মামলায় আদালত পর্ষদকে ভর্ৎসনা করে বলে , ‘যোগ্য প্রার্থীদের চাকরির ব্যবস্থা করুন। এখন সম্ভব না হলে ভবিষ্যতে যে শূন্য পদগুলি তৈরি হবে সেখানে নিয়োগের ব্যবস্থা করুন। এই চাকরিপ্রার্থীরা কতদিন আর লড়াই করবে?
২১ জেলার চেয়ারপার্সন বদল প্রাথমিক শিক্ষা কাউন্সিলে খোল নলচে বদলে গেল
এবছর প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে যা হল তাতে সরকারের বার বার মুখ পুড়ল। তাই তড়িঘড়ি প্রাথমিক শিক্ষা কাউন্সিলে (Primary Education Council) ২১ টি জেলার প্রাথমিক স্কুল কাউন্সিলের চেয়ারম্যান (Chairman) পদে রদবদল করা হল। বৃহস্পতিবার সেই বিজ্ঞপ্তি করা করেছে শিক্ষা দফতর। সম্প্রতি, নিয়োগ সহ নানা ইস্যুতে প্রাথমিক শিক্ষা (Primary Education) নিয়ে বারবার চাপের মুখে পড়তে হয়েছে রাজ্যকে। ভুল প্রার্থীকে নিয়োগ করার কথা আদালতে স্বীকারও করে নিয়েছে রাজ্য। এরই মধ্যে এই রদবদল যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। যদিও শিক্ষক মহলের একাংশের দাবি, শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya Basu) নিজের মতো করে কাউন্সিল সাজাতে চাইছেন, তাই এই সিদ্ধান্ত।
এ দিনের নোটিশ অনুযায়ী কলকাতা সহ মোট ২১ জেলার কাউন্সিলের চেয়ারপার্সন বদল করা হয়েছে। অন্যান্য জেলার মধ্যে রয়েছে আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া, হাওড়া, হুগলি, বীরভূম।
প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়ে সম্প্রতি বারবার চাপের মুখে পড়েছে রাজ্য। সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টে প্রাথমিকে নিয়োগের একটি মামলায় তীব্র অস্বস্তিধে মধ্যে পড়তে হয় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে। প্রাথমিকের ভুল প্রশ্ন মামলায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে সশরীরে আদালতে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়। কেন ভুল প্রশ্নের উত্তরদাতাদের নম্বর দেওয়া হয়নি, সেই মর্মে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের হয়েছিল হাইকোর্টে। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই সভাপতিকে ডেকে পাঠায় আদালত।
মামলায় আদালত পর্ষদকে ভর্ৎসনা করে বলে , ‘যোগ্য প্রার্থীদের চাকরির ব্যবস্থা করুন। এখন সম্ভব না হলে ভবিষ্যতে যে শূন্য পদগুলি তৈরি হবে সেখানে নিয়োগের ব্যবস্থা করুন। এই চাকরিপ্রার্থীরা কতদিন আর লড়াই করবে? উত্তরে মানিক ভট্টাচার্য জানিয়েছিলেন, ‘এটা দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। মামলাকারীরা সন্তান সম বলে উল্লেখ করেছিলেন তিনি। পরে অবশ্য আদালত অবমাননা মামলা থেকে নিষ্কৃতি দিয়েছে পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে।
এদিকে যাদের নাম নতুন তালিকায় বিভিন্ন জেলায় চেয়ারম্যান হিসেবে প্রকাশিত তাদের দক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
We hate spam as much as you do