লাল ঝড়ের আশঙ্কায় অপরপক্ষের ক্লাবের কোচেদের রাতের ঘুম উবে যেত। কেন? কারণ ফারগুসন নামক এক স্কটিশ ভদ্রলাক তাঁর ব্যক্তিত্ব ও ফুটবলবোধের মুন্সীয়ানায় গোটা টিমকে একসূত্রে বাধঁতে পারতেন ও ফুটবলারদের থেকে সেরাটা বার করে নিতে পারতেন। বিশেষ করে তেভেজ, পার্ক, রুনি, রোনাল্ডোদের কাউন্টার অ্যাটাক আজও দর্শকদের হৃদয়ে অমলিন। তারপর টেমস দিয়ে অনেক জল বয়ে গেছে।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের নতুন দায়িত্বে রালফ রাগনিক সঙ্গে " বড্ড বুড়ো আর বড্ড দামী রোনাল্ডো"
অন্ধকারাচ্ছন্ন ওল্ড ট্রাফোর্ডে কি রাগনিক আলো আনতে পারবেন
২০১৩ সালে আলেক্স ফারগুসনের কোচিং জীবন থেকে অবসরের পরে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের শনির দশা আর কাটছে না। তাঁর জুতোয় যারাই পা গলিয়েছেন, সে ডেভিড ময়েসই হোন বা 'দ্য স্পেশাল ওয়ান' মৌরিনহোই হোন, তাঁরা কেউই ওল্ড ট্রাফর্ডের ক্লাবটিকে ব্যর্থতার কানাগলি থেকে বার করে আনতে পারেননি।
অনেকটা সন্তোষ দত্তের জটায়ুর মতো, তাঁর মৃত্যুর পরে রবি ঘোষ বা অনুপ কুমারের মতো কিংবদন্তী অভিনেতাদের জটায়ু দেখে দর্শক কোডোপাইরিন খেতে বাধ্য হয়েছেন।
ফিরে আসা যাক লাল ম্যানচেস্টারের প্রসঙ্গে। ফারগুসন ম্যানচেস্টারকে অগুনতি প্রিমিয়ার লীগ, ২০০৮ এর চ্যাম্পিয়ন্স লীগ.... অনেক সাফল্য দিয়েছেন। একটা সময় ভিডিক, ফারদিনন্দ, রোনাল্ডো, গ্যারি নেভিল, রুনিদের নামে ফুটবল দুনিয়া কাঁপত। লাল ঝড়ের আশঙ্কায় অপরপক্ষের ক্লাবের কোচেদের রাতের ঘুম উবে যেত। কেন? কারণ ফারগুসন নামক এক স্কটিশ ভদ্রলাক তাঁর ব্যক্তিত্ব ও ফুটবলবোধের মুন্সীয়ানায় গোটা টিমকে একসূত্রে বাধঁতে পারতেন ও ফুটবলারদের থেকে সেরাটা বার করে নিতে পারতেন। বিশেষ করে তেভেজ, পার্ক, রুনি, রোনাল্ডোদের কাউন্টার অ্যাটাক আজও দর্শকদের হৃদয়ে অমলিন। তারপর টেমস দিয়ে অনেক জল বয়ে গেছে।
কোচের ব্যাটন ময়েস থেকে শুরু করে, হোসে মৌরিনহো, লুই ভ্যান গল, ফারগুসনের একসময়ের তুরূপের তাস সোল্স্কযার হয়ে হালফিলে 'গেগেনপ্রেসিংএর ' জনক ৬৩ বছরের রালফ রাগনিকের হাতে এসেছে। তাঁর শুরুটা মন্দ হয়নি কিন্তু একটি ম্যাচে প্রথম একাদশ চয়ন নিয়ে রোনাল্ডোর সাথে তাঁর কথা কাটাকাটি এখন চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাগনিক কি পারবেন লাল ম্যানচেস্টারে নতুন ভোর আনতে নাকি আরও একবার মুখ থুবড়ে পড়বে রেড ডেভিলসরা। সময় কথা বলবে।
We hate spam as much as you do