মদন বলেন,'আরাবুলের ক্যানিং, ভাঙড়, ভোজেরহাট, বসিরহাট, ঘটকপুকুর, মিনাখাঁ, হাড়োয়া গিয়ে বলা হচ্ছে মদন মিত্র বিপদে। তারা ফোন করে জানতে চাইছে, দাদা আমাদের কবে থেকে যেতে হবে। কী কী অস্ত্র নিতে হবে? আমি বলেছি, তোমরা কারা? ওরা বলল, এখানে আপনার লোক বলে পরিচয় দিয়ে যেতে বলছে। এই খেলা যারা খেলছে তাদের পিঠের চামড়া তো ছেড়ে দিন গন্ডারের চামড়া থাকবে কিনা সন্দেহ! পুলিশ পারলে ভাল না হলে পুলিশকে সাহায্য করে দেব। তৃণমূলের বাক্সে ফলস ভোট মারবে, আর আমি দেখব!'
'ভাঙড়, হাড়োয়া থেকে ভোট লুঠতে ছেলে পাঠাচ্ছে ', মদনের নিশানায় দলের নেতা আরাবুল!
কামারহাটিতে ভোট লুঠ হতে পারে বলে কার্যত দলের কয়েকজন নেতাকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন মদন মিত্র, মত রাজনৈতিক মহলের একাংশের।
ভোট লুঠের আশঙ্কা মদনের।আরাবুলকে কাঠগড়ায় তুললেন। অন্তর্ঘাতের ইঙ্গিত তৃণমূল বিধায়কের।
আবারও বিস্ফোরক মদন মিত্র। কামারহাটি পুরভোটে গণ্ডগোলের আশঙ্কা করলেন তিনি। আর তাঁর নিশানায় দলেরই নেতা শাজাহান ও আরাবুল। মদনের দাবি, কোটি কোটি টাকা ভাঙড়, বসিরহাট, ভোজেরহাট, হিঙ্গলগঞ্জ থেকে সশস্ত্র লোকজনকে ভোট লুঠ করতে আনা হচ্ছে। দল ও পুলিশকে আগে থেকে এব্যাপারে সতর্ক করেছেন বলেও জানান কামারহাটির বিধায়ক। অনেকেই মনে করছেন, মুখে না বলেও দলের অন্তর্ঘাতের দিকেই ইঙ্গিত দিলেন মদন।
মদন বলেন,'আরাবুলের ক্যানিং, ভাঙড়, ভোজেরহাট, বসিরহাট, ঘটকপুকুর, মিনাখাঁ, হাড়োয়া গিয়ে বলা হচ্ছে মদন মিত্র বিপদে। তারা ফোন করে জানতে চাইছে, দাদা আমাদের কবে থেকে যেতে হবে। কী কী অস্ত্র নিতে হবে? আমি বলেছি, তোমরা কারা? ওরা বলল, এখানে আপনার লোক বলে পরিচয় দিয়ে যেতে বলছে। এই খেলা যারা খেলছে তাদের পিঠের চামড়া তো ছেড়ে দিন গন্ডারের চামড়া থাকবে কিনা সন্দেহ! পুলিশ পারলে ভাল না হলে পুলিশকে সাহায্য করে দেব। তৃণমূলের বাক্সে ফলস ভোট মারবে, আর আমি দেখব!'
সরাসরি আরাবুলের নাম নিয়ে তিনি জানান,'ভাঙড়, ক্যানিং মিনাখাঁ থেকে গুন্ডা তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা কাউকে পেলে এখানেই রেখে দেব। বাড়ি আর যেতে দেব না। আরাবুল বলে আছে, বেশিরভাগ জায়গায় মদন মিত্র চাইছে বলে বলছে। ছেলেরা ফোন করছে, দাদা গণ্ডগোল হচ্ছে কামারহাটিতে? ওখানে নাকি লুঠ হবে?' এরপরই মদনের হুঁশিয়ারি,'যে যেখান থেকে পারুন আনুন। পুলিশকে বলেছি ব্যবস্থা নিতে পারেন ভাল। নইলে ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে চারদিকে জাল বেঁধে ঘর করে দেব।'
দলের একাংশের কি আপনার উপরে ভরসা নেই? জবাবে মদন বলেন,'দলের লোক ডাকছে বলিনি তো। বিজেপি ও সিপিএমের বন্ধুরা ডাকছে। তলে তলে সমঝোতা করেছে চেয়ারম্যান হব সার্পোট দিবি।'
রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, কামারহাটিতে ভোট লুঠ হতে পারে বলে কার্যত দলের কয়েকজন নেতাকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন মদন মিত্র। অন্তর্ঘাতের আশঙ্কা করছেন তিনি।
We hate spam as much as you do