কিন্তু গত দু’বছরে অন্য রাজ্যের মাত্র দু’জন ব্যক্তি এই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে জমি কিনেছেন। মঙ্গলবার সংসদে এমনটাই জানাল কেন্দ্র।
৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলোপের পর গত দু বছরে জম্মু কাশ্মীরে কতজন জমি কিনেছে??
জম্বু কাশ্মীরে নাকি ৩৭০ উঠলেই দলে দলে জমি কিনবে। সবাই গিয়ে হোটেল আর টুরিস্ট হোম বানাবে। এইরকমই রটানো হয়েছিল। আর ৩৭০ এর সমর্থক টিভি চ্যানেল থেকে রাজনৈতিক লোকেরা একেবারে উচ্চকন্ঠে জানিয়েছিল দলে দলে লোক নাকি বসে আছে কাশ্মীরে জমি কিনবে বলে।
দ্বিতীয়বার মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০১৯ সালের ৫ অগস্ট জম্মু কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার করা হয়।
জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের পরই কেন্দ্রের তরফে ঘোষণা করা হয়েছিল যে কোনও ভারতীয়ই এবার থেকে উপত্যকার বাসিন্দা হতে পারবেন।
কিন্তু গত দু’বছরে অন্য রাজ্যের মাত্র দু’জন ব্যক্তি এই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে জমি কিনেছেন। মঙ্গলবার সংসদে এমনটাই জানাল কেন্দ্র।
স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই লিখিত ভাবে লোকসভায় বলেন, “জম্মু ও কাশ্মীরের সরকারের তরফে জানা গিয়েছে বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের পর দু’জন বাইরে থেকে জম্মু কাশ্মীরে পৃথক দু’টি জায়গা কিনেছেন।” এখানে জমি কিনতে অন্য রাজ্যের কোনও ভারতীয়কে কি কোনও রকম বাধা বা সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে? এ প্রশ্নের জবাবে নিত্যানন্দ রাই বলেন, “সরকারের তরফে এরকম কিছু জানানো হয়নি।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে একাধিক প্রশ্ন জমা পড়েছে। যেখানে জানতে চাওয়া হয়েছে জম্মু কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা অবলুপ্তির পর সেখানে মানুষ জায়গা কিনতে চাইছে বলে শোনা যাচ্ছে, এর কি আদৌ কোনও সত্যতা রয়েছে? এদিন সে প্রশ্নেরই জবাব দেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই।
দ্বিতীয়বার মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০১৯ সালের ৫ অগস্ট জম্মু কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার করা হয়। ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল হয়। জম্মু ও কাশ্মীরকে দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করা হয়, জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ। ২০২১ সালের ৫ অগস্ট তার দু’ বছর পূর্ণ হল। এর আগে অবধি জম্মু কাশ্মীরে জমি কেনার অধিকার ছিল এখানকার ‘স্থায়ী বাসিন্দার’। কিন্তু জম্মু কাশ্মীরকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণার পর ভারতীয় যে কোনও নাগরিক এখানে জমি কিনতে পারবেন।
কিন্তু দুজন কিনেছেন। তারা ঠিক কারা জানা যায় নি। তবে অনেক লোক আগ্রহী ছিল বলে যা রটনা তার অনেকাংশে সত্যতার অভাব আছে।
We hate spam as much as you do