন পড়ুয়ারা।
বিজেপির শিক্ষানীতি ৪ বছরে স্নাতক সিদ্ধান্ত তৃণমূল সরকার মেনে নিল
May 31, 2023
দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে কলেজের পাঠের ক্ষেত্রে জাতীয় শিক্ষানীতিতে শিলমোহর দিল রাজ্য। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই ৪ বছরের পাঠ শেষ করে তবেই স্নাতক হবেন পড়ুয়ারা। জাতীয় শিক্ষানীতি কার্যকর করার ক্ষেত্রে প্রথম থেকেই আপত্তি ছিল রাজ্যের। সেই শিক্ষানীতি বিশ্লেষণ করার জন্য বিশেষ কমিটিও গঠন করা হয়েছিল রাজ্যের তরফে। অবশেষে সেই নীতিতে মিলল অনুমোদন। এবার থেকে তিন বছরের বদলে চার বছর ধরে চলবে স্নাতকের পাঠ। চার বছর পর সরাসরি গবেষণায় অংশ নিতে পারবেন পড়ুয়ারা।
শিক্ষা দফতরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে, সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সব সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজে এই নীতি কার্যকর হবে। ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষ থেকেই কার্যকর হচ্ছে এই নতুন নিয়ম। অর্থাৎ এবছর যে সব পড়ুয়া উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছেন, তাঁরা এই নয়া নীতির আওতায় পড়বেন।
তবে কেন্দ্রীয়ভাবে কলেজে ভর্তির যে প্রক্রিয়া চালু করার কথা ছিল, তা আপাতত করা হচ্ছে না। প্রতিটি কলেজে আলাদাভাবে অনলাইনে ভর্তির প্রক্রিয়া চালু থাকবে। অর্থাৎ পুরনো নিয়মেই ভর্তি হতে পারবেন পড়ুয়ারা।
শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেছেন, “এই বছর স্নাতকস্তরে ভর্তি হতে চলেছেন রাজ্যের প্রায় ৭ লক্ষ ছাত্রছাত্রী। তাঁদের সুবিধার কথা ভেবে স্নাতকস্তরে আমরা ৪ বছরের পঠনপাঠন চালু করতে চলেছি। এতে তাঁদের সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে সুবিধা হবে এবং একইসঙ্গে রাজ্যের বাইরে পড়তে যাওয়ার প্রবণতা কমবে।”
তিনি আরও জানিয়েছেন, যাতে বিভ্রান্তি না ছড়ায়, সে কারণেই আপাতত কেন্দ্রীয়ভাবে ভর্তি প্রক্রিয়া চালু করা হচ্ছে না। মন্ত্রী বলেন, “প্রয়োজনীয় পরিবর্তন এবং পরিমার্জনের কাজ আমরা জরুরি ভিত্তিতে চালাব, যাতে সম্ভব হলে এই ব্যবস্থাটিকেও আমরা এই বছরই চালু করতে পারি।”
We hate spam as much as you do