Tranding

01:38 AM - 07 May 2026

Home / Education / পাড়ায় শিক্ষালয়! স্টেডিয়াম-খোলামাঠে কড়া রোদ ঠান্ডায় অসুস্থ খুদেরা, অভিভাবকদের ক্ষোভ

পাড়ায় শিক্ষালয়! স্টেডিয়াম-খোলামাঠে কড়া রোদ ঠান্ডায় অসুস্থ খুদেরা, অভিভাবকদের ক্ষোভ

পাড়ায় শিক্ষালয়! স্টেডিয়াম-খোলামাঠে কড়া রোদ ঠান্ডায় অসুস্থ খুদেরা,  অভিভাবকদের ক্ষোভ

পাড়ায় শিক্ষালয়! স্টেডিয়াম-খোলামাঠে কড়া রোদ ঠান্ডায় অসুস্থ খুদেরা,  অভিভাবকদের ক্ষোভ
    
 

পাড়ায় শিক্ষালয় একটা ভিন্ন ধরনের কর্মসূচি। স্কুলের গণ্ডি থেকে বাইরে বেরিয়ে উন্মু্ক্ত প্রাঙ্গনে পড়াশোনা করানো হবে। প্রি প্রাইমারি থেকে সপ্তম শ্রেণির পড়ুয়াদের পাড়ার শিক্ষালয়ে ক্লাস হবে।
 পাড়ায় শিক্ষালয়! স্টেডিয়াম-মাঠে উন্মুক্ত প্রাঙ্গনে ক্লাসের শুরুতেই অসুস্থ খুদেরা, ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা


আজ থেকে শুরু হল পাড়ায় শিক্ষালয়। প্রি প্রাইমারি থেকে সপ্তম শ্রেণির পডুয়াদের স্কুল ফেরাতে উদ্যোগ শিক্ষা দফতরের। মোট চার ঘণ্টা পড়াশোনা। দু দফায় দুঘণ্টা করে লেখাপড়া। গাছের তলায়, খোলা জায়গায় বা ছাউনি দেওয়া জায়গায় পড়াশোনা করবে পড়ুয়ারা। ছাত্রছাত্রীদের দেওয়া হবে রান্না করা মিড ডে মিল। কোভিড বিধি মেনে পড়ানো হবে পড়ুয়াদের। পাড়ায় শিক্ষালয় একটা ভিন্ন ধরনের কর্মসূচি। স্কুলের গণ্ডি থেকে বাইরে বেরিয়ে উন্মুক্ত প্রাঙ্গনে পড়াশোনা করানো হবে। প্রি প্রাইমারি থেকে সপ্তম শ্রেণির পড়ুয়াদের পাড়ার শিক্ষালয়ে ক্লাস হবে। এখানে একটা বিষয় উল্লেখ্য, স্কুল ভিত্তিক পড়াশোনা এখানে হচ্ছে না। পাড়ায় পড়াশোনা হবে। সেখানে বিভিন্ন স্কুলের পড়ুয়ারা গিয়ে পড়াশোনা করতে পারবে। দ্বিতীয়ত, রান্না করা মিড ডে মিলের খাবার প্রি প্রাইমারি থেকে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত প্রত্যেককে দেওয়া হবে।

 

প্রশ্ন উঠছে, স্কুল থাকতে কেন পাড়ায় ক্লাস? সরকারের বক্তব্য, কোভিড বিধিকে মান্যতা দিয়ে যাতে সামাজিক দূরত্ব বিধি বজায় রাখা যায়, তার জন্য এই উদ্যোগ। মাস্টারমশাইদের রুটিন প্রধান শিক্ষকরা ঠিক করে দিয়েছেন। বিভিন্ন স্কুলের প্রধান শিক্ষকরা মিলে একটি সাধারণ রুটিন বানিয়েছেন। সেখানে এক-এক স্কুল থেকে দু’জন করে শিক্ষক গিড়ে পড়াবেন। জোর দেওয়া হবে সাংস্কৃতিক বিষয়ের ওপরেও। যাতে সামাজিক পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা যায়, তাতেও জোর দেওয়া হবে। স্যানিটাইজেশন, থার্মাল চেকিংয়ের বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে।


স্কুল বাড়িকে সরিয়ে রেখে পাড়ায় পাড়ায় শিক্ষালয় কর্মসূচি কতটা কার্যকরী হয়, সেটাই দেখার। ডিআইদের তরফ থেকে স্কুলের প্রধান শিক্ষক, পুরসভার ওয়ার্ড কমিটির ও পঞ্চায়েতের সদস্যরা চেষ্টা করছেন, এর সফল রুপায়ণের জন্য।

 

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাড়ায় শিক্ষালয় নিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন, মূলত যে শিশুরা এখনও করোনা টিকার ডোজ় নেয়নি, তাদের পাড়ায় পাড়ায় শিক্ষালয়ে অংশ নিতে হবে। বৃষ্টির দিনে এই ক্লাস করা যাবে না। ক্লাস করানোর জন্য বড় জায়গা বেছে নিতে হবে। বড় জায়গা না থাকলে গাছের তলায় পাড়ায় শিক্ষালয় হবে।

শিলিগুড়িতে দেখা গেল খোলা আকাশের নীচে স্টেডিয়ামে হচ্ছে শিক্ষালয়। কড়া রোদের মধ্যে শিশুরা বসে রয়েছে, তাতে অনেক ক্ষেত্রেই ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা। দু’দফায় মোট ৪ ঘণ্টা ক্লাস হবে। চার ঘণ্টা এইভাবে কড়া রোদে বসে থাকলে, শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন অভিভাবকরা।

এক অভিভাবক বলেন, “এইভাবে রোদের মধ্যে কীভাবে ক্লাস করতে পারবে। খোলামেলা কতদিনই বা ক্লাস করবে? ওরা তো এইভাবে অভ্যস্তও নয়। বাচ্চারা মন বসাতে পারবে না পড়াশোনায়।”

Your Opinion

We hate spam as much as you do