প্রথম কোচ হিসেবে চারটি ইউরোপিয়ান খেতাব জিতে ইতিহাসে জায়গা করে নিলেন আন্সেলত্তি। শুরু থেকেই ম্যাচের রাশ লিভারপুলের হাতে ছিল। একের পর এক আক্রমণে এর রিয়েল এর ডিফেন্স বারবার বেআব্রু হয়েছে।
চ্যাম্পিয়নস লীগ হাসিল রিয়াল মাদ্রিদের, আনন্দে উদ্বেলিত আন্সেলত্তি ব্রিগেড
১৪ তম চ্যাম্পিয়নস লীগ খেতাব জিতল রিয়াল মাদ্রিদ। লড়াইটা মূলত ছিল ট্যাকটিকাল, কারলো আন্সেলত্তি বনাম জুর্গেন ক্লপের ক্ষুরধার মস্তিষ্কের ডুয়েল। আর সেইখানেই বাজিমাত রিয়ালের। এসি মিলানকে আগে দুইবার চ্যাম্পিয়ন করিয়েছিলেন। এইবারের ট্রফিটা ধরলে রিয়ালকেও দুইবার চ্যাম্পিয়ন করলেন।
তাই প্রথম কোচ হিসেবে চারটি ইউরোপিয়ান খেতাব জিতে ইতিহাসে জায়গা করে নিলেন আন্সেলত্তি। শুরু থেকেই ম্যাচের রাশ লিভারপুলের হাতে ছিল। একের পর এক আক্রমণে এর রিয়েল এর ডিফেন্স বারবার বেআব্রু হয়েছে।
তবে রিয়েলের গোলরক্ষক থিবাও কুরতোই দক্ষতার শীর্ষে উঠে দলের নিশ্চিত পতন রোধ করেন।
তবে সমস্ত আক্রমণ থিবোই কুরতোইrর বিশ্বস্ত হতে আটকে গেছে। না হলে ম্যাচের ফলাফল অন্যরকম হতেই পারত। উল্লেখযোগ্যভাবে ম্যাচ ফাইনাল সেন্ট পিটার্সবার্গে হওয়ার কথা ছিল যা সোভিয়েত আমলে লেনিনগ্রাদ নামে খ্যাত ছিল।
প্রিমিয়ার লিগ আগেই হাত ছাড়া হয়েছে তাই সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাতে মরিয়া লিভারপুল শুরু থেকেই মুড়ি-মুড়কির মতো আক্রমণ শনিয়েছে।
তবে রাশিয়া ইউক্রেন এর সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে যাওয়ার পর কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেন যে ভেন্যু পরিবর্তন করা হবে এবং ফাইনালের ভেন্যু সরিয়ে প্যারিসে নিয়ে যাওয়া হয়।
তবে রাশিয়া এর পিছনে সংযুক্ত রাষ্ট্রের চক্রান্ত দেখতে পেয়েছে। শুরু থেকেই লিভারপুল একের পর এক আক্রমণ শনিয়েছে। ট্রেন্ট আলেক্সানডার - আর্নল্ডের থেকে বল পেয়ে মো সালাহ প্রায় গোল করে দিচ্ছিলেন কিন্তু সেই থিবো কোর্তোই দক্ষতার শীর্ষে উঠে দলের নিশ্চিত পতন রোধ করেন।
এরপর ২১ মিনিটে সাদিও মানে এটার মিলিসাও এবং ক্যাসেমিরোকে মাটি ধরিয়ে দিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন। কিন্তু সেই থিবো কোরতোইর বিশ্বস্ত হাতে রিয়ালের গোল দুর্গ অটুট থাকে। এরপর রিয়েল প্রতি আক্রমণে একটি সুযোগ তৈরি করে। কিন্তু করিম বেনজেমার গোল অফ সাইডের এর কারণে বাতিল করে দেন ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি।
এরপর দিনের সেরা সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ভিনিসিয়াস লিভারপুলের স্বপ্ন চুরমার করে দেন। অ্যান্ডি রবার্টস লোককে বোকা বানিয়ে লুকা মড্রিক জায়গা করে নেন এরপর তার থেকে বল পেয়ে ভালভার্দে নিখুঁত পাস ভিনিসিয়াস কে খুঁজে নেয়। ভিনিসিয়াস সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। এরপর বেশ কয়েকবার দলের নিশ্চিত পতন রোধ করেন সেই থিবাউ কোর্তই। তার সহ খেলোয়াড়রা তাকে কাঁধে তুলে নেন।
We hate spam as much as you do