স্পেশাল পুলিশ অফিসার (এসপিও) মুজাম্মিল আহমেদ বলেন, 'হামলার দিন আমাদের চারজন সহকর্মীকে বৈসরণ উপত্যকা যাওয়ার পথে মোতায়েন করা হয়েছিল। আমাদের অনেকেই পর্যটকদের সহায়তা, তাদের পথ দেখানোর জন্য এই দায়িত্ব পালন করেছি।তিনি পর্যটকদের জন্য ওই ক্যাডারকে 'বিশেষ পুলিশ বাহিনী' হিসাবে বর্ণনা করেছেন। যাদের পর্যটকদের সহায়তার জন্য মোতায়েন করা হয়েছে। এর নেতৃত্বে থাকেন একজন পুলিশ সুপার, যাকে ডেপুটি ডিরেক্টর ট্যুরিজম (এনফোর্সমেন্ট) হিসেবে মনোনীত করা হয়। অন্যদিকে,পহেলগাঁও শহরের কাছে কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স ব্যাটালিয়ন এবং সেনাবাহিনীর রাষ্ট্রীয় রাইফেলস ইউনিটের সদর দফতর রয়েছে। কিন্তু শহর থেকে বৈসরণ উপত্যকায় যাওয়ার পথে কোনও সশস্ত্র নিরাপত্তা বাহিনী নেই।
পহেলগাঁও এর 'মাস্ট ভিজিট প্লেস' বৈসরন ছিল নিরাপত্তাহীন ৪ নিরস্ত্র রক্ষী, কেন? উঠছে প্রশ্ন
25 Apr 2025
জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে নিরাপত্তায় গলদ ছিল। সর্বদলীয় বৈঠকে কার্যত স্বীকার করে নিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে নিরাপত্তায় গলদ ছিল। সর্বদলীয় বৈঠকে কার্যত স্বীকার করে নিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আর এই আবহে সামনে এসেছে বিখ্যাত পর্যটক কেন্দ্র পহেলগাঁও বাজার এবং বৈসরণ উপত্যকায় মধ্যে ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ পাহাড়ি রাস্তায় কোনও সশস্ত্র নিরাপত্তা বাহিনী ছিল না। এমনকি ২২ এপ্রিল ভয়াবহ হামলার সময়, পর্যটকদের জন্য নিরাপত্তায় ছিল জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ ক্যাডারের মাত্র চারজন নিরস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী।
এক আধিকারিক জানিয়েছেন,বৈসরণ উপত্যকায় কোনও নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েনই করা হয়নি।অথচ পহেলগাঁওয়ের বৈসরণ পর্যটকদের কাছে 'মাস্ট ভিজিট প্লেস'। কিন্তু গত মঙ্গলবার নিরাপত্তা বাহিনীর অনুপস্থিতিতে সেই অপূর্ব সুন্দর জায়গাতেই ঘুরতে গিয়ে জঙ্গিদের গুলিতে ঝাঁঝরা হয়েছেন ২৬ জন নিরীহ ভারতীয়। তাঁর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের ৩ বাসিন্দাও রয়েছেন। জানা গেছে, বৈসরণ উপত্যকার যে পর্যটন পুলিশ বিভাগের চারজন নিরস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী ছিলেন, তাঁরা মূলত পর্যটকদের সহায়তা করে থাকেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানের ভিত্তিতেও জানা গেছে, ওই ৪ জনের মধ্যে দু'জন পহেলগাঁও বাজারের কাছে বৈসরণ উপত্যকার ৬ কিলোমিটার পথ যেখানে শুরু হয় সেখানে এবং অন্য দু'জন পথের শেষে মোতায়েন থাকেন। পর্যটকরা পায়ে হেঁটে অথবা ঘোড়ায় চড়ে উপত্যকায় ভ্রমণ করতে পারেন। তবে বৃহস্পতিবার গোটা এলাকা সাধারণ মানুষের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়। এনআইএ-র আধিকারিকরা পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে ঘটনাস্থলে ছিলেন। সেখান থেকে তারা নমুনা সংগ্রহ করেন। চারপাশ খতিয়ে দেখেন। (আরও পড়ুন: বাংলার বিএসএফ জওয়ানের রাত কাটল পাকিস্তানে, অভিনন্দন পর্বের ভুলের পথে ইসলামাবাদ?)
স্পেশাল পুলিশ অফিসার (এসপিও) মুজাম্মিল আহমেদ বলেন, 'হামলার দিন আমাদের চারজন সহকর্মীকে বৈসরণ উপত্যকা যাওয়ার পথে মোতায়েন করা হয়েছিল। আমাদের অনেকেই পর্যটকদের সহায়তা, তাদের পথ দেখানোর জন্য এই দায়িত্ব পালন করেছি।তিনি পর্যটকদের জন্য ওই ক্যাডারকে 'বিশেষ পুলিশ বাহিনী' হিসাবে বর্ণনা করেছেন। যাদের পর্যটকদের সহায়তার জন্য মোতায়েন করা হয়েছে। এর নেতৃত্বে থাকেন একজন পুলিশ সুপার, যাকে ডেপুটি ডিরেক্টর ট্যুরিজম (এনফোর্সমেন্ট) হিসেবে মনোনীত করা হয়। অন্যদিকে,পহেলগাঁও শহরের কাছে কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স ব্যাটালিয়ন এবং সেনাবাহিনীর রাষ্ট্রীয় রাইফেলস ইউনিটের সদর দফতর রয়েছে। কিন্তু শহর থেকে বৈসরণ উপত্যকায় যাওয়ার পথে কোনও সশস্ত্র নিরাপত্তা বাহিনী নেই। এদিকে, পহেলগাঁও থেকে প্রাণ হাতে নিয়ে ফিরে আসা পর্যটকরাও বলছেন, শ্রীনগর নিরাপত্তার চাদরে মোড়া ছিল। কিন্তু মিনি সুইজারল্যান্ডে সেই নিরাপত্তা ছিল না। সে কারণেই জঙ্গিরা খুব সহজেই হত্যালীলা চালিয়ে ফিরে যেতে সক্ষম হয়েছে। পহেলগাঁওয়ের ওই উঁচু উপত্যকায় বহু পর্যটক ছিলেন। সেখানে বাহিনী থাকা দরকার ছিল। নিরাপত্তার বেষ্টনি সেখানেই থাকে না। সে কারণে তারা ওই এলাকাকে টার্গেট করে।
We hate spam as much as you do