সুজন চক্রবর্তী বলেন, "মুখ্যমন্ত্রী বুঝে গিয়েছেন দমদমে তৃণমূল হারবে। পাঁচ-সাতবার এখানে এসেছেন, লোক জমেনি। মানুষের চেয়ে পুলিশের সংখ্যা বেশি ছিল। রাস্তা আটকে, চার ঘণ্টা ধরে বিটি রোড আটকে মিটিং-মিছিল করেছেন। এতে মানুষের বিরক্তি বেড়েছে। তৃণমূল হারবে, তা কার্যত স্বীকার করে নিলেন। সিপিএম-এর ভোট সিপিএম-এ ফিরবে বলুন। দমদম হোক বা বরানগর অথবা যাদবপুর, মানুষের ভোট আমাদের পক্ষে থাকবে।"
'দমদমে বিজেপির লোকেরা সিপিএমকে ভোট দেবে' বললেন মমতা
29 May 2024
শেষ দফায় ভোটগ্রহণের আগে বিজেপি-সিপিএম যোগসাজশের অভিযোগ তুললেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দমদম কেন্দ্র নিয়ে রাজ্যের দুই বিরোধী দলের মধ্যে যোগসাজশ গড়ে উঠেছে বলে দাবি করেছেন তিনি। মমতার দাবি, লোকসভায় বিজেপি-র ভোট সিপিএম-কে এবং বিধানসভায় সিপিএম-এর ভোট বিজেপি-তে যাবে বলে ঠিক হয়েছে।
বুধবার বারুইপুরে নির্বাচনী জনসভা থেকে বক্তৃতা করার সময় এই বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন মমতা। তিনি বলেন, "তৃণমূল I.N.D.I.A জোটকে সমর্থন দিয়ে দিল্লিতে সরকার গড়ে দেবে। কিন্তু সিপিএম-কংগ্রেসকে ভোট দিয়ে দয়া করে ভোট কাটবেন না, তাতে বিজেপি-র লাভ হবে। কিছুক্ষণ আগেই একটা কথা শুনছিলাম, কিছু কিছু জায়গায় বোঝাপড়া হয়েছে বলে। একটা জায়গার নাম আমি বলে দিতেই পারি, দমদম।"
কী যোগসাজশ হয়েছে, তাও বিশদে বর্ণনা করেন মমতা। তাঁকে বলতে শোনা যায়, "ওখানে সিপিএম-এর নেতা দাঁড়িয়েছেন। তাঁর সঙ্গে বিজেপি-র কথা হয়েছে। লোকসভায় ভোটটা বিজেপি দেবে সিপিএম-রে। আর বিধানসভায়, বরানগরে সিপিএম-এর ভোটটা বিজেপি-তে যাবে। আমি এই রাজনীতি করি না। চিরকাল কংগ্রেস করার পর যদি তৃণমূল তৈরি না করতে পারতাম, আর আপনারা যদি আমার সঙ্গে না থাকতেন, তাহলে আজও বাংলা থেকে সিপিএম-কে বিদায় করতে পারতাম না।"
মমতার অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে সিপিএম-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী বলেন, "মুখ্যমন্ত্রী বুঝে গিয়েছেন দমদমে তৃণমূল হারবে। পাঁচ-সাতবার এখানে এসেছেন, লোক জমেনি। মানুষের চেয়ে পুলিশের সংখ্যা বেশি ছিল। রাস্তা আটকে, চার ঘণ্টা ধরে বিটি রোড আটকে মিটিং-মিছিল করেছেন। এতে মানুষের বিরক্তি বেড়েছে। তৃণমূল হারবে, তা কার্যত স্বীকার করে নিলেন। সিপিএম-এর ভোট সিপিএম-এ ফিরবে বলুন। দমদম হোক বা বরানগর অথবা যাদবপুর, মানুষের ভোট আমাদের পক্ষে থাকবে।"
We hate spam as much as you do