জল্পনার পর প্রায় দু’বছর পর স্কুল খুলতে চলেছে রাজ্যে। সব ঠিকঠাক থাকলে আগামী ১৫ নভেম্বর সোমবার থেকেই স্কুল খোলা হবে। শিলিগুড়ির উত্তরকন্যায় প্রশাসনিক বৈঠকে বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন বৈঠক চলাকালীন মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী বলেন, কালীপুজো, ছটপুজো, জগদ্ধাত্রী পুজো মিটলে ১৫ নভেম্বর থেকেই স্কুল খোলার বিষয়টিও দেখে নিন।
অনেক হল এবার স্কুলের দরজা খোলো।১৫ই নভেম্বর থেকে স্কুল চালু হতে পারে
newscopes.in 25th October
অনেক হলো এবার স্কুলের দরজা খোলো। এই স্লোগানে গত কয়েকদিন আগে বাম ছাত্র সংগঠন এসএফআই দাবী পোষ্টার সহ রাস্তায় নেমেছিল। এটা ঠিক কোভিডের পরিস্থিতি যথেষ্টই খারাপ ছিল। কিন্তু এর মধ্যেও ব্যবস্থা নেওয়া যেত। এইভাবে বিদ্যালয়ের ক্লাস বন্ধ থাকলে ছাত্রছাত্রীদের মানসিক গঠন সম্পূর্ণ হয় না। তারা ভবিষ্যতে লব্ধ জ্ঞানকে বাস্তবে সাফল্যের সাথে প্রয়োগ করতে পারবে না। তাই সমস্ত ছাত্রছাত্রীর ভ্যাকসিনের টিকা দিয়ে কোভিড বিধি মেনে স্কুল খোলার ব্যবস্থা করা উচিত ছিল।
বহু জল্পনার পর প্রায় দু’বছর পর স্কুল খুলতে চলেছে রাজ্যে। সব ঠিকঠাক থাকলে আগামী ১৫ নভেম্বর সোমবার থেকেই স্কুল খোলা হবে। শিলিগুড়ির উত্তরকন্যায় প্রশাসনিক বৈঠকে বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন বৈঠক চলাকালীন মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী বলেন, কালীপুজো, ছটপুজো, জগদ্ধাত্রী পুজো মিটলে ১৫ নভেম্বর থেকেই স্কুল খোলার বিষয়টিও দেখে নিন। তার আগে স্কুলগুলি পরিষ্কার করার ব্যবস্থা করতে হবে। একইসঙ্গে তিনি বলেন, আবারও দুয়ারে সরকার শুরু হবে ১৫ তারিখের পর থেকে। তবে এবার শুধু মাত্র ভবানীপুর, মুর্শিদাবাদের দুই জায়গায় এই শিবির হবে। কারণ, ভোটের কারণে এই তিন জায়গায় দুয়ারে সরকার শিবির করা যায়নি।
এদিন প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে বলেন, যে সব জায়গায় দুয়ারে সরকার ভোটের জন্য করা যায়নি সেখানে দুয়ারে সরকার হবে। ৪ তারিখে কালীপুজো। ৬ তারিখে ভাইফোঁটা। ১০ আর ১১ তারিখ ছট পুজো। ১৩ তারিখে জগদ্ধাত্রী পুজো। তার আগে স্কুল কলেজগুলি পরিষ্কার করতে হবে।
করোনার পর ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করলে বিভিন্ন রাজ্যে স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তবে পশ্চিমবঙ্গের স্কুল কিন্তু খোলেনি। অবশ্য মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, কালীপুজোর পর থেকেই স্কুল খুলে দেওয়া হবে। তবে তিনি সে সময় বলেছিলেন, পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেই নেওয়া হবে সিদ্ধান্ত। মনে করা হচ্ছে, অবশেষে সেই সিদ্ধান্তেই সিলমোহর পড়ল। তবে একই সঙ্গে এই মুহূর্তে কলকাতা ও রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। সে ক্ষেত্রে কালীপুজোর পর স্কুল খোলার পরিস্থিতি কতটা অনুকূল থাকবে তা নিয়েও কিন্তু ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
We hate spam as much as you do