তিনি এদিন বলেছেন যে তিনি তাঁর দেশ ও দেশবাসীদের জন্যে গর্বিত। তিনি এদিন বলেছেন : "এই জটিল সমস্যার সমাধান যুদ্ধ নয়। রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও সততার সাথে কূটনৈতিক সমাধানই শান্তি আনতে পারবে।"
দেশবাসীর উদ্দেশ্যে আবেগঘন পোস্ট প্রাক্তন ফুটবলার শেভচেঙ্কোর, দিলেন ঐক্যবদ্ধ থাকার বার্তা
আমেরিকার নেতৃত্বে NATO র চক্রান্তে তাঁর দেশ রাশিয়ার সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে। রাশিয়ার পদাতিক বাহিনী ইতিমধ্যেই রাজধানী কিয়েভে ঢুকে পড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে এই যুদ্ধে শরুণার্থীর সংখ্যা আফগানিস্তানকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। তবে এই পরিস্থিতিতেও তিনি মনোবল হারিয়ে ফেলার পক্ষপাতি নন। বলা হচ্ছে মিলান ও চেলসির কিংবদন্তী আন্দ্রে শেভচেঙ্কোর কথা।
তিনি আরও বলেছেন যে দেশবাসীর নিরাপত্তার স্বার্থে কোনও কিছুর সঙ্গে আপস করা সম্ভব নয়।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের মতে রাশিয়ার সেনা অভিযান হিটলারের 'অপারেশন বার্বাসোরার' কথা মনে করাচ্ছে এবং রাশিয়ার এই আগ্রাসন ১৯৪৫ সালের পর ইউরোপে সব থেকে বড় যুদ্ধের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে লেনিনগ্রাদ, স্তালিনগ্রাদের মানুষের মতোই উক্রেইনবাসী ধৈর্যশক্তি ও অটুট মনোবলের পরিচয় দেবেন বলে মনে করেন দিদিয়ের দ্রোগবা, জন টেরি, ফ্রাঙ্ক ল্যামপার্ডদের এক সময়ের সতীর্থ।
এক আবেগঘন পোস্টে শেভচেঙ্কো বার্তা দিয়েছেন : "ইউক্রেইন আমার জন্মভূমি। আমি সবসময়েই আমার দেশ ও দেশবাসীদের নিয়ে গর্বিত বোধ করি।"
তিনি তাঁর পোস্টে বিগত তিরিশ বছর ধরে উত্তর - সোভিয়েত যুগে ইউক্রেইনের দুর্দশার কথা তুলে ধরেছেন এবং বলেছেন : "গত তিরিশ বছরে আমরা একটি দেশ হিসেবে নিজেদের তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের দেশের সব চেয়ে বড় সম্পদ আমাদের দেশপ্রেমী, কর্মঠ ও স্বাধীনতাকামী জনগণ। এখন আমরা খুব কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু মনোবল হারালে চলবে না, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আমাদের লড়াই করতে হবে। ইউক্রেইন হারবে না!"
শেভচেঙ্কো মিলানের সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়দের মধ্যে একজন। আট মরসুমে তিনি ক্লাবকে একাধিক সাফল্য এনে দিয়েছিলেন। ৩২২ ম্যাচে তাঁর ঝুলিতে রয়েছে ১৭৫ টি গোল। আর চেলসির হয়ে ৭৭ টি ম্যাচে তাঁর অবদান ২২ টি গোল।
এখন তিনি আবার ইতালিতে ফিরে গেছেন, গেনোয়ার কোচ হিসেবে। কিন্তু মারাসিতে কোনও ম্যাচ জেতাতে পারেননি তাঁর দলকে। তাঁর কোচিংয়ে সিরি এ তে দশ ম্যাচে মাত্র তিন পয়েন্ট তোলে ক্লাব। যার ফলে তাঁকে ছাঁটাই করে দেওয়া হয়।
We hate spam as much as you do