ভারতের প্রথম চন্দ্র মিশন চন্দ্রযান-১ ২০০৮ সালে চালু হয়েছিল। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (ইসরো) চার বছরের মধ্যে দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় আজকের এই ‘সফট ল্যান্ডিং’ সফল হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিন এবং প্রাক্তন সোভিয়েত ইউনিয়নের পরে ভারত মুন মিশনে বিশ্বের চতুর্থ দেশ হয়ে হয়ে উঠেছে। চন্দ্রযান-৩ চন্দ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা পরীক্ষা করবে, জল, খনিজ তথ্য অনুসন্ধান করবে এবং মাটির ওপর পরীক্ষা চালাবে। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করলো চন্দ্রযান-৩-এর ল্যান্ডার বিক্রম। এখন পর্যন্ত ভারত ছাড়া কোণ দেশই দক্ষিণ মেরুতে চাঁদের ‘সফট ল্যান্ডিং’ করেনি।
২০০৮ এর পর ISRO চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল অবতরণ ল্যান্ডার বিক্রমের
August 23, 2023
ইতিহাস গড়ল ইসরো, চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল অবতরণ চন্দ্রযান ৩-এর। সকাল থেকে ছিল টানটান উত্তেজনা। অবশেষে অগ্নিপরীক্ষায় সফল ইসরো। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল অবতরণ করল চন্দ্রযান ৩। আশা ছিল সফল অবতরণের । সেই মোতাবেক সব কিছু প্ল্যান করেই এগিয়েছে প্রথম থেকেই। ইসরো নিজেও চন্দ্রযান ৩ এর সফল অবতরণ নিয়ে আশাবাদী ছিল।
ইসরো প্রধান আজ সকালেই মিশন সম্পর্কে বলেন, ‘চার বছর কম সময়ে আমরা আমাদের মিশন উন্নত করতে এবং একটি ব্যাকআপ পরিকল্পনা তৈরিতে আমাদের বিজ্ঞানীরা সাফল্যের সঙ্গে কাজ করেছেন। এই মিশনে এখন পর্যন্ত আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছুই ঠিক ঠাক হয়েছে। আমরা বিভিন্ন স্তরে সিস্টেম যাচাই করে অবতরণের প্রস্তুতি নিয়েছি এবং ল্যান্ডারের স্বাস্থ্য একেবারে ঠিক আছে’। পাশাপাশি তিনি বলেন, ‘চন্দ্রযান-২ মিশনের ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আগের সকল ভুল সংশোধন করেছে ISRO’।
শুধু ভারত নয়, গোটা বিশ্ব এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা করছে ১৪ জুলাই থেকে। অবশেষে এল এই মাহেন্দ্রক্ষণ। চাঁদের মাটিতে অবতরণ করে ইতিহাস গড়ল ইসরো। ইসরোর মুকূটে জুড়ে গেল নয়া পলক। সেই সঙ্গে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণকারী প্রথম দেশ হিসাবে ভারতের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে চিরকাল।
চন্দ্রযান-২, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯-এ চাঁদে অবতরণের প্রক্রিয়া চলাকালীন ব্যর্থ হয়েছিল, যখন এর ল্যান্ডার ‘বিক্রম’ একটি প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে চন্দ্রপৃষ্ঠে ভেঙে পড়ে।
ভারতের প্রথম চন্দ্র মিশন চন্দ্রযান-১ ২০০৮ সালে চালু হয়েছিল। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (ইসরো) চার বছরের মধ্যে দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় আজকের এই ‘সফট ল্যান্ডিং’ সফল হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিন এবং প্রাক্তন সোভিয়েত ইউনিয়নের পরে ভারত মুন মিশনে বিশ্বের চতুর্থ দেশ হয়ে হয়ে উঠেছে। চন্দ্রযান-৩ চন্দ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা পরীক্ষা করবে, জল, খনিজ তথ্য অনুসন্ধান করবে এবং মাটির ওপর পরীক্ষা চালাবে। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করলো চন্দ্রযান-৩-এর ল্যান্ডার বিক্রম। এখন পর্যন্ত ভারত ছাড়া কোণ দেশই দক্ষিণ মেরুতে চাঁদের ‘সফট ল্যান্ডিং’ করেনি।
চাঁদের দক্ষিণ মেরুর জমিতে অবতরণের পর ১৪ দিন সেখানে ঘুরে ফিরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাবে চন্দ্রযান-৩-এর রোভার ‘প্রজ্ঞান’। এই ১৪ দিন চাঁদের জমিতে থাকা জল ও নমুনা সংগ্রহ করবে রোভার। চাঁদের সবথেকে মূল্যবান সম্পদ জল। জলের খোঁজেই চাঁদে তথ্য খোঁজার কাজ চালাবে চন্দ্রযান-৩।
We hate spam as much as you do